ওগো আমার পোস্টের ব্লগার এহহামিদা কই?
উনি আছেন, এবং ওনার নাপাক শরীরের গন্ধে ব্লগ দুর্গন্ধময় হয়ে উঠেছে। কারন উনি সহনশীল নন। তিনি কাউকে সম্মান দিতে জানেননা। সাংবাদিকতা পেশাকে অপমান করেছেন, গাঞ্জাখোর সাংবাদিক হিসাবেও মন্তব্য করেছেন, আমাকে ভুল নিউজ পোস্ট করার জন্য ক্ষমা চাইতে বলেছিলেন। আমি আমার পোস্টকে সত্য বলে চ্যালেঞ্জ করে এহহামিদাকে ক্ষমা চাইতে বললে তিনি গন্ডারের মতো তিনদিন পর ক্ষমা চাইলেন বটে, কিন্তু ততক্ষণে ব্লগ দুর্গন্ধে ভরে গেলো।
খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা গ্রেফতার?
আমি কি স্পষ্টতই বলেছিলাম যে, শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া গ্রেফতার? প্রশ্নবোধক চিহ্নটি হামিদা দেখলেন না, দেখলেন না পরবর্তী মন্তব্যগুলোও। সেখানে আমি স্পষ্টভাবেই বলেছি, সব ব্লগাররা যেন সংবাদের সত্যতা জানার চেষ্টা করেন এবং সত্যতা জানলে তা ব্লগে জানাতে। আমি গুজবটিকে হালকাভাবে নিতে চাইনা। তবুও তিনি আমাকে গাঞ্জাখোর সাংবাদিক বলেছিলেন।
নানক ও মির্জা আজমের গ্রেফতারের সংবাদ ভিত্তিহীন।
আমার দ্বিতীয় যে পোস্ট নিয়ে এহহামিদার মন্তব্য ছিলো সেটি যুবলীগ সভাপতি নানক ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজমের গ্রেফতার প্রসঙ্গে।
বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া - ইত্তেফাক, ডেইলিস্টার, নয়া দিগন্ত, দিনকাল, এটিএন বাংলা, বাংলা ভিশন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইফতেখার আলম চৌধুরীর সূত্র উল্লেখ করে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে। আমি বলেছিলাম সকল সংবাদ মিথ্যা। ব্লগার হামিদা এবং রাজনীতিক বলেছিলেন আমার এই তথ্য ভুল। আমি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে নতুন পোস্ট দিয়ে বলেছিলাম আমার তথ্য ভুল হলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবো আর সত্য হলে এহহামিদা ও রাজনীতিককে ক্ষমা চাইতে হবে।
কথা দিলাম, সংবাদ মিথ্যে হলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবো।
লা মিজারেবল বইটি লেখার পর ভিক্টোর হুগো তার প্রকাশককে একখানা চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে তিনি একটা প্রশ্ন বোধক চিহ্ন (?) ব্যবহার করেছিলেন, প্রতিউত্তরে প্রকাশক লেখক ভিক্টোর হুগোকে (!) আশ্বর্যবোধক চিহ্ন লিখে উত্তর পাঠিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরে আমি এহহামিদার শিষ্ঠাচার বর্জিত মন্তব্যে আমার পেশার প্রতি নিজেই সন্দেহ পোষন করে ’!!!!!!!!!’ অসংখ্য আশ্বর্যবোধক চিহ্ন ব্যবহার করে হামিদার দৃষ্টি আর্কষণ করেছিলাম। যথারীতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে এবং তিনি প্রকাশ্যে ব্লগে ক্ষমা চেয়েছেন। আশ্চর্যবোধক চিহ্নটি তিনি তার লেখায় ১০০ বার ব্যবহার করেছিলেন।
সেই তো মল খসালি তবে কেন লোক হাসালি (লিংক হামিদার পোস্ট)
সাধুবাদ আপনাকে, আমি বিশ্বাস করি এধরনের সহনশীল মনোভাব রাজনীতিকের মধ্যেও জাগবে এবং ব্লগে একটা শন্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।
আমার 'ছয় শীর্ষ জঙ্গীর ফাঁসি কার্যকর' সংবাদটি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। সেই সংবাদটিও অসমর্থিত সুত্র হতেই আমি পাই তারপর ব্লগে পোস্ট দেই, প্রখমে কেউ বিশ্বাস করেনি। আমি অনেক কষ্ট করে মন্তব্য গুলো সহ্য করেছি। সংবাদটি সত্য হয়েছিলো। কৃতজ্ঞতা জানাই ব্লগার অলৌকিক হাসানকে যিনি প্রথম সোর্স ছিলেন '৬ জঙ্গীর ফাঁসি' সংবাদটির এবং আমাকে তা জানিয়েছেন। আমার এমন অসংখ্য সোর্স আছেন দেশে বিদেশে, ব্লগে যারা প্রতিনিয়তই আমাকে সহায়তা করে যাচ্ছেন।
গত কয়েকদিনের মঞ্চস্থ নাটকের এটিই শেষ দৃশ্য। এ দৃশ্যে অভিনয়শিল্পী হিসেবে ব্লগার এহহামিদা, রাজনীতিক এবং থার্ডআই - এর মধ্যে কে ভিলেন কে নায়ক তা খুঁজে নেয়ার দায়িত্ব ব্লগারদের।
ধন্যবাদ সবাইকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






