somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশ সরকারের এক অনবদ্য পোষা কুত্তার নাম ''পুলিশ''। (১৮+ হোক আর ৮১+ ব্যান করুক বা নাই করুক মনে যা চায় তাই কমু।)

৩১ শে মে, ২০১২ রাত ৮:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আগেই বলে নিচ্ছি কোন সুশীল সমাজ যদি ঢুকে থাকেন তাহলে এখুনি রাস্তা মাপেন।
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ছোটবেলায় শবেবরাতের সময় তারাবাজি, ছুচাবাজি ফুটাতাম। এখনকার ছেলেপেলেরা চেনে কিনা জানি না। ছোটবেলায় সব সমবয়সই ছেলেরা মিলে একটা কুকুর জোগাড় করতাম, তারপর সেই কুকুরের লেজে একটা ছুচাবাজি বেধে ধরায় দিতাম, এরপর মজা দেখে কে! সেই কুত্তা ঘেউ ঘেউ করে সারা মাঠ দৌড়ায় বেড়াতো।
'সাংবাদিকরা পুলিশের থেকে দূরত্ব বজায় রেখে সংবাদ সংগ্রহ করবেন' বলেছে আমাদের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। শালা বাইন**! পুলিশরে কি তুই পয়দা করছিস? আর সাংবাদিকরে তোর সতীন পয়দা করছে? মনচায় তোর হোগায় একটা ছুচাবাজি বেঁধে গুলিস্তানের মোড়ে ছেড়ে দিই, তারপর তুই গুলিস্তান -যাত্রাবাড়ি দৌড়ের উপর থাক।
তোর যোগ্যতা নাই, তুই গদি ছাইড়া দে! তোর নেড়ী কুত্তাগুলানরে এই ভাবে রাস্তা ছাইড়া দিছস কেন? বাংলাদেশ এর জনগনরে রাস্তার টুকাই মনে হয়? মনে করিস এই জনগনের মা-বাপ নাই, দুই-একটা কুত্তায় কামড় দিলে কেউ কিছু কইবো না!
প্রথম আলোর সাংবাদিকরে পিডাইলি, বিডিনিউজের সাংবাদিকরে পিডাইলি, আদালত পাড়ায় এক মেয়ের ইজ্জত নিলি! তোদের ঘরের মা-বোনদের ইজ্জত কি নাই? নাকি তোদের মা-বোনের ইজ্জত পুলিশ নামের কুত্তা গুলো আগে থেকেই ভাগ করে খেয়ে ফেলায়ছে?

অনেক আগে একটা জোকস১৮+ শুনেছিলাম-
এক বাড়ীর সামনে একটা কুত্তা বসে আছে রাত দিন। অন্য কুত্তারা সেই কুত্তাকে অনেক খাওয়া দাওয়ার দাওয়াত দিল, সে কিছুতেই কোথাও গেল না। পরে জানা গেল, সামনের বাসার জরিনার মা জরিনাকে বকা দিয়ে বলছে- তুই যদি ঐ ছেলের লগে আর সম্পর্ক রাখিস, তাহলে তোরে একটা কুত্তার লগে বিয়া দিমু। এই কথা শোনার পর ঐ কুত্তা সেই বাড়ীর সামনে থেকে নড়ে না। সে সুযোগে আছে কখন তার ভাগ্য খোলে।

Our police better than before- Home Minster. পুলিশ নাকি আগের চেয়ে অনেক ভাল! খা*কি বিটি তোর কুত্তা গুলানরে কি ডেইলি প্যানটিন স্যাম্পু দিয়ে গোসল করাস? এই জন্য ভাল হয়ে গেছে? তোর পুলিশরে কি নাপা, প্যারাসিটামলের বদলে যৌন উত্তেজক বড়ি খাওয়াস? নাকি তোর পুলিশ ক্যাম্প গুলোতে একটা করে কলিকাতা হারবালের ব্রাঞ্চ খুলছিস? আমার তো মনে হয় তোর এলাকায় একটা কুত্তাও নেই, সব ভাগছে। তোর প্রতি আগ্রহ হারায় ফেলছে। এই জন্য আজও তোর বিয়াডা হইলো না! আফসুস!
যখন ভার্সিটিতে পড়তাম তখন এক বান্ধবী ছিল, মুক্তা। তাকে যদি কেউ জিগেস করতো তোমার বাবা কি করেন? সে খুব স্টাইল করে বলতো- 'আমার বাবা একজন সৎ পুলিশ অফিসার'। যখন তার বাসায় গেছি তার মা ও খুব গর্বের সাথে বলতো- 'আমার স্বামী একজন সৎ পুলিশ অফিসার'। কিন্তু তাদের বাড়ীর চেহারা দেখলে সৎ এর ইংরেজী অনেস্ট নাকি হনেস্ট তাই ভুলে যেতাম। সৎ পুলিশ অফিসার কথাটা শুনলেই পাছার তলা থেকে আমার জ্বলা শুরু করতো।
আমার কোন ব্যক্তিগত রাগ থেকে এই লেখা না। আমি বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামাত কাউকেই সমর্থন করিনা। কাউকে অকারণে আঘাত করলে, অকারণে রক্ত ঝরলে, কারো ইজ্জত কেড়ে নিলে, কাউকে অপমান করলে আমি সহ্য করতে পারিনা। কিন্তু প্রতিবাদ করবো সেই উপায়ও নাই, কারণ আমার হাত দু'টো যে দূর্বল! একজন প্রতিবাদ করলে আর একজন হাত গুটিয়ে নেয়।
আমি তো এই স্বাধীনতা চাইনি! আমার বাংলাদেশকে এই ভাবে দেখতে চাইনি। চেয়েছি শুধু দু'মুঠো খেয়ে পড়ে ভালভাবে বেঁচে থাকতে। তারপরও বলবো আমরা ভাল আছি তোদের চেয়ে অনেক বেশি। কারণ আমরা রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারি, কারেন্ট না থাকলেও হাত পাখা দিয়ে বাতাস করে ঘুমাতে পারি। কিন্তু তোরা এসি'র মধ্যেও শান্তিতে ঘুমাতে পারিস না, কারণ তোদের মাথা ভর্তি আকাম-কুকামের চিন্তা!
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০১২ দুপুর ২:৪৯
১৯টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্জুর চৌধুরর ছোট গল্প "একাউন্ট্যান্ট"

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৪০

একাউন্ট্যান্ট

মঞ্জুর চৌধুরী


রফিকুল ইসলামের জীবনে সবচেয়ে বিলাসী জিনিসটি ছিল একটি কাঠের আলমারি।

আলমারিটা নতুন নয়। মিরপুর এগারোর যে দুই কামরার বাসায় সে আর শায়লা থাকত, তাদের বিয়েরও আগে থেকে বাড়িওয়ালার স্টোররুমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট বিদ্যুৎও কি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১৪


শিরোনামটা একটু অদ্ভুত মনে হতে পারে। তবে কিছুদিন ধরে বিদ্যুতের দাম, ভর্তুকি আর লোডশেডিং নিয়ে যেভাবে আলোচনা হচ্ছে, তাতে প্রশ্নটা একেবারে অযৌক্তিক নয়। কারণ সরকার বদলেছে, কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×