মাতৃভাষার জন্য সংগ্রামের ইতিহাস বিশ্বের কোন দেশে নেই।
সর্বস্তরে বাংলাভাষার বাস্তবায়িত করার প্রচেষ্টা স্বাধীনতার পর থেকেই চলছে। এখন পর্যন্ত সব প্রস্তাব ও প্রচেষ্টা কাগজে কলমেই রয়ে গেছে।
বাংলা ভাষার প্রশ্নে যখনই আলোচনা হয়েছে তখন একটি বিষয়েই আলোকপাত করা হয়েছে - আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে ইংরেজি আমাদের অবশ্যই প্রয়োজন কিন্তু একই সাথে বাংলা ভাষার প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে।
বাস্তবতায় ইংরেজি শিক্ষার কি অগ্রগতি হয়েছে জানিনা তবে বাংলাদেশে বিশেষত শহরে সম্ভবত ৭০% এর বেশী পরিবার পাবেন যার সদস্যরা মোটামুটি ভাল হিন্দি জানে, বোঝে এবং বলতে পারে।
প্রায় সকল রেডিও জকি এমনভাবে বাংলা বলে মনে হয় যে ইংরেজি দিয়ে ভাত খেয়ে এসেছে এখন ঢেকুর তুলছে। মনে হয় যেন তারা বাংলা বলতে চান না কিন্তু দু'একজনের সাথে কথা বলে আমার ধারণা হয়েছে তারা ভালভাবে ইংরেজিও বলতে পারে না। টিভিতেও এরকম চিড়িয়া দেখা যাচ্ছে।

বাংলা নাটক এক সময় সাহিত্য মূল্য বিচারে খুব সমৃদ্ধশালী ছিল। কিন্তু নাটকে ভাষার যে সাম্প্রতিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তা শুদ্ধ বা আঞ্চলিক কোন ক্যাটাগরিতেই পড়ে না। আঞ্চলিক ভাষার প্রয়োগ হতেই পারে কিন্তু আদ্যোপান্ত উদ্ভট বিকৃত বাংলা ভাষার প্রয়োগ আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয় না যার নেতিবাচক প্রভাব সাহিত্যে পড়বে।
জনপ্রিয় ফারুকী সাহেবের প্রচলিত এ ধারাটি নিয়ে বাংলা ভাষার শিক্ষক, গবেষকরা লিখেছেন এবং প্রখ্যাত নাট্য-ব্যক্তিত্বরাও তাতে সম্মতি জ্ঞাপনও করেছেন।
বাংলা ভাষার জন্য এদেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে কিন্তু এই প্রীতি শুধু ফেব্রুয়ারি এলেই জেগে উঠে।
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান।
আপনাদের অনুরোধ জানাই আসুন অন্তত এ মাসে শুধু বাংলা ভাষা ব্যবহার করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


