বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে তার বিদেহী আত্মার শান্তি প্রতি কামনা রইলো। তিনি কাজ করেছিলেন একটি মর্যাদাশীল স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার। কেবল তার পক্ষেই সম্ভব ছিলো এত দ্রুত সময়ের মধ্যে (ভারতের ভাষায়) পাক-ভারত যুদ্ধকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ হিসেবে প্রমাণ করে দেয়ার। এবং সেটা করার অংশ হিসেবে তিনি ভারতের সেনাবাহিনীকে দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাহার করিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধুর ভুমিকাতেই বাংলাদেশের সাথে দ্রুততম সময়ে মুসলিম বিশ্বের সম্পর্ক পুন:প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছিলো।
নিজের মর্যাদা সমুন্নত রেখে পৃথিবীর সকল পরাশক্তিকে বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন তিনি।
তিনি আবেগী ছিলেন, তিনি দেশপ্রেমিক ছিলেন, তিনি বাঙালি ছিলেন তিনি বাংলাদেশী ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে সকল ক্ষুদ্রতার অবসান চাই। আরো উদার হোক রাজনীতি। আরো উদার হোক তারুণ্য। তার মতো বড় স্বপ্ন দেখুক আজকের কিশোর- তরুণ। একটি নিরাপদ বাংলাদেশে বেড়ে উঠুক সকল শিশু।
শুভ জন্মদিন বঙ্গবন্ধু।
-ইউএমবি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





