এই আমাদের শিক্ষিত বিবেক!লিংকের ছবি গুলো খেয়াল করুন। একজন মা আর তার মেয়ে কি নিষ্পাপ অনাবিল অবসর কাটানোর দৃশ্য।মেয়েটির নাম আনুশাহ। মা তার নামটি অনেক যত্ন করে রেখে ছিল। আনুশাহ মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর্ন্তজাতিক সর্ম্পক বিভাগ থেকে মার্ষ্টাস করে একই বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দান করে। আনুশাহ নিশ্চয় বড় হয়ে মাকে নিয়ে অনেক গর্ব বোধ করত! আনুশাহর বাবাও কিন্তু কম যায় না। বুয়েট থেকে পাশ করে আইটি ব্যবসায় নেমে পড়ে। সামরিক কর্মকর্তার মেয়ে আনুশাহর মা, তাই পড়ালেখার প্রতি ঝোক ছিল হয়তো বেশী। এই জন্য সে ২০১০এর শেষে ব্রিটিশ স্কলারশিপ নিয়ে যায় পিএইচডি করতে। আর বাবা থেকে যায় বাংলাদেশে। কিন্তু আনুশাহ কী জানত তার মার এই অবস্থা হবে। এই তো গত কালের পত্রিকায় দেখলাম আনুশাহ বাবা তার মাকে মেরেছে।এ আর কী খবর। বাবা মাকে মারতেই পারে। না হলে কী আমরা বাংলাদেশী। ঘরের বউকে না মারলে কী বাংলাদেশী পুরুষের মান থাকে।সে বুয়েট থেকে পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার হোক আর মিরপুর রোডের রিকশাহ চালক হোক। খবরে জানা, মার দুচোখ নষ্ট হয়ে গেছে। আনুশাহ কী আর মাকে নিয়ে আকাশে উড়ে যাওয়া বেলুন দেখতে পারবে। আনুশাহর মা গত জন্মদিনে আনুশাহকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য রয়েল বেংগল টাইগারের এক জোকার ঘরে এনেছিল। আরকী আনুশাহ পারবে এমন জন্মদিন পালন করতে । আনুশাহর মার কিছু ছাত্র ছিল যারা সব সময় আইআর ডিপার্টমেন্ট এ ব্যাকবেঞ্চকে নিজেদের সম্পত্তি করে রেখেছিল। আজও কী তারা আনুশাহর মায়ের বকা খাওয়ার চিন্তা করবে।আনুশাহর মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআর বিভাগে ৬১ তম ব্যাচে সোসিওলোজির কোর্স নিত। আনুশাহ কী জানে তার মা পিতৃতান্ত্রিক সমাজের অত্যাচারে নির্যাতিত।
থাক আমার আপনার সময় নষ্ট করে লাভ কী। যা গেছে তা তো আনুশাহ ও তার মায়ের গেছে। আমার আপনার তো কিছু যায় নাই। আজকের এই খবর কালকে ভুলে যাব আবার পরশু নিজের মাকে মার খেতে দেখব না হয় বউকে মারব। কষ্ট কিসের। ঘর হচ্ছে বীরত্ব দেখানোর জায়গা। আনুশাহ বাবার মত মানুষ হয় নাকি? পুরুষের সকল বৈশিষ্ট্য তার মধ্যে আছে। বউকে মেরেছে, কামড় দিয়েছে, চোখ উপরিয়ে ফেলেছে আবার বাসায় আটকে রেখে গেছে। এত নির্যাতনের একটাই কারন ছিল।আনুশাহ কী তা জানে? ছোট আনুশাহ এখন না জানলেও একদিন আমরা যেমন জানি তেমন জানবে “মা আর তিন মাস সময় পেলে পিএইচডি শেষ করে নামের আগে ডক্টর যুক্ত করত, আর বাবা বন্ধুদের কাছে ঘরজামাই পরিচয়ে লজ্জা পেত.......তা বাবা মাকে মেরেছে। চোখ দিয়ে যাতে আর ভয়ঙ্কর বাবাকে না দেখতে পারে তাই চোখদুটোও নষ্ট করে দিয়েছে”!
(আনুশাহ’র মা রুমানা মঞ্জুর গত ১২.০৬.২০১১ তারিখে স্বামী নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতা ভর্তি হন ।
Click This Link )
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


