অনেক দিন আগের কথা, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিকে প্রায়ই কৌতুক বলার আসর বসতো ক্যাম্পাসে। তবে শর্ত ছিল অবশ্যই আদি রসাত্নক হতে হবে। এক দিন নোয়াখাইল্লা আবেদ কৌতুক বলবে। কৌতুকের টাইটেল মাড়ি দে মাড়ি দে। আমরা প্রথমে বুঝতে পারি নাই মাড়ি দে এর মানে। যাইহোক আবেদ শুরু করলো -
শহরের সব ছাইয়া নামকরা নর্তকীর ড্যান্সের অনুষ্ঠা ন হইতেসে । তার ড্যান্সের আসল আকষর্ণ হইতেসে ড্যান্স কইরতে কইরতে হে গায়ের ব্যাক কাপড় খুলি ফালায়। একদিন যেই কাপড় খুইলবো অমনি দর্শকগো থন একজন ছিল্লাই উঠলো মাড়ি দে মাড়ি দে। নর্তকী তো রাগে নাইছ বন্ধ করি দিলো। পঁছা ডিম না কি মাড়ি দেয়। আয়োজকরা অনেক কষ্টে বুজাইয়া হেতিরে নাইছতে পাঠাইলো। কিন্তু যেই কাপড় খুইলবো আবার মাড়ি দে মাড়ি দে কইয়া ছিল্লান দি উডে। শেষমেষ আয়োজকরা ঠিক করলো আবার যেই ছিল্লান দিবো সাথে সাথে দর্শকগো উফরের লাইট জ্বালায় দিয়া দেখবো কে ছিল্লায়। যাইহেক এইবার কাপড় খুলনের লগে লগে যেই ছিল্লান দিসে আর সাথে সাথে লাইট জ্বলি উঠলো। দেখা গেলো নাইছ দেখি উত্তেজিত হইয়া দর্শক বেকগুলান হাত মাইরতেসে, খালি এক জন মাড়ি দে মাড়ি দে কই ছিল্লাইতেসে কারণ অর দুই হাতই নাই।
এতক্ষণে বুঝা গেল মাড়ি দে এর মর্তবা। সবাই একমত হয়ে এই কৌতুককে সেদিনের সুপারহিট এর মর্যাদা দিলাম। আমি বললাম আবেদ ঢাকাইয়া হলে কৌতুকের টাইটেল হতো মাইরা দে মাইরা দে আর ঘটি হলে মেরে দে মেরে দে। শাহ্জাদা যোগ করলো বরিশাইল্লা হলে মারিয়া দে মারিয়া দে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






