somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শুদ্ধ বানানে বাংলা লেখা

৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এখন ব্লগে সরাসরি বাংলায় লিখা যায় বিশেষ করে ফোনেটিক বাংলা। এখানে বর্ণমালা বিন্যাস ইংরেজির মত, যেটুকু জানার দরকার তা হল যুক্তাক্ষর কিভাবে লিখতে হ্য় ও আ কার, ই কার, উ কার ইত্যাদি কিভাবে দিতে হয়। অনেকের এই সামান্য নিয়মটুকু জানবার সময় ও ইচ্ছা কোনটাই নাই। তাই মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট দেখা যায় যেখানে টাইপিং ভুলের কারণে বেশিরভাগ শব্দ দুর্বোধ্য। টাইপিং বা অন্যান্য কারণে বানানে কিছু কিছু ভুল সবার থাকতে পারে। যেহেতু আমরা সবাই প্রফেশানল লেখক না। কিন্তু দুঃখের বিষয় অনেকে ইচ্ছা ও অবহেলা করে বহু ব্যবহৃত ও সহজ শব্দের বানানও ভুল করেন। কৌতুক, ঠাট্টা, আমোদ, তামাশা, পরিহাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভুল বানান বা আঞ্চলিক ভাষা হয়তো চলে কিন্তু সিরিয়াস লেখার ক্ষেত্রে আমাদের শুদ্ধ ও নির্ভুল বাংলা লেখার চেষ্টা করা উচিত।
'বাংলা লেখার নিয়মকানুন' গ্রন্থে হায়াৎ মামুদ বানান ভুলের জন্য নিম্নোক্ত কারণগুলোকে দায়ী করেছেন:
১। ঐ বিশেষ শব্দের বানানটি কখনোই মন দিয়ে শেখা হয়নি।
২। বানানের দিকে একেবারে মনোযোগ না দেওয়া। লোকে বুঝলেই হলো - এ ধরনের মনোভাব।
৩। বানান সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দিলেও অভিধান খোলার কষ্ট স্বীকার না করা।
৪। মুখে যেমন বলি, ঠিক তেমনি ঊচ্চারণের বানান লেখা।
৫। কোনো শব্দ ভুল উচ্চারণের অভ্যাস থাকলে লিখতে গিয়ে অশুদ্ধ উচ্চারণের প্রভাবে ভুল বানান লেখা।
উল্লেখ্য, কাউকে হেয় করা বা ভাষা নিয়ে বিতর্কের উদ্দেশ্যে নয়, বানান ভুলের কারণগুলো জানতে পারলে হয়তো অনেকেই উপকৃত হবে - এই উদ্দেশ্যে পোস্টটি লেখা।এখন ব্লগে সরাসরি বাংলায় লিখা যায় বিশেষ করে ফোনেটিক বাংলা। এখানে বর্ণমালা বিন্যাস ইংরেজির মত, যেটুকু জানার দরকার তা হল যুক্তাক্ষর কিভাবে লিখতে হ্য় ও আ কার, ই কার, উ কার ইত্যাদি কিভাবে দিতে হয়। অনেকের এই সামান্য নিয়মটুকু জানবার সময় ও ইচ্ছা কোনটাই নাই। তাই মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট দেখা যায় যেখানে টাইপিং ভুলের কারণে বেশিরভাগ শব্দ দুর্বোধ্য। টাইপিং বা অন্যান্য কারণে বানানে কিছু কিছু ভুল সবার থাকতে পারে। যেহেতু আমরা সবাই প্রফেশানল লেখক না। কিন্তু দুঃখের বিষয় অনেকে ইচ্ছা ও অবহেলা করে বহু ব্যবহৃত ও সহজ শব্দের বানানও ভুল করেন। কৌতুক, ঠাট্টা, আমোদ, তামাশা, পরিহাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভুল বানান বা আঞ্চলিক ভাষা হয়তো চলে কিন্তু সিরিয়াস লেখার ক্ষেত্রে আমাদের শুদ্ধ ও নির্ভুল বাংলা লেখার চেষ্টা করা উচিত।
'বাংলা লেখার নিয়মকানুন' গ্রন্থে হায়াৎ মামুদ বানান ভুলের জন্য নিম্নোক্ত কারণগুলোকে দায়ী করেছেন:
১। ঐ বিশেষ শব্দের বানানটি কখনোই মন দিয়ে শেখা হয়নি।
২। বানানের দিকে একেবারে মনোযোগ না দেওয়া। লোকে বুঝলেই হলো - এ ধরনের মনোভাব।
৩। বানান সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দিলেও অভিধান খোলার কষ্ট স্বীকার না করা।
৪। মুখে যেমন বলি, ঠিক তেমনি ঊচ্চারণের বানান লেখা।
৫। কোনো শব্দ ভুল উচ্চারণের অভ্যাস থাকলে লিখতে গিয়ে অশুদ্ধ উচ্চারণের প্রভাবে ভুল বানান লেখা।
উল্লেখ্য, কাউকে হেয় করা বা ভাষা নিয়ে বিতর্কের উদ্দেশ্যে নয়, বানান ভুলের কারণগুলো জানতে পারলে হয়তো অনেকেই উপকৃত হবে - এই উদ্দেশ্যে পোস্টটি লেখা।
Top
Top


এখন ব্লগে সরাসরি বাংলায় লিখা যায় বিশেষ করে ফোনেটিক বাংলা। এখানে বর্ণমালা বিন্যাস ইংরেজির মত, যেটুকু জানার দরকার তা হল যুক্তাক্ষর কিভাবে লিখতে হ্য় ও আ কার, ই কার, উ কার ইত্যাদি কিভাবে দিতে হয়। অনেকের এই সামান্য নিয়মটুকু জানবার সময় ও ইচ্ছা কোনটাই নাই। তাই মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট দেখা যায় যেখানে টাইপিং ভুলের কারণে বেশিরভাগ শব্দ দুর্বোধ্য। টাইপিং বা অন্যান্য কারণে বানানে কিছু কিছু ভুল সবার থাকতে পারে। যেহেতু আমরা সবাই প্রফেশানল লেখক না। কিন্তু দুঃখের বিষয় অনেকে ইচ্ছা ও অবহেলা করে বহু ব্যবহৃত ও সহজ শব্দের বানানও ভুল করেন। কৌতুক, ঠাট্টা, আমোদ, তামাশা, পরিহাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভুল বানান বা আঞ্চলিক ভাষা হয়তো চলে কিন্তু সিরিয়াস লেখার ক্ষেত্রে আমাদের শুদ্ধ ও নির্ভুল বাংলা লেখার চেষ্টা করা উচিত।
'বাংলা লেখার নিয়মকানুন' গ্রন্থে হায়াৎ মামুদ বানান ভুলের জন্য নিম্নোক্ত কারণগুলোকে দায়ী করেছেন:
১। ঐ বিশেষ শব্দের বানানটি কখনোই মন দিয়ে শেখা হয়নি।
২। বানানের দিকে একেবারে মনোযোগ না দেওয়া। লোকে বুঝলেই হলো - এ ধরনের মনোভাব।
৩। বানান সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দিলেও অভিধান খোলার কষ্ট স্বীকার না করা।
৪। মুখে যেমন বলি, ঠিক তেমনি ঊচ্চারণের বানান লেখা।
৫। কোনো শব্দ ভুল উচ্চারণের অভ্যাস থাকলে লিখতে গিয়ে অশুদ্ধ উচ্চারণের প্রভাবে ভুল বানান লেখা।
উল্লেখ্য, কাউকে হেয় করা বা ভাষা নিয়ে বিতর্কের উদ্দেশ্যে নয়, বানান ভুলের কারণগুলো জানতে পারলে হয়তো অনেকেই উপকৃত হবে - এই উদ্দেশ্যে পোস্টটি লেখা।এখন ব্লগে সরাসরি বাংলায় লিখা যায় বিশেষ করে ফোনেটিক বাংলা। এখানে বর্ণমালা বিন্যাস ইংরেজির মত, যেটুকু জানার দরকার তা হল যুক্তাক্ষর কিভাবে লিখতে হ্য় ও আ কার, ই কার, উ কার ইত্যাদি কিভাবে দিতে হয়। অনেকের এই সামান্য নিয়মটুকু জানবার সময় ও ইচ্ছা কোনটাই নাই। তাই মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট দেখা যায় যেখানে টাইপিং ভুলের কারণে বেশিরভাগ শব্দ দুর্বোধ্য। টাইপিং বা অন্যান্য কারণে বানানে কিছু কিছু ভুল সবার থাকতে পারে। যেহেতু আমরা সবাই প্রফেশানল লেখক না। কিন্তু দুঃখের বিষয় অনেকে ইচ্ছা ও অবহেলা করে বহু ব্যবহৃত ও সহজ শব্দের বানানও ভুল করেন। কৌতুক, ঠাট্টা, আমোদ, তামাশা, পরিহাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভুল বানান বা আঞ্চলিক ভাষা হয়তো চলে কিন্তু সিরিয়াস লেখার ক্ষেত্রে আমাদের শুদ্ধ ও নির্ভুল বাংলা লেখার চেষ্টা করা উচিত।
'বাংলা লেখার নিয়মকানুন' গ্রন্থে হায়াৎ মামুদ বানান ভুলের জন্য নিম্নোক্ত কারণগুলোকে দায়ী করেছেন:
১। ঐ বিশেষ শব্দের বানানটি কখনোই মন দিয়ে শেখা হয়নি।
২। বানানের দিকে একেবারে মনোযোগ না দেওয়া। লোকে বুঝলেই হলো - এ ধরনের মনোভাব।
৩। বানান সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দিলেও অভিধান খোলার কষ্ট স্বীকার না করা।
৪। মুখে যেমন বলি, ঠিক তেমনি ঊচ্চারণের বানান লেখা।
৫। কোনো শব্দ ভুল উচ্চারণের অভ্যাস থাকলে লিখতে গিয়ে অশুদ্ধ উচ্চারণের প্রভাবে ভুল বানান লেখা।
উল্লেখ্য, কাউকে হেয় করা বা ভাষা নিয়ে বিতর্কের উদ্দেশ্যে নয়, বানান ভুলের কারণগুলো জানতে পারলে হয়তো অনেকেই উপকৃত হবে - এই উদ্দেশ্যে পোস্টটি লেখা।


সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৮
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৮ বছর পর ঋণের খোঁজে সন্তান বনাম হাজার কোটি টাকার খেলাপি: আমাদের ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের ট্র্যাজেডি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

সংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×