somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দান, দাতা বনাম ধান্ধা

১৪ ই এপ্রিল, ২০২৩ বিকাল ৫:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কয়েকদিন আগে লিখেছিলাম, মধ্যবিত্ত ছাড়া আর কেউ টাকার অভাবে না খেয়ে মারা যায় না৷

নিচের বিশাল একঘেয়ে লেখা পড়তে না চাইলে সারাংশটা একবাক্যে বলি- কাউকে একবেলা খাওয়ানোতে কোন উপকার হয় না, উপকার হয় তাকে বরং খাবার রোজগারের একটা ব্যবস্থা করে দিলে৷

সবিস্তারে আসি৷ বড়লোকের টাকা আছে খাবারও আছে৷ গরীব বা নিঃস্বেরও টাকা আছে, খাবারও আছে৷ সামনে আরো আলোচনা আছে, তাই ব্যাখ্যা দিলাম না৷ একটি গরীব পরিবারের বুড়ো থেকে বাচ্চা সবাই ইনকাম করে৷ গরীব বলতে কোন গরীব বোঝাচ্ছি, আশা করি আর ভেঙে বলতে হবে না৷ তারা টাকার জন্য প্রয়োজনে হাত পাতে, ভিক্ষাও করে৷ কোন ফুটপাতে পড়ে থাকা কাউকে আপনি কখনও না খেয়ে মরতে দেখবেন না, এক পাগল ব্যতিরেকে৷ হাত পেতে চেয়ে চিন্তে ঠিকই সে তার ক্ষুন্নিবারণ করে ফেলে৷

তাহলে ফুটপাতের মানুষকে খাবার খাওয়ানোটা কি জনসেবা নয়?
আমাদের এক শামীম ভাই আছেন, উনি এ বিষয়ে ভালো বলেন, তিনি প্রায় সময়ই দুইটা উদাহরণ দেন- মানুষ মানুষকে তিনবেলা খাওয়াতে রাজি, কিন্তু ঘরে রাখতে রাজি না; আর বলতেন- মানুষ মানুষকে অনাহারে দেখলে তাকে খাওয়াতে রাজি, কিন্তু রুজির ব্যবস্থা করতে রাজি না৷
আমার মনে হয় এই উদাহরণটাই যথেষ্ট৷

এই দেশটা সিরিয়া প্যালেস্টাইন হয়নি এখনও৷ অভাব অবশ্যই আছে আমাদের, সমস্যা আছে, কিন্তু ভাতের অভাব/ বুভুক্ষা চলছে না এখনও৷ এ দেশে ভিক্ষার সর্বনিম্ন স্কেল এখন দশ টাকা! এর কম দিলে ভিক্ষুক নিতে চায় না৷ ভিক্ষুকের দৈনিক উপার্জন কত তা নিয়ে আর না বললাম এখানে৷ একজন রিকশাওয়ালার দৈনিক ইনকাম কত, তার মোট পারিবারিক উপার্জন কত আপনি হয়ত জানেন, হয়ত জানেন না৷ একজন রাজমিস্ত্রী, একজন দিনমজুরের দৈনিক উপার্জন কত আপনি হয়ত জানেন, হয়ত না৷

যাইহোক, ফুটপাতের কাউকে আপনি পাবেন না যে না খেয়ে ঘুমাচ্ছে৷ চুরি করে হোক, ভিক্ষা করে হোক খাবার তার ঠিকই যোগাড় হবে৷ এটা বেসিক নিড, সে এটার ব্যবস্থা করে ফেলবেই৷ শুধু এটাই না, খাবারের পরে সে একটা বিড়িরও ব্যবস্থা করবে৷ এবং তাকে আপনি গাঁজা টানতে, জুয়াও খেলতে দেখবেন যদি তার মুড ভালো থাকে৷ অতএব, একবেলা খাওয়ালেই যে আপনি তার বিরাট কাণ্ডারী হয়ে গেলেন, বিরাট উপকার করে ফেললেন এটা আমি মনে করছি না৷ যারা মনে করছেন, তাদের জন্য এই পোস্ট৷ এটুকু তো ক্লিয়ার যে, ওর খাবারের বন্দোবস্ত আপনি না করলে ও নিজেই করত৷ আপনি যখন খাবারের ব্যবস্থা করলেনই, তখন ওর মধ্যে দুইটা প্রতিক্রিয়া হবে৷ এক. ও যদি তিন বেলা আপনার কাছে খাবারের যোগান পেয়ে যায় তাহলে ও কাজ করা ছেড়ে দেবে; দুই. খাবারের বেঁচে যাওয়া টাকা দিয়ে হয় ও এবার নেশা করবে, নাহলে জুয়া খেলবে! অফকোর্স, ইউ নোও দ্য নেচার অব পিপল ফ্রম দ্যাট লেভেল!

তো এখন, কী ভায়া? দরদে নেগে গেল খুব? আমাঞ্জা খুব নিষ্ঠুর, খুব কৃপণ? খুব শ্রেণী বৈষম্য করে? গরীবদের মানুষ মনে করে না? কোনো মায়া মমতাজ নাই আমাঞ্জার?

ওরে ব্রো দয়াময়, আপনি ফুটপাতের ওই মানুষটাকে একবেলা খাওয়ালেন, তাতে তার কী এমন উপকার করলেন? আপনি না খাওয়ালে ও বসে থাকত? ঠিকই তো খেত৷ হতে পারে আপনি একবেলা বিরিয়ানি খাইয়েছেন- যা সে গত একমাসে খায়নি এই যা!
এতেই বিরাট উপকার হয়ে গেল?
না গো ব্রো৷ পরের বেলাতেই আপনার ওই উপকার ওর টয়লেটের সাথে নিষ্কাশিত হয়ে গেছে৷ ও তারপর আবার সেই ফুটপাতেই শুয়ে আছে! নাথিং চেইঞ্জড!

আমি বারবার ফুটপাতের মানুষের কথা বলছি কারণ এর উপরের যে লেভেল, তাদের ক্রয় ক্ষমতা এবং উপার্জন একজন নিম্নমধ্যবিত্তের চেয়ে বেশি, অনেকক্ষেত্রে মধ্যবিত্তের চেয়েও বেশি৷

আচ্ছা, আগের কথায় আসি৷ আপনি সত্যিই ওই লোকটার উপকার করতে চাইলে ওকে একটা রিকশা কিনে দিন, বা সব্জি বেচার একটা ভ্যান কিনে দিন, বা একটা ওজন মাপার যন্ত্র কিনে দিন যাতে ও বাকি জীবন উপার্জন করে খেতে পারে৷

তা ব্রো, সেটা করেন না কেন??
আপনি রোজ একশোজনকে খাওয়াবেন, আর সেটার ছবি তুলে প্রচার করে করে এভাবেই নোবেলের ফতে এগিয়ে যাবেন চিঁহি টগবগ করতে করতে- এই না?

অতএব, এটা ক্লিয়ার হল যে, একবেলা খাওয়ানোতে কোন উপকার নেই, ওটা একটা পাবলিক স্টান্ট৷

এবার আসি পরের ইন্টারেস্টিং অংশে৷ একসময় আমার মোটামুটি সামর্থ্য ছিল দান করার৷ এক রোজার মাসে ইফতার করতে বসে হিসাব করে দেখলাম দশ রোজা আসতে না আসতেই ইতোমধ্যে আঠারো হাজার একে ওকে দান করা শেষ৷ এটাই বিড়বিড় করে মায়ের সামনে বললাম৷ আমার মা সহজ সরল খুব, কোথায় কী বলতে হবে দিশ পান না, বরং আমাদেরই শিখিয়ে দিতে হয় যে এখানে এটা বল, ওখানে ওটা বল!

সেই সহজ সরল মা সেদিন আমাকে থামিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আঠারো হাজার টাকা তুই কাকে দিয়েছিস?
আমি বললাম, একজনকে না, কয়েকজনকে৷
মা জিজ্ঞেস করলেন, কী দেখে দিয়েছিস?
বললাম, দেখি নাই, সমস্যায় আছে শুনে দিয়েছি৷

তখন মা বললেন, আমাদের গ্রামে অমুক আছে চিনিস? বেচারা পরিবার নিয়ে খুব অসহায় আছে, জানিস তো?
আমি বললাম, হু, জানি৷
মা আবার বললেন, গ্রামের অমুককে চিনিস? পঙ্গু, উপার্জন করতে পারে না৷
বললাম, হু, চিনি৷
মা আবার বললেন, আমার যে অমুক খালা আছে, তোর সম্পর্কে নানী হয়, তার একটা ছেলে মেয়ে নাই, খুব কষ্টে আছে, জানিস তো?
বললাম, হু, জানি৷

ব্যস, এবার মা বললেন, তাহলে তোর টাকায় কার অধিকার আগে? তোর চোখের সামনে এত মানুষ অসহায়, তাদের রেখে তুই ফেইসবুকে যাদের দিচ্ছিস তাদের সমস্যা নিজ চোখে দেখছিস? দেখিস নাই৷ আচ্ছা, তারা যে অসহায়, তাদের সাহায্য করার মত তাদের এলাকায় কেউ নাই? সে এলাকার সবাই নিষ্ঠুর? কেউ দান করে না সেখানে? যে কারণে তোর এত দূর থেকে পাঠাতে হবে? ওদের কষ্ট তুই নিজে দেখিস নাই, কিন্তু আমি যাদের কথা বললাম, তাদের কষ্ট তুই নিজে দেখছিস, অথচ তুই তাদের হেল্প না করে কোন ফেইসবুকে দান করছিস কারণ কি, নিজের প্রচারণা??

আমার তখন মাথা ঘুরতে লাগল৷ আসলেই তো৷ আমি যাদের চিনি তাদের তো কোন উপকার করিনি, দান করছি এমন মানুষদের যাদের আমি চিনি না৷ সেসব মানুষ আমার কাছে যেমন ইনবক্সে চাইছে, আরো কয়েকজনের কাছেও তো নিশ্চয় চেয়েছে! যাহোক সবচেয়ে জরুরি যেটা উপলব্ধি করলাম তা হল, আপনি যদি দান করার জন্য অসহায় মানুষ খুঁজতে নামেন তাহলে গোটা পৃথিবীর সব সম্পদ নিয়ে দাঁড়ালেও দেখবেন কম পড়ছে৷ সাহায্যপ্রার্থীর সংখ্যা এতই বেশি হবে!

তো এই উদাহরণ থেকে আমরা কী শিখলাম? আমাঞ্জা অনেক দানশীল লোক, তাকে শান্তিতে নোবেল দেওয়া হোক?

না ব্রো৷ আমরা শিখলাম যে, দান করতে হলে নিজে দেখে নিজের হাতে দান করুন৷

আচ্ছা, ধরা যাক, আমি আমাঞ্জা খুব জনসেবা করি৷ রোজ মানুষকে খাওয়াই, সেসব ছবি ফেইসবুকে দিয়ে আপনাদের কাছে হাত পেতে বলি, আজ এতজনকে খাওয়াবো, বাজেট শর্ট আপনারা দান করেন৷ যেহেতু আমাঞ্জা রোজ খাওয়ায়, আপনি আমার দান করা দেখছেন ফেইসবুকে সেহেতু আপনি আমাকে চোখ বুজে টাকা দিলেন ওদের খাওয়ানোর জন্য৷

প্রথম প্রশ্ন, আপনি টাকা দিয়েছেন, আপনার মত আর কতজন দিয়েছে আপনি জানেন? আমি মোট কত পেয়েছি আপনি জানেন? আমি সেখান থেকে মানুষ খাওয়ানোতে কত খরচ করেছি আপনি জানেন? জানেন না৷ তাহলে সেখানে আমি কত টাকা ধান্ধা করেছি আপনি জানছেন না৷

কী বলেন, ধান্ধা করি নাই? ব্রো, আমি সারাদিন পড়ে আছি এই দান খয়রাত নিয়ে, তাহলে আমার নিজের উপার্জন কোথায়? নিজের উপার্জনের জন্য আমি কী করি? সারাদিন তো এই দানের পেছনেই সময় দিচ্ছি লাইভ করছি, তাহলে আমার চলছে কীভাবে? আমার নিজের খরচ কোত্থেকে আসে?

পরের প্রশ্ন, এই যে খাওয়ানো বা হেল্প, এখানে আমি নিজের পকেট থেকে কত দিচ্ছি? আদৌ কি দিচ্ছি? আমি তো আপনাদের কাছ থেকে টাকা তুলে মানুষকে খাইয়ে সেটার ছবি তুলে নিজেকে হাইলাইট করছি, প্রচারণাটা হচ্ছে কার? বিখ্যাত কে হচ্ছে? অথচ ইনভেস্টটা কার?
আপনাদের টাকায় আমি নিজেকে দানবীর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছি তাই না? অতএব, আমি কতই না মহৎ মানুষ! আপনি আমাকে টাকা পাঠাচ্ছেন, যাতে আমি স্টান্ট করতে পারি, অথচ আপনার ঘরের পাশে কয়জন না খেয়ে আছে আপনি জানেন না৷

আমি একজনকে চিনি, সে করোনার সময় হতে মোটামুটি নিজেকে ভাইরাল করেছে,মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলে অসহায় মানুষকে সহায়তা করার প্রচেষ্টা দিয়ে৷

কী ভায়া, মোনটা নরোম হয়ে গেল??

সেই ব্যক্তির সাহায্য চাওয়ার ধরন শুনবেন?
"অমুক মসজিদের একটা মাইক এখনও ম্যানেজ করতে পারলাম না৷"
"অমুক মাদ্রাসার জন্য একটা কোরআন শরীফের টাকা এখনও যোগাড় করতে পারলাম না!"
অমনি এসব পোস্টে হাজার হাজার লাইক! মন্তব্যে কম হলেও পনের জন বলবে, নম্বর দেন একসেট কোরআন শরীফের টাকা আমি পাঠাচ্ছি৷

তুমি একসেট কোরআন কিনে দিতে চাও, অথচ দিতে পারছ না এজন্য ফেইসবুকে টাকা তোলা লাগছে! ভায়া, একসেট কোরআন শরীফ কিনতে কয় টাকা লাগে? তোমার শরীর স্বাস্থ্য বলে তুমি না খেয়ে থাকো না, তুমি এক বেলা একটু কম খেলেও তো একসেট কোরআন শরীফের টাকা ম্যানেজ হয়ে যায়, তোমার এই টাকার জন্যও হাত পাতা লাগে?

ইয়েস, কাম টু দ্য পয়েন্ট৷ আমি আমাঞ্জা যদি দানবীর হই, এবং আমি যদি আপনাকে বলতে আসি যে মসজিদের সিমেন্ট কিনতে টাকা দরকার আমাকে সাহায্য করুন, তাহলে প্রথমে আমাকে দেখাতে হবে কোন মসজিদ, সেখানে আমি কত দিচ্ছি, আর কত শর্ট৷ অন্যকে দানের জন্য আপনার কাছে হাত পাততে হলে আমাকে আমার নিজের অবস্থান থেকে আগে সর্বোচ্চ দান করে আসতে হবে তারপর বলতে হবে যে ভাই, আমার সামর্থ্য হতে আমি এতটা পেরেছি, এখন বাকিটা আপনারা এগিয়ে আসেন৷ সেটা কি আদৌ কেউ করে? বেশিরভাগই এমন হয় যে নিজের পকেটেরটা পকেটেই থেকে যায়, মাছ ভাজা হয় মাছের তেলেই, বরং কখনও পকেটে আরো আসে৷

অনেক লম্বা চড়া করলাম আলাপ৷ আপনারা কতটুকু বুঝেছেন আমি শিওর না৷ তবে বিদ্যানন্দ নিয়ে যে এখনও কিছু বোঝেন নাই, তা আমি নিশ্চিত৷ আমি এতক্ষণ যে ভূগোল বোঝালাম, তার অর্থ হচ্ছে, দান করলে নিজের চোখে দেখে, নিজের হাতে দান করুন৷ পাঁচশো টাকা নিয়ে পথে নামুন, দেখবেন দান করার মত হাত পেতে থাকা মানুষের অভাব হবে না৷ নিজের হাতে নিজে কারো উপকার করে দেখুন, আত্মায় অন্য রকম শান্তি লাগবে৷ নিজেকে নিজের কাছেই একজন ভালো মানুষ হিসেবে মনে হতে থাকবে৷

আপনি আমি কেউ জানি না, বিদ্যানন্দের দৈনিক প্রাপ্ত ডোনেশন কত? বাৎসরিক আয় কত ব্যয় কত? ডোনেশনে প্রাপ্ত টাকা কোন কোন খাতে কত খরচ হয়েছে আমরা জানি না৷ কত টাকা উদ্বৃত্ত আছে আমরা জানি না, কতজনকে এপর্যন্ত স্বাবলম্বী করে দিয়েছে আমরা জানি না৷ কেন? টাকাটা কার? আপনার আমার!

সেই আগের পয়েন্টটা মনে আছে তো?
এক টাকায় আহার দিয়ে মানুষ খাওয়ানোতে কোন উপকার নেই, উপকার করতে হলে একেকজন অসহায়কে ধরে স্বাবলম্বী করে দেন! সেটা করবেন না৷ কারণ, সেটা করলে আর রোজ রোজ খাওয়ানোর নামে টাকা তোলার ব্যবসায়টা আর চলবে না৷

তো, কী মনে হয় ব্রো? আমার বিদ্যানন্দে এনার্জি? থুক্কু এলার্জি? আমি ইনিয়ে বিনিয়ে এখন আসসুন্নাহ-তে দান করতে বলব?

ওরে না! চোখ মেলে দেখেন, আমি আগেই বলেছি দানটা নিজে দেখে নিজের হাতে করুন৷ আপনার দান কোন খাতে কার হাতে যাবে সেটার কর্তৃত্ব আপনারই৷ শুধু মাথায় রাখবেন, সহায়তাটা যেন এক বেলার না হয়ে একটা স্থায়ী সমাধান হয়৷ একা না পারলে আপনার এলাকায় আরো যারা দান করতে ইচ্ছুক, তাদের সঙ্গে মিলে ব্যবস্থা করুন৷ তাও না পারলে একটু এক্সট্রা ইফোর্ট দিয়ে দুয়েকমাস আলাদা ফান্ড করে কাউকে একটা সেলাই মেশিন কিনে দিন৷ এভাবেও সম্ভব৷

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৩ বিকাল ৫:৩১
১০টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোরআন কী পোড়ানো যায়!

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ২০ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:৩৮

আমি বেশ কয়েকজন আরবীভাষী সহপাঠি পেয়েছি । তাদের মধ্যে দু'এক জন আবার নাস্তিক। একজনের সাথে কোরআন নিয়ে কথা হয়েছিল। সে আমাকে জানালো, কোরআনে অনেক ভুল আছে। তাকে বললাম, দেখাও কোথায় কোথায় ভুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেঞ্চুরী’তম

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২০ শে মে, ২০২৪ সকাল ১১:১৪


লাকী দার ৫০তম জন্মদিনের লাল গোপালের শুভেচ্ছা

দক্ষিণা জানালাটা খুলে গেছে আজ
৫০তম বছর উকি ঝুকি, যাকে বলে
হাফ সেঞ্চুরি-হাফ সেঞ্চুরি;
রোজ বট ছায়া তলে বসে থাকতাম
আর ভিন্ন বাতাসের গন্ধ
নাকের এক স্বাদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের প্রেসিডেন্ট কি ইসরায়েলি হামলার শিকার? নাকি এর পিছে অতৃপ্ত আত্মা?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ২০ শে মে, ২০২৪ সকাল ১১:৩৯


ইরানের প্রেসিডেন্ট হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত!?

বাঙালি মুমিনরা যেমন সারাদিন ইহুদিদের গালি দেয়, তাও আবার ইহুদির ফেসবুকে এসেই! ইসরায়েল আর।আমেরিকাকে হুমকি দেয়া ইরানের প্রেসিডেন্টও তেমন ৪৫+ বছরের পুরাতন আমেরিকান হেলিকপ্টারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভণ্ড মুসলমান

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২০ শে মে, ২০২৪ দুপুর ১:২৬

ওরে মুসলিম ধর্ম তোমার টুপি পাঞ্জাবী মাথার মুকুট,
মনের ভেতর শয়তানি এক নিজের স্বার্থে চলে খুটখাট।
সবই যখন খোদার হুকুম শয়তানি করে কে?
খোদার উপর চাপিয়ে দিতেই খোদা কি-বলছে?

মানুষ ঠকিয়ে খোদার হুকুম শয়তানি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও ছিলো না কেউ ....

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ২০ শে মে, ২০২৪ রাত ১০:১৯




কখনো কোথাও ছিলো না কেউ
না ছিলো উত্তরে, না দক্ষিনে
শুধু তুমি নক্ষত্র হয়ে ছিলে উর্দ্ধাকাশে।

আকাশে আর কোন নক্ষত্র ছিলো না
খাল-বিল-পুকুরে আকাশের ছবি ছিলো না
বাতাসে কারো গন্ধ ছিলোনা
ছিলোনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×