আগামী মাসেই শুরু হচ্ছে কোপা আমেরিকা ফুটবল। আর তাই ব্রাজিলের জন্য ম্যাচটা ছিলো নিজেদের পরখ করে নেয়ার। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হিসেব অন্যরকম। ২০০২ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নেয়া ইংলিশদের ল্য ছিলো হিসেবটা চুকিয়ে দেয়া। কিন্তু সেরকম কিছু না হলেও গতকাল তাদের পারফরমেন্সের ঝলকে মলিন মনে হয়েছে প্রতিপকে। যদিও শুরুটা ছিলো নান্দনিক ফুটবলের ঝলক দিয়ে। ম্যাচ শুরুর ছয় মিনিটের মাথায় মধ্যমাঠ থেকে পাওয়া বল নিয়ে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার কাকা ডি-বক্সের ভেতর ঢুকেই পড়েছিলেন। ভাগ্যিস সেটা রুখে দিয়েছিলেন ইংলিশ দূর্গরী রবিনসন। এরপর প্রথমার্ধের বেশী সময়ই বলের সখ্যতা ছিলো ইংলিশ সীমানার সাথে। আর তাই ব্রাজিলিয়ানদের আক্রমণে বারবার কেঁপে উঠেছে ইংলিশদের প্রতিরার দেয়াল। যদিও সেই আক্রমণগুলো আলোর মুখ দেখেনি রবিনসনের দতায়। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোল ছাড়াই।
দ্বিতীয়ার্ধে যেন আরেক ইংল্যান্ডের আবির্ভাব হয়। তাদের মুহুমুহু আক্রমণের মুখে আস্তে আস্তে ব্রাজিল হারাতে শুরু করে তাদের ছন্দময় কৃতিত্ব। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ইংলিশরা মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে। খেলার পনের মিনিটের মাথায় ডি-বক্সের কাছ থেকে ডিগোর জোরালো শর্ট কর্ণারের বিনিময়ে রুখে দেন ব্রাজিলের গোলরক। ব্যাকহামের করা কর্ণার শর্ট জটলা সৃষ্টি করলে সেখান থেকে বল আবারও ব্যাকহামের কাছে পাঠিয়ে দেন ওয়েঙ্গার। বল পেয়ে দ্রুতগতিতে ব্রাজিলের বিপদসীমায় ঢুকে পড়েন ব্যাকহাম। কিন্তু সেই চেষ্টাকে আলোর মুখ দেখতে দেননি আন্দ্রিয়ানো। খেলার ২১ মিনিটে ফ্রি-কিক পায় ইংল্যান্ড। মধ্যমাঠ থেকে সাবেক অধিনায়ক ব্যাকহামের মাপা শর্ট থেকে হেডে গোল করেন বর্তমান অধিনায়ক জন টেরি। স্বাগতিকরা এগিয়ে যায় ১-০ তে। দ্বিতীয়ার্ধের ২৯ মিনিটের সময় নিজের প্রত্যাবর্তনকে বর্ণময় করে মাঠ ছাড়েন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক ডেভিড বেকহ্যাম। দ্বিতীয়ার্ধের ৩৬ মিনিটের মাথায় কাকার আলতো শর্ট রবিনহোকে পরাস্ত করলে খালি গোলপোস্টে বল পেয়ে পা লাগাতে পারেননি রোনালদিনহো। দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় জুড়ে ইংল্যান্ড মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিলেও খেলার শেষ মিনিটে আন্দ্রিয়ানোর বাড়িয়ে দেয়া বল নিয়ে ডি-বক্সের ভেতর ঢুকে পড়া রোনালদিনহোর কাছ থেকে পাওয়া বলে গোল করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের লজ্জা থেকে বাঁচান ডিয়েগো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






