somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই হল আমাদের দেশ

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকাল অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রুপ সেক্স হচ্ছে। এইতো কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখতে পেলাম বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কয়েক ডজন ছেলে মেয়ে একটা আবাসিক হোটেলে গ্রুপ সেক্স করতে গিয়ে আটক হয়েছে। মানিকের মত ছেলেরা ধর্ষনের সেঞ্চুরি করে ককটেল ফাটিয়ে জাবিতে জন্মদিন পালন করেছে। ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টয়লেটে মেয়েদের সালোয়ারের ফিতা খুলতে সাহায্য করছে। ভিকারুন্নেসা, ইডেন কলেজের মহিলা হোস্টেলের ছাত্রীরা তাদের বয় ফ্রেন্ডকে বোরকা পড়িয়ে রুমে নিয়ে গিয়ে একটু আধটু চেতনার আদান প্রদান করছে। ধর্ষনের একটু ডিজিটাল ভার্সন হয়ে ইদানিং যানবাহনেও ধর্ষন করা হচ্ছে। ঢাকার প্রাথমিক স্কুলের ৪র্থ, ৫ম শ্রেনীর মেয়েগুলো শিক্ষক কতৃক ধর্ষিত হচ্ছে। পরিমলের মত অনেক শিক্ষক আজকাল খুজে পাওয়া যাচ্ছে। পিতার স্বপ্নের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে!! যেতে দেন না, মাঝখান থেকে আমি আপনি বাধা দেওয়ার ক্যাঠা?আমাদের ছোট ভাই বোনদের "নিজেকে জানো ও শারীরিক শিক্ষা " বইয়ের মাধ্যমে শেখানো হচ্ছে কনডম কি, পিল কি, কারো সাথে সেক্স করলে কিভাবে নিরাপদে করতে হবে? আরো শেখানো হচ্ছে স্বপ্নদোষ কি, মাসিক কি, ইত্যাদি ইত্যাদি???? ঢাকার স্বনামধন্য কলেজগুলো এখন ট্রাইয়েল হিসেবে কনডম ফ্রী বিতরন করছে। যাতে ছেলেমেয়েরা কনডমের ব্যবহার শিখতে পারে।ভালো তো!! ভালো না!! চায়ের দামে শরবত পাচ্ছেন''টিএসসি তে যখন কয়েক ডজন নারীকে শ্লীনতাহানি করা হল তখন পুলিশের ডিজি ওরফে কানা ডিজি বলল, সেখানে কোন নারীর যৌনতার শিকার হয়নি, শুধু সোনার ছেলেগুলো মেয়েদের কাপড় খুলে একটু দুস্টামি করছিল। আমাদের দেশের নারী অধীকার কর্মীদের বলা হল মেয়েদের ধর্ষন ও ইভটিজিং থেকে বাচার উপায় কি? তারা পরামর্শ দিয়েছিল মেয়েরা বাইরে বের হওয়ার সময় যেন ব্যাগে কনডম নিয়ে বের হয়। ভাল না!! অনেক ভাল পরামর্শ। যারা আল্লাহ্‌ এবং রাসুল (সঃ) নিয়ে চটি লিখছে তাদের দ্বিতীয় প্রজন্মের সাহসী সৈনিক হিসেবে পদবী দেয়া হচ্ছে। নাস্তিক আসিফ মহিউদ্দীন তসলিমা নাসরিনদের জন্য মানবধীকার কর্মী কানা মিজান ও ড. কামাল হোসেনরা অশ্রু বির্সজন দিচ্ছেন। তাদের জন্য মায়া উথলে পরছে। তারা দেশের নাগরিক হয়ে কেন প্রবাস জিবন যাপন করবে এজন্য কানা মিজানরা মৌন আন্দোলন করে যাচ্ছে। নাস্তিক লতিফ সিদ্দিকিদের জামিন হচ্ছে, অথচ নির্দোষ ফারাবী ও আলেম উলামাদের বছরের পর বছর জেলখানায় থেকেও জামিনপাচ্ছে না।যারা দিশেহারা মানুষদের দ্বীনের আনজাম দিয়ে বের হত তারা আজ জেলখানার কুঠুরিতে আবদ্ধ। অনেকে শহীদি ম্যুতুর স্বাধ গ্রহন করতে হয়েছে। অনেকে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। আলেম ওলামাদের জঙ্গি মৌলবাদি তালেবান পদবী ট্যাগ দিয়ে চৌদ্দশিকের ভিতরে রেখে দেয়া হচ্ছে।যে মেয়েরা অাধুনিকতার জোয়ারে নিজেকে ভাসিয়ে না দিয়ে মা জাতিকে ইসলাম ও কুরআনের শিক্ষা দেয়ার কাজে অানজাম দিচ্ছে তাদেরকে বোমাবাজ সাজিয়ে কুরআনের তালিম থেকে তুলে নিয়ে জেলখনায় ভরা হচ্ছে। এই তো সেদিন ইফতারের কয়েক ঘন্টা পুর্বে তিন মাসের সদ্য জন্মগ্রহন করা বাচ্চাটাকে তার বাবার কাছে রেখে আফছানা পাশের ফ্লাটে কুরআন শিখতে যায়। কিছুক্ষন পরে আমাদের দেশের পুলিশ বাহিনী এসে অাফসানা সহ প্রায় ২০ জন পর্দানশীল মহিলাকে ধরে নিয়ে যায়। তাদের অপরাধ !! তারা নাকি কুরআন পড়ারপাশাপাশি বোমা তৈরীর প্রশিক্ষন নিচ্ছিল। অাফসানার স্বামী তার বউকে দেখে অানন্দে দুফোটা অশ্রু বির্সজন দিয়ে পুলিশের সামনে তার বউকে উদ্দেশ্য করে বলেছিল আমি " তোমার মত স্ত্রী পেয়ে গর্বিত। তোমার তিন মাসের বাচ্চাটাকে নিয়ে একটুও চিন্তা করবে না। আমি তোমার মত করেই তোমার মেয়ে মাইসাকে আগলে রাখব"।বাহ!! কি চমৎকার!! দেশ কতটা এগিয়ে যাচ্ছে , যেতে দেই না!! মাঝখান থেকে দেশের উন্নয়নে বিরোধিতা করে আমি আপনি রাজাকার পদবী নিবো কোন দুঃখে ???
সংগৃহীত
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:২৭
১২টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"কর্পোরেট_ফ্যাক্টসমুহ"

লিখেছেন মামুন রেজওয়ান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"কর্পোরেট_ফ্যাক্ট_২১"



সব সময় ইন্টার্ভিউ দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমরা জানতে পারি অনলাইনে। কিন্তু যারা ইন্টার্ভিউ নেন বিভিন্ন পজিশনের জন্য তাদের অভিজ্ঞতা খুব একটা জানা হয়না আমাদের। তাই আমরাও যারা মোটামুটি এক্সপেরিয়েন্স... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

লিখেছেন মৃত্যুঞ্জয়, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×