সেই কখন থেকে সে শ…শ… শব্দে ডেকে চলছে।
পার্থিব কাজে ব্যস্ত আমি, আমার কান,
অপার্থিব মেঘের গান শুনবে
এমন শ্রবনশক্তি কোথায়?
ভেবেছিলাম অপেক্ষা করবে
কিন্তু, দিনের আলোর গোধূলির আভাস
বাতাসে ধূলোর আন্দোলন
আর
গাছগুলির ক্রমাগত আহবানকে উপেক্ষা করবে
এমন সংযমী মেঘ আছে কোন আকাশে?
তাই,
কোন পার্থিব প্রানের অস্তিত্বের
উপস্থিতি অনুপস্থিতিকে তোয়াক্কা না করে
ঝুম নেমে আসল সে বৃষ্টির বেশে।
জমাট কংক্রীটের সীমানা পেরিয়ে যখন
তার মাঝে এসে পরলাম আমি,
দেখি সে ঝরে চলছে অবিরাম।
তীব্র কামনায় ধেঁয়ে আসা এক একটা ফোঁটা
আমার চুল ছুঁয়ে বেয়ে নামে
চোখ
কপোল
আর বুকে।
আমিও প্রতিদ্বন্দী কামুকের মতো
ফোঁটা গুলিরে ছুঁয়ে, মাড়িয়ে, ধারন করে
ধেয়ে চললাম আরো গভীরে
আরো গভীর ভাবে এক-একটা ফোঁটা পেতে।
আরো ভেতরে আরো অন্তঃকেন্দ্রে
একদম পাপের মূলে ছোঁয়াতে চাই বৃষ্টিকে।
যে পাপে আমি তাকে পেতে চেয়েছিলাম
চেয়েছিলাম ছুঁতে আর ভালোবাসতে।
সে পাপকে বৃষ্টি ধুয়ে নিকনা
তার জলের ধারায়, বর্ষনের কামনায়!
অবশেষে ক্লান্ত
আর বৃষ্টিকে অন্তর্গত করার অপারগতায়
স্থির হলাম-
সেই একই পাপকে ধারন করে
বৃষ্টিকে ছুঁয়ে।
(তাকে পেতে চাওয়ার পাপ, ছুঁতে চাওয়ার পাপ, ভালোবাসতে চাওয়ার পাপ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




