somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোটগল্প: শান্ত মেয়ে

১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

খবরটা শুনে প্রচণ্ড ধাক্কা খেল মেয়েটা। এই ছেলে যে এরকমভাবে ওরই প্রেমে পড়বে কল্পনাও করেনি কোনদিন। হুমমম.... শান্ত বুকটায় অল্প ঝড় ওঠে মাঝে মাঝে।
গত এক সপ্তাহ বুকের ভেতরটা তোলপাড় চলেছে। অথচ আজ সকালে উঠে মনে হচ্ছে কিছুই না। নিজেই হেসে উঠল মেয়েটা। "ধুর! হাস্যকর..." গতদিনের নিজেকে হাস্যকর বলতে একটু দ্বিধা হল না মেয়েটার।
এই জিনিসের পুনরাবৃত্তি আরও অনেক বার হয়েছে মেয়েটার মাঝে। মেয়েটা একটু অস্বস্তিতে পড়ে গেল সে কি সত্যিই ভালবেসে ফেলেছে ছেলেটাকে? তাহলে আবার এত মন বদলানো কেন?
নিজেকে চিনে নিল মেয়েটা। তার মন এই সিদ্ধান্ত বদলানোর খেলা থামাবে না- বুঝল সে। সুতরাং কোন রেসপন্স তো নয়ই একেবারে শান্ত নিশ্চুপ থাকতে হবে ছেলেটার ব্যাপারে।

হঠাৎ করে পূর্ব পরিচিত একটি ছেলের সাথে দেখা হয়ে গেল মেয়েটির। প্রথম প্রথম এর প্রতি মেয়েটা কিছুটা দূর্বল ছিল। মনে পড়তেই মেয়েটির মন কল্পনার ডানা মেলল। কিছুদিন পর মেয়েটি নিজেই সেটাকে থামিয়ে দিল। কারণ এসবের কোন মানে হয় না। এরই মাঝে ওর তাছে এই ছেলেটার বিষয়টাও একবার সিরিয়াস একবার হাস্যকর মনে হয়েছে।
এবার নিজের সত্ত্বাটাকেই ওর খারাপ বলে মনে হল।
নাহ্ আমি ভাল মেয়ে হব।

-আরে একসাথে দুই মেহমান! আসো আসো, বসো।

তারপর মেয়েটি ছেলেদুটিকে পরিচিত করে দিল। নিজের মনের দুই যোদ্ধার এমন সহাবস্থান দেখে মেয়েটা খুব শান্ত হয়ে রইল। কই নাতো, অস্থির লাগছে না মেয়েটার। দুজনের প্রতিই নিজেকে স্বাভাবিক মনে হল ওর। আর চলল না মনের মাঝে ফুলে ওঠা সমুদ্র ঝড়।

নিজের এমন বৈশিষ্টের কারণে তো অন্যের সাথে প্রতারণা করা যায় না। সুতরাং কোনমতেই আর ওদের সাথে যোগাযোগ রাখল না মেয়েটি।

বছর দুয়েক পর মেয়েটি জানতে পেরেছিল যে সেই যে তার মনের দুজন যোদ্ধা ছিল, তারা দুজনেই নাকি ওকে অহংকারি বলে ভেবে নিয়েছে। সাথে আরও কিছু উপমা ছিল। নাহ্ , মনে করে খুব কষ্ট পেল মেয়েটি।

সেদিন ঘুম ভেঙে যাবার পর বারান্দায় গেল মেয়েটি। কি সুন্দর সকাল! অসাধারণ! হ্যাঁ মেয়েটি আবারও শান্ত হয়ে রইল। সকাল ওকে সাহায্য করল.......
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৩৬
২৫টি মন্তব্য ২৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×