"সমাজে বহুল প্রচলিত একটা কথা মাদ্রাসার পোলাপান দান সদকার টাকায় পড়াশোনা করে।"
কারণ একটাই কুরবানীর সময় গরুর চামড়া, রোজায় যাকতের বড় একটা অংশ, টুকটাক দান সদাকা যা মাদ্রাসায় আসে তা দিয়েই ছেলে গুলোর খাওয়ার ব্যবস্হা করা হয় বলেই। ওরা দানের টাকায় চলে.?
.
যাকাতের টাকা কুরবানীর চামড়া গরীবের অধিকার, দান নয়। আর সদাকার বিনিময় আল্লাহ আপনাকে প্রদান করছেন উত্তম কল্যান। আর মাদ্রাসায় সকলে দানের টাকায় খায়না বরং যার অর্থিক সামর্থ কম শুধুমাত্র তাদের খাবারের ব্যবস্হা করা হয়।
অন্যদিকে বুয়েট/ কুয়েট/ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়/ মেডিকেল সহ প্রায় সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীরা ভার্সিটির হল গুলোতে ৩০-৪০ টাকায় ভরপেট গরু মুরগির মাংস খাওয়ার সুযোগ পায়। অথচ একটা হোটেল রোস্তরায় একটুকরা মাছের মূল্য ৬০-৬৫ টাকা। বাংলাদেশের সবগুলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এর হল গুলো অনুদান পায় সরকার থেকে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্হা করার জন্য। যারা অনুদান পাওয়ার যোগ্যনা তারাও পায় এই সুযোগ।
.
তাই বলি কি, অহংকার করে মাদ্রাসার পোলাপান গরিব টাইপ কথা পরিহার করুন। নিজে সরকারি অনুদানে ভরপেট খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুঁর তুলে আরেকজনকে দুস্থ-অসহায় বলে হেয় করেন কোন যুক্তিতে?
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ৮:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


