ঃ তোমাকে না করলাম না বাইরে হাত রাখতে? তারপরেও কথা শুনিতেছ না কেন?
_ তোমার কোন কথাই শুনবো না। তুমি এতো আনরোমান্টিক কেন? একটা মানুষ কিভাবে এরকম হয়??
ভরা বসন্ত। বাইরে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে। অবন্তী বারান্দায় দাঁড়িয়ে। বাইরে হাত দিয়ে বৃষ্টি ধরবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওর খোলা চুলের পাগলামি দেখছি। সৌন্দর্যে বিন্দু পরিমাণ ও ভাটা পরেনি। দিনকে দিন মনে হচ্ছে আরও রূপবতী হচ্ছে।
এরেঞ্জ মেরেজ ছিলো। প্রথম প্রথম খুব ভয় পেতাম। এখন আর সে ভয়টা নেই। কুয়াশার মতো সব দূর হয়ে গেছে।
একবার অফিসের এক জরুরী কাজে কুমিল্লাতে। সারাদিন কাজ শেষে যখন হোটেলে ফিরি তখন মনে হলো কিছু একটা নেই। সারারাত ঘুমোতে পারিনি। বারবার মনে হচ্ছিল কেও একজন আজ রাতে শরীরের উপর দিয়ে পা উঠায় নি, পাতলা পাতলা হাত গুলো বুকের উপর উঠায় নি, এলোমেলো চুল গুলো মুখের উপর পড়েনি, উষ্ম নিঃশ্বাস এর শব্দ শুনতে পাই নি। কাজ শেষ হওয়ার আগেই ভোরের ট্রেনে চলে আসি।
_ কি হলো? কোন দুনিয়াতে আছো? কি বলছি শুনছো?
ঃ কি কথা??
_ চলো না বৃষ্টিতে ভিজি?
ঃ বৃষ্টিতে ভিজলে আমার জ্বর আসে। তার চেয়ে তুমি ভিজো, আমি দেখি।
_ ধুর চলো তো। জ্বর আসলে আসুক। প্যারাসিটামল খাওয়াই দিবো নে।
নিঝুম বৃষ্টি। ভেজা চুলের গন্ধ পাচ্ছি। শক্ত করে অবন্তী র হাত ধরা। দুজন দুজনার দিকে তাকিয়ে। এ বাঁধন অনন্তকালের, এ বাঁধন কাছে পাওয়ার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





