somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টুকটুকি ও আমার ফেলে আসা দিনগুলো

১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টুকটুকি দেখতে ততোটা সুন্দর না যতোটা ওর মুখ সুন্দর। রোগা পাতলা একটা শরীর। জৈষ্ঠ মাসের কালবৈশাখী তে যে কোন সময় উড়ে যেতে পারে। তবে ওর বিশ্বাস উড়ে যাওয়ার সময় আমি হাতটা ধরবো। আসলেই হয়তো ধরবো।

শুকনো একটা মানুষের মুখ দিয়ে এতো কথা বের হয় আমার অবিশ্বাস্য মনে হয়। সব এনার্জি কথা বলতে বলতেই শেষ। তাই হয়তো শরীরের এই দূরাবস্থা।

আধঘণ্টা কটকট করার পর মনে হয় এখন একটু ক্লান্ত। প্রথম মনে হতো টুকটুকি ভার্সিটির লেকচারার আর আমি ফার্স্ট ব্রেঞ্চ এ বসা সুবোধ বালক।

ঃ তুমি আর কয়টা চাকরি ছেড়ে দিবা?

_ আরেহ এইটা তে মন টিকিতেছিল না।

ঃ মোট কয়টা হলো?

_ সর্বমোট ছয়টা।

ঃ আরো ছাড়বার ইচ্ছে আছে?

_ উঁহু। কসম করে বলতেছি।

ঃ এইবার নিয়ে কতোবার কসম কাটছো?

_ এইটা তো মনে নেই।

ঃ কি মনে থাকে তোমার?

_ শুধু তোমার কথা।

ঃ ফাজলামো বাদ দাও। তোমার মুখটা দেখতে ইচ্ছে করছেনা। তুমি উল্টো দিকে ঘুরে বসো।

_ এখনি?

ঃ চুপ করো তো। যা বলছি তাই করো।

_ আচ্ছা...

ঃ বাসা থেকে বিয়ের কথা বলছিল? আর কতোদিন বসে থাকবো? দেখতে দেখতে গ্রাজুয়েশন শেষ হয়ে গেলো আর তুমি অকর্মাইই রয়ে গেলা।

_ চলো তাহলে বিয়ে করে ফেলি। তাহলে মনে হয় কর্মা হয়ে যাবো।

ঃ আচ্ছা আমি গেলাম। বসে থাকতে ইচ্ছে করছেনা। তুমি বসে বসে কর্মা হও। আর এর মধ্যে আমি দু-তিনটা ছা ফুটাই।

_ তাহলে ভালোই। সুন্দর একটা ফ্যামিলি হয়ে যাবে।

ঃ ফ্যামিলি হবে হয়তো। তবে তোমার না, অন্যকারো।

সুযোগ গুলো হাতছাড়া হয়ে গেলে আর ফিরে আসেনা। সৃষ্টিকর্তা হয়তো মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর আমি এখনো কর্মা হওয়ার চেষ্টা করতে করতে ক্লান্ত।

বুকের বাম পাশটা এখনো চিনচিনিয়ে ব্যাথা করে। এ ব্যথার কোন রং নেই।

ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে দেখি বৈশাখী ঝড়ে উড়ে যাওয়া পাতলা শরীর টা অন্যকোন হাতে ধরা। এখনো আমার হয়তো টা ই রয়ে গেছে।

দুঃখ সইতে সইতে নাকি মহাপুরুষ হওয়া যায়। আমিও মনেহয় তাই হয়ে গেছি। মহাপুরুষ রা নাকি পার্থিব কিছু স্বপ্ন দেখেনা। তবে আমি দেখি। একটা শুকনো হাত আমার দিকে বাড়ানো আর আমি ধরতে পারছিনা...
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:১৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা কি তাহলে গুহা যুগে ফেরত যাচ্ছি?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫০



বিশ্ব যেখানে উন্নতির প্রতিযোগিতা করছে, কীভাবে জীবনমান আরও উন্নত এবং সহজ করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে আর আমরা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছি। চারদিকে ভয়াবহ অবস্থা!! চাঁদাবাজি, খুন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?
============================================
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশকে যুক্ত করার আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পক্ষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Movie-Obsession(2026)

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বিশিদবার রাতে খুব বাজে আর একটা ছিনেমা দেখলাম। ভাই-রে ভাই কি বলবো, ঐ রাতে আর ঘুমাতে পারি নাই। মানে দেখার পর থেকে এখনো গা শিরশির করছে। চোখ বন্ধ করলেও চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×