হিন্দুত্ববাদী সংগঠন শিবসেনাই আসল সন্ত্রাসী:-
ভারতে এবার স্বতন্ত্র এক আইনপ্রণেতার মুখে কালি ছুড়ে মেরেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন শিবসেনার সদস্যরা। ঘটনার শিকার প্রকৌশলী রশিদ। তিনি জম্মু কাশ্মীর বিধানসভার সদস্য। দিল্লি প্রেসক্লাবে এ ঘটনা ঘটে। গরু হত্যার গুজবে জম্মুর উধমপুরে গণপিটুনিতে আহত হয়ে মারা যাওয়া, এক ট্রাকচালকের পরিবারের দুই সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে প্রেসক্লাবে গিয়েছিলেন রশিদ।
কালি ছুড়ে মারার ঘটনায় দীপক ও দেব ইন্দ্র সিং নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা দাবি করেছেন, ৭ অক্টোবর শ্রীনগরে গরুর মাংস দিয়ে ভোজের আয়োজন করায় রশিদের ওপর খেপেছিলেন তাঁরা। এই সন্ত্রাসী সংগঠন শিবসেনা হামলার দায় স্বীকার করেছে।
এটা যদি কোন মুসলিম দেশের ইসলামি সংগঠন করতো, তাহলে সারা বিশ্বে হইচই শুরু হয়ে যেত। কারন এদেরকে তারা ইসলামি জঙ্গি সন্তাসী সংগঠন বানিয়ে সারা বিশ্বের মিডিয়ায় তুলে দরতো। আর আমাদের মুসলিম দেশগুলো শুধু চেয়ে চেয়ে দেখতো, কেউ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতো না, কারন প্রতিবাদ করলে সন্তাসী রাষ্ট্র হয়ে যাবে এই ভয়ে,হায়রে আমাদের মুসলিম দেশগুলি।
ইসলামে সন্তাসীদের কোন যায়গা নেই। যত ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আছে,যারা নিরহ মানুষকে হত্যা করে-ইসলামের নাম নিয়ে,তাদেরকে প্রতিহত করুন,কারন প্রকৃত মুসলমান কোন দিন জঙ্গি,সন্ত্রাসী,হত্যা করেনা। ভারতের কটর হিন্দুত্ববাদী শিবসেনা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন, এরাই বাবরি মসজিদ ভেঙে মুসলমান এবং ইসলামের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করে। এখন আবার গরুর মাংস নিয়ে সন্ত্রাসী কান্ড শুরু করছে। গরু বলে ওদের মা। কারন মায়ের দুধ এবং গরুর দুধ ওরা খায় এজন্য গরুকে ওরা মায়ের সমতুল্য মনে করে। তাই গরুর মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ দাবি করে ভারতে। এটা নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করে ভারতে মুসলমানদের কে হত্যা শুরু করেছে। একটি কতা, ওরা তো গরুর দুধ মায়ের দুধের সাথে তুলনা করেছে, ভালো কতা তাহলে ছাগলের দুধ ও তো ওরা খায়।তাহলে ছাগলকে কার সাতে তুলনা করবে। আরে গরু যদি তদের মা ই হয়, তাহলে ছাগল ও তদের মা তাই না। আমার কতা হলো তাহলে ছাগলের মাংস কে খায়? কোন ধমে সন্ত্রাসীদের আস্য় দেয় নাই। আসুন সবাই এই হিন্দুত্ববাদী নামদারি শিবসেনা সন্তাসী সংগঠন কে সারা বিশ্বের মানুষ এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার কাছে তুলে দরি। এবং তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সারা বিশ্বের মানুষের কাছে তুলে ধরি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


