গত বিশ্বকাপ ফুটবলের পর থেকে বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবগুলো বিষাক্ত হয়ে উঠেছে ভূভুজেলা নামক এক বিজাতীয় বাঁশির বিকট শব্দে।
এবারো আমাদের পহেলা বৈশাখের আয়োজনটা সম্পূর্ণ অসহনীয় করে তুলেছিলো এই বাঁশিটি। বিশেষত উচ্ছুখল তরুণদের মুখে মুখে এর ব্যবহার পুরো পবিবেশটাকে নারকীয় করে ফেলে। আগে যেখানে ডুগডুগী বা বাঁশের বাঁশির চেনা সুর শোনার সুযোগ ছিলো এখন তার আর কোন সুযোগই নেই।
সবচেয়ে বড় কথা এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক একটা বড় অঞ্চল যেহেতু কেবল হেঁটে পাড় হতে হয় সেখানে যেকোন স্বাভাবিক মানুষের জন্য এ শব্দ রোগগ্রস্ততার শামিল।
আগে যেখানে হাঁটার সময় গল্প করার সুযোগ মিলতো এখন দু'কান চেপে কোনমতে পুরো আয়োজনে টিকে থাকা যায়। আমাদের স্বাভাবিক হাসি ঠাট্টাগুলো এখন ভীষণ অসম্ভব হয়ে পড়েছে এই নারকীয় বাঁশির কাছে।
এটা নিঃসন্দেহে পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকরও বটে। কেবল শব্দ দূষণের কারণেই এই জজ্ঞাল বহু আগে নিষিদ্ধ হওয়া উচিত ছিলো।
সময় এসেছে এ বিষয়ে কণ্ঠ তোলার। এই বিজাতীয় অসঙ্গতিপূর্ণ বাঁশির সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই এবং এটা আমাদের সকল উৎসব আয়োজনের জন্য ক্ষতিকর।
এসব বিবেচনায় ভুভুজেলা নিষিদ্ধ করার পক্ষে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছে ইউএমবি।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





