ঘটনা ১
কক্সবাজার যাবো বাস রাত ১১ টায় আরামবাগের মোড় থেকে। রাত সাড়ে নয়টায় বাস স্ট্যান্ডে পৌছালাম, বাস স্ট্যান্ডে বসে থাকার কোন মানেই হয় না এত সময়। তাই আমি এবং বাকি ২ জন বন্ধু মিলে গেলাম কমলাপুর স্ট্যাশনে। ১০ টার দিকে ঢাকা টু নারায়ণগঞ্জ এর একটা ট্রেন ছাড়ে,, অনেকে টিকিট না করেই যান ট্রেনে। টিটি এবং কয়েকজন আনসার আর পুলিশ সদস্য টিকিটছাড়া লোকজনদের আটকাচ্ছিলেন, যার কাছ থেকে যা টাকা পাচ্ছিলেন নিচ্ছিলেন। আমার এক বন্ধু বলল দোস্ত মজা দেখবি??
আমি বললাম হুম দেখা। সে তার ক্যামেরা বের করে কয়েকটা ক্লিক করল। যদিও সে টিটি কিংবা আনসারদের কোন ছবি তুলেননি। সাথে সাথে কয়েকজন আনসার এসে বলল ভাই কি করেন?? কার ছবি তুলেন?? এইখানে ছবি তুলতে অনুমতি লাগে। আমাদের কথা শুনে আনসার কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল। টাকা নেওয়া বন্ধ করে দিল। আমরা তাদের ছবি তুলিনি বলে অবশেষে বিদায় নিলাম।
ঘটনা ২
বন্ধু রিকশায় যাচ্ছিল। ট্রাফিক সার্জেন্ট মেইন রাস্তায় রিকশা যেতে দিচ্ছিল না কিন্তু যারা টাকা দিচ্ছিল তাদের যেতে দিচ্ছিল। বন্ধুর মেইনরোড় দিয়ে যাওয়ার দরকার ছিল না। সে রিকশাথেকে নেমে পড়বে এই সময় সার্জেন্ট এসে বলে যান ভাইয়া , আপনার মেইন রোড দিয়ে গেলেও সমস্যা নাই...
কাহিনী কি!! সবাইকে বাধা দিল তাকে দিল না?? একটু পরেই বন্ধুটি তার গলায় ঝুলানো ক্যামারাটির দ্বারাই যে অসম্ভব সাধন হয়েছে তা বুঝতে পারল।
ঘটনা ৩
আজ চায়ের দোকানে বসে তা খাচ্ছি... হঠাৎ মনে হইল একটা সেলফি তুলি,,, দোকানে বসে এক বিজিবি সদস্য চা আর বিড়ি খাচ্ছিলেন তা খেয়াল করিনি।
সেলফি তোলার পর সে বলল আরে ভাই কি করেন?? কার ছবি তুলেন??
কার ছবি তুলব আমার ছবি তুলি। দেখি দেখি। অবশেষে তাকে ছবি দেখালাম। ছবি দেখে সে যেন হাফ ছেড়ে বাচল
তবে বুঝলাম না তার ছবি তুললেও সমস্যাটা কি ছিল!!!
এইটা যদি ক্যামেরাতঙ্ক হয়,, আর ক্যামেরাতঙ্কের কারণে যদি কয়েকটা খারাপ কাজ থামে তো এই আতঙ্ক ভাল..
আমারো একখান বড় লেন্সওয়ালা ক্যামেরা কিনতে মন চায়
পূর্বে ফেসবুকে প্রকাশিত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



