
ভালবাসার নন্দীপাতায় টুপটাপ ঝরে যাওয়া
ভালোবাসা তোর,
সমুদ্র হয়েছে কখন,
কাটেনি ঘোর!
তাই, বুঝিনি এই শ্রাবণমাসেই কেমন
সমুদ্র এল হায়!
কোথায় নিজেকে হারিয়ে খুঁজি
অবাক অসহায়!
আমিতো ছিলাম মাঝিমাল্লা হয়ে
বর্ষাতি বানের জল!
বন্দর বন্দর ঘুরে ঘুরে দেখি
ডুবন্ত পানকৌড়ির দল।
ঘোলা জলে ভাসা দুরন্ত
ঘুর্নির দোল খেয়ে খেয়ে,
সমুদ্রে অবগাহন করব
শতেক আঘাত বেয়ে বেয়ে!
কতবার ডুবেছি গহীন জলের তলে
মুক্তো দানা সেচে আনব বলে
অন্তরে প্রদীপ শিখা জ্বেলে!!
আমিত্বকে ছুড়ে ফেলে!
এরপরই হয়েছিল ইতিহাসকথন
নদীগর্ভের তলে,
পদ্মা মেঘনা যমুনার জলে!
ওরা বলে এভাবে কি মুক্তোদানা মেলে!
মেঘেদের বল,
কতটা পথের ঘুর্নি খেলে,
একবিন্দু জল তবে মেলে!
আমি নদীর গর্ভ কেমনে আজ
জানে ওই হিমালয় চূড়ার প্রতিটি ভাজ!
ঝরে আসি নদীর গর্ভ হব বলে,
হাজারটা মাইল পদে দলে দলে দলে!
তাই তোর ভালবাসার
সমুদ্রজল দেখে,
নন্দীপাতা হল লজ্জা রাঙা মুখে,
বলে ওঠে আজ,
ভালবাসি ভালবাসি
এই শাওন বিধুর মাস!
ঘনকাল মেঘে ঢাকা অপরুপ সাজ,
সমুদ্দুর নীলিমায় খুঁজি তোর সীমানার ভাজ!
ফেনিল সে জলে ভেসে ওঠে তাজ,
মুক্তোর হাসি সেচে সিন্ধুর লাজ,
শাজাহানের চোখের তারায়; অনন্ত মমতাজ!
নন্দীপাতায় আঁকা সবি জল-কারুকাজ!
ছবিঃ গুগল
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
রাত্রি ১২ টা ৩১ মিনিট
৩০ আগষ্ট, ২০১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

