somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"আস্তিক বনাম নাস্তিক.......

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"একদা দুই জমজ শিশু মাতৃগর্ভে গল্প করিতেছিলো।
একে অপরকে সুধাইলো, " তুমি কি প্রসবের পরবর্তী
জীবনে বিশ্বাস কর?"
অপরজন উত্তর দিলো, "অবশ্যই করি। নিশ্চই প্রসবের
পরবর্তীকাল বলিয়া কিছুরহিয়াছে এবং সেই
পরবর্তীকালের প্রস্তুতিকরণের উদ্দেশ্যেই আজ আমরা এইখানে।"

-প্রথম জন কহিলেন "আহারে বেয়াকুফ, প্রসব- পরবর্তী
জীবন বলিয়া কিছু নাই। তোমার সেই প্রসব-পরবর্তী
কাল্পনিক জীবন কিরুপে সম্ভব???"
দ্বিতীয় জন উত্তর দিলেন, "আমি ঠিক জানি না। তবে
সেথায় এখান হইতে আলোক অনেক বেশি হইবে। হয়তো
সেথায় আমরা নিজ পায়ে হাটিয়া বেড়াইবো, মুখ
দিয়া আহার করিবো। হয়তো সেখানে আমাদের
ইন্দ্রিয়গুলো, অনুভুতিগুলো এখানকার চাইতে ভিন্ন
হইবে যাহা এখন আমরা বুঝিতে পারিতেছিনা।"

-প্রথম জন, "ইহা কল্পনাবিলাস ব্যতীত কিছুই নহে।
নিজের পায়ে চলাচল? অসম্ভব। আর মুখ দিয়ে খাদ্য
গ্রহন? অলিক কল্পনা আর কাহাকে বলে। আমাদের
শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির সরবরাহ আসে এই নাড়ির
মাধ্যমে। কিন্তু নাড়ির এই স্বল্প-দৈর্ঘ্য আমাদের প্রসব-
পরবর্তী জীবনের জন্য কোনো যুক্তিতেই যথেষ্ট হইতে
পারে না।
সুতরাং প্রসব-পরবর্তী জীবন এক কথায় অসম্ভব।"
দ্বিতীয় জন, "আমি মনে করি জীবন এখানেই শেষ নহে।
হয়তোবা প্রসব-পরবর্তী জীবন অন্যরকম। হয়তো সেখানে
আমাদের এই নাড়ির প্রয়োজনই হইবে না।"

-প্রথম জন, "ফালতু চিন্তারও তো একটা সীমা থাকে। আর
যদি এমন হতোই, তাহলে কেন কেউ কখনো সেখান
হইতে ফিরিয়া আসেনি? প্রসব হইল জীবনের শেষ এবং
তাহার পর কেবলই অন্ধকার, নিরবতা আর শূন্যতা।"
দ্বিতীয় জন, "আমি ঠিক বলিতে পারি না। কিন্তু তখন
আমরা আমাদের মায়ের কাছে থাকিব আর সেই
আমাদের দেখাশোনা করিবে।"

-প্রথম জন, "মা ? ? ? ! ! ! তুমি সত্যিই মা বিশ্বাস কর??? মা
যদি সত্যিই থাকিয়া থাকে, তাহলে সে এখন কোথায়???"
দ্বিতীয় জন, "সে আমাদের চারদিকেই বিরাজমান।
সে আমাদের ঘিরিয়া রহিয়াছে। আমরা তাহার
মাঝেই বাঁচিয়া আছি। তাহাকে ছাড়া এই পৃথিবী
অসম্ভব। তাহাকে ছাড়া আমরা অসম্ভব।"

-প্রথম জন, " তাহলে আমরা তাহাকে দেখিনা কেন?
কেন তাহাকে অনুভব করি না? এর একমাত্র যুক্তিসংগত
কারন হইল, মা বলে কিছু নাই।"
দ্বিতীয় জন উত্তর দিলো, " মাঝে মাঝে, যদি তুমি
নিরব থাকিয়া মনোযোগ সহকারে খেয়াল করিয়া
থাক, তুমি তাহার অস্তিত্ব অনুভব করিবে, তুমি
তাহাকে শুনিতে পাইবে....
যে তাহার মায়াভরা কন্ঠে আমাদের উপর হইতে
ডাকিতেছে।".......
.
.
এখানেই কিন্তু লিখাটা শেষ নয়....
এ জগতের সবকিছুই কিন্তু বিশ্বাসের উপর দিয়ে চলতেছে....
যারা স্রস্টাকে বিশ্বাস করে না, তারা ও কিন্তু এ বিশ্বাসের বাহিরে যেতে পারছে নাহ। :-)
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৬
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাটারিচালিত রিকশা , তিন-চাকার যানবাহন ব্যবস্থাপনা, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং সিসা-দূষণরোধ বিষয়ে একটি সমন্বিত নীতিগত প্রস্তাব।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮


বাংলাদেশের নগর ও শহরতলির পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজি-বাইক ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক তিন-চাকার যান ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের যাত্রীদের জন্য অপেক্ষাকৃত কম খরচের পরিবহন, বিপুলসংখ্যক চালক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৭



ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি কেনা ও নির্মাণের টাকা কোথা থেকে এসেছিল-এই প্রশ্নটা মাঝেমধ্যেই অনলাইনে ঘুরেফিরে আসে। উত্তরটা আসলে লুকিয়ে নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয় - দরকার বিকল্প সরকার

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪



জামাতকে সংগঠন হিসেবে নিখুঁত বলা যায়, আলেম হতে হলে দীর্ঘদিন পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হয় - মানে নেতা হবার আগে অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে, বিএনপি-লীগের এমন কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেলাশেষে

লিখেছেন নীল-দর্পণ, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

বাসায় আত্নীয় আসলে চলে যাবার সময় কিংবা তাদের বাড়ী থেকে ফেরার সময় ঘরের ছোট সদস্যের হাতে টাকা গুঁজে দেবার যে চল ছিল নিশ্চই আমরা কম বেশি সবাই সেটা সাথে পরিচিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসংখ্য মানুষের স্বপ্নের নায়িকা যিনি।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১২



একদিন যে বিয়েকে ঘিরে ছিল পাঁচতারকা হোটেলের ঝলমলে আলো, ক্যামেরার অসংখ্য ফ্ল্যাশ আর শত মানুষের করতালি, সেই সংসারের আকাশেই কয়েক বছরের মধ্যে জমেছিল বিচ্ছেদের মেঘ। ১৯৮৭ সালের মে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×