somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এক দিন (40 মিনিট) + দুই গাল = 7 টি চড়............

১৮ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনুগ্রহ করে ভাববেন না যে সাকিব ভাইয়ের কাহিনী কপি করছি। ব্যাপারটি সম্পুর্ন কাকতলীয় ভাবে সাকিব ভাইয়ের কাহিনীর সাথে মিলে গেছে। আসলে সাকিব ভাইয়ের কাহিনী পড়ে আমার ঘটনাটা মনে পড়ল। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

আমি যখন সপ্তম শ্রেনীতে পড়ি। সর্বপ্রথম বিশিষ্ট ঐ স্যারের ক্লাস পেলাম। উনি আমাদের বাংলা পড়াতেন। নাম উল্লেখ্য করতে চাচ্ছি না। যাকে আমরা যমের মত ভয় পেতাম। কারণ, তার ক্লাসে বই না নিয়ে আসলে এবং পড়া বলতে না পাড়লে উনি প্রত্যেক কে কানে ধরে একটি করে চড় মারতেন।

একদিন ভুল বশতঃ উনার বিষয়ের বইটি নিতে ভুলে গিয়েছিলাম। এবং অন্যকোন শাখা হতে বইটি ম্যানেজ করতে পারিনি। সবকিছু ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছিলাম। যথরীতি ক্লাসে এসে স্যার জানতে চাইলেন কারা বই আনে নি। সেদিন এর একমাত্র ভিকটিম ছিলাম আমি। আমি একা হওয়ায় কিছুটা ভয় পেলাম। স্যার আমাকে ডাকলেন। তারপর দুই গালে 3 টি টাস! টাস! ঠাস! চড়! মারলেন। মাথাটা বন-বন করে ঘুরে উঠলো। বুঝতে পারলাম কিছু একটা হচ্ছে বা হবে। ঘুরে পড়ে যেতে গিয়ে নিজেকে সামলে নিলাম। স্যার আমাকে আমার স্থানে কান ধরিয়ে দাড় করিয়ে রাখলেন । কিন্তু এখানেই শেষ নয়।

ক্লাসের মাঝ পযার্য়ে স্যার বললেন, ব্যাগ নিয়ে আসতে। ব্যাগ নিয়ে স্যারের কাছে গেলাম। তিনি ব্যাগ চেক করে মাত্র দুটি বিষয়ের বই পেলেন। উনার বিষয় বাদে আরো চারটি বিষয়ের বই ছিলো না। তখন উনি ঐ চারজন শিক্ষকের Reperestative হিসাবে আমাকে আরো 4 টি চড় মারলেন।

তারপর কি আর কিছু বলার আছে? শুধু হজম করেছি। বড়ই বেদনা-ময় স্মৃতি........................

(আম্মাআআ)(আম্মাআআ)(আম্মাআআ)(আম্মাআআ)(আম্মাআআ)(আম্মাআআ)(আম্মাআআ)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নির্ভীক অভিযাত্রা

লিখেছেন আকিব হাসান জাভেদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩

আমি চলি ঐ প্রান্তে,
যেখানে অসৎ থেকে মানুষ হয়েছে সৎ।
আমি চলি উড়ে উড়ে,
ডানাহীন পাখির মতো,
যেখানে দুর্বলতাকে জয় করে
হয়েছে দুঃসাহস।
আমি চলি শক্তির সাথে,
দেহ যায় না ঝুঁকে।
করি না প্রণাম,
করি না চাটুকারিতা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ - একদম চুপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তবুও বেঁচে আছি

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:১৫

এই নিথর নগ্ন শরীরের প্রতিটা পল্লবের করুণ আর্তচিৎকার
পৃথিবীর মাটি ভেদ করে কোনদিনও
ওই মৃত কানে পৌঁছাবে না
আমি জেনে গেছি ।

বিপন্ন আকাশের গায়ে লেপ্টে থাকা
দেবতাদের প্রতারণার ফাঁদ আর মিথ্যা প্রলোভনের গল্পগুলি
আমার শুনতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৩



জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

১৫ আগস্ট আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলাম জুলাই মিউজিয়ামে। সেখানে গিয়ে মনে হলো- এটি শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এক ভয়াবহ অধ্যায়ের বিরুদ্ধে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×