somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোট গল্প- ময়না পাখি

২৩ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একই বাড়িতে মোট তিনটা ঘর। একটি সুভাসের, একটি গনেশের আরেকটি গোপালের। ওরা তিনজন আপন ভাই। সুভাস আর গনেশ এরই মধ্যে ইন্ডিয়া চলে গেছে। সেখানে তারা স্থায়ী বাসিন্দা হয়েছে। গোপালও ইন্ডিয়া চলে যাবে। সেও সেখানের স্থায়ী বাসিন্দা হবে।
গোপাল তার স্ত্রী রানীকে নিয়ে ইতিমধ্যে সব পরিকল্পনা শেষ করেছে। ভারতের বর্ডার পর্যন্ত পৌছাতে পারলে আর কোন ভয় থাকবে না। তখন তারা নিশ্চিন্তে তাদের গন্তব্যে পৌছে যেতে পারবে।
সাথে বেশি কিছু নেয়া যাবেনা। কিছু কাপড়চোপড় আর টাকা পয়সা সাথে নিতে হবে। বেশি কিছু নিয়ে গেলে পথে কোন বিপদ হয়ে বসতে পারে। বাড়িতে যা কিছু আছে তার সব কিছুর মায়া ত্যাগ করতে হবে। গোপালের ভাইরাও তাই করেছে। কিছু কাপড়চোপড় আর টাকা পয়সা ছাড়া আর সব কিছুই ফেলে গেছে তারা। এমনকি গনেশদার দামী সিন্ধুকটা যার মধ্যে অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল সেটাও ফেলে গেছে।
গোপালেরও তাই করতে হবে। দামী অনেক কিছু ফেলে যেতে হবে। নতুন কাঠের ঘর, সুন্দরী কাঠের একটি আলমারী, নতুন চকচকে পালংখাট ইত্যাদি। এমন কি তাদের পোষা ময়না পাখিটাও।
কিন্তু রানী বলল, ওকে ফেলে যাওয়া কি ঠিক হবে?
-কি করবে তাহলে?
-আমাদের সাথে ভারতে নিয়ে যাব।
-বাড়তি ঝামেলা হয়ে যায় না?
-তাই বলে ওকে আমরাও ফেলেও যেতে পারিনা। ও এত দিন আমাদের সাথে ছিল, এতদিন ধরে ওকে পুষেছি, এখন কিভাবে ওকে এখানে ফেলে যাব? ওর যদি কোন বিপদ হয়?
-আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি যা বলবে তাই হবে।

গোপাল বাধ্য হয়ে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করল। পাখিটাকে তারা সাথে নিয়ে যাবে। শুধু মাত্র রানীর কথা রাখার জন্যই তার সিদ্ধান্তের এই পরিবর্তন। গোপাল জানে পাখিটার প্রতি রানির অনেক মায়া জন্মে গেছে। অনেক দিন ধরে পাখিটাকে পুষেছে সে। তাই মায়া হওয়াটাই স্বাভাবিক।
পাখিটাকে এখানে ফেলে গেলে ওর বিপদ ঘটবে নিশ্চিত করে বলা যায়। সবচেয়ে বড় বিপদ বিড়াল। বিড়ালটা পাখিটাকে ধরে খেয়ে ফেলতে পারে।

গোপাল আরো একটা কারনে তার সিদ্ধান্ত পরিপর্তন করেছে। আর তা হল একটা নিরীহ প্রানীকে ফেলে যাওয়ার ফলে কোন বিপদ ঘটতে পারে তাদের।
দেবতারা তাদের অভিষাপ দিতে পারে। হয়ত এমন অভিষাপ দিবে যে তাদের ছোট্ট পরিবারটি ধংস হয়ে যেতে পারে। অথবা অন্য যে কোন বিপদ। কে কখন কোন বিপদে পড়ে বলা যায়। গোপাল চায় না তার সুখী সুন্দর জীবনে কোন বিপদ নেমে আসুক।


এই ময়না পাখিটার জন্য গোপালেরও মায়া লাগে। গোপাল নিজেই কিনেছিল পাখিটা। পাখিটাকে ইতিমধ্যে অনেক কথা বলতে শিখিয়েছে গোপাল আর রানি। খুব সুন্দর কথা বলতে পারে।

"ও রানি বৌদি, গোপাল দাকে ভাত দাও
গোপাল দা ভাত খাবে ভাত দাও
ও রানি বৌদি গোপালদাকে ভাত দাও"

এরকম আরো অনেক কথা বলে ময়না পাখিটা। কখনও গোপালকে নাম ধরে ডাকে আবার কখনও রানীকে। ময়না টিয়াকে যা শেখান হবে তাই শিখবে এটাই স্বাভাবিক। গোপালের ময়না পাখিটার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। গোপাল আর রানী মিলে যা শিখিয়েছে তাই শিখেছে।

রাত পোহাবার অনেক আগে গোপাল রানীকে নিয়ে রওয়ানা হল। তাদের সাথে একটা কাপড়চোপড়ের ব্যাগ আরেকটি পাখির খাচা। পাখিটা চুপ করে খাচার ভেতরে বসে আছে। হয়ত ঘোমাচ্ছে।

রানী আর গনেশ তাদের শরীরে, ব্যাগে, গায়ের কাপড়চোপড়ে এমকি পাখির খাঁচায় যত হিন্দু ধর্মীয় চিহ্ন ছিল সব মুছে ফেলেছে। যাতে কেউ বুঝতে না পারে তারা হিন্দু।
গোপাল পড়েছে লম্বা পাঞ্চাবী আর গোল টুপি। আর রানী পড়েছে কাল বোরকা।
গনেশ পথে বসে রানীকে কোন কথা বলতে নিশেধ করে দিয়েছে। কেউ যদি কোন কিছু জিজ্ঞেস করে তাহলে গোপাল উত্তর দেবে। রানীর সেই মুহুর্তে কথা বলা নিশেধ। দেশের অবস্থা একটুও ভাল না। পাকিস্থানীরা গন হত্যায় মেতে উঠেছে এরই মধ্যে। কোন কারন ছাড়াই বাংগালীদের গুলি করে মেরে ফেলছে। সবচেয়ে বেশি নির্জাতন করছে হিন্দুদের উপর। অন্য কাউকে ছেড়ে দিলেও হিন্দুদের ছাড়তে চায় না তারা। ডায়রেক্ট গুলি করে মেরে ফেলে। যেহেতু হিন্দুদের কোন নিরাপত্তা নেই তাই মুসলমানদের পোশাক পরেছে গোপাল আর রানী। যাতে কেউ বুঝতে না পারে তারা হিন্দু।

গোপাল আর রানীকে নদী পার হয়ে ওপার যেতে হবে। ওপার গিয়ে বাসে উঠবে তারা। বাস সব সময় পাওয়া যায় না। না পাওয়া গেলে অপেক্ষা করতে হবে বাসের জন্য।

একটা নৌকা ঠিক করল গোপাল। নৌকাটা কিছুতে যেতে চাইছিল না। গোপাল বেশি টাকা দেয়ার কথা বললে যেতে রাজি হয়েছে নৌকার মালিক। ইদানিং রাস্তা ঘাটে জীবনের ঝুকি বেড়ে গেছে। তাই কেউ বাড়ি থেকে বের হতে চায় না। মুক্তিযোদ্ধারা আর যুবক ছেলেরা প্রায়ই বনে জংগলে লুকিয়ে থাকে। বলাতো যায় না কখন পাকিস্থানীরা এসে হামলা করে বসে।

নদী পার হল গোপাল আর রানী। বাস স্ট্যান্ডে দুইটা গাড়ি আছে। গাড়ি ছাড়তে দেরি হবে। তাই গোপাল আর রানী অপেক্ষা করছে বাস স্ট্যান্ডে বসে। বেশিরভাগ দোকান পাঠ বন্ধ, রাস্তায় লোকজন কম। অল্প কিছু লোক রাস্তায় ঘোরাফেরা করছে।
হঠাৎ একটা গাড়ি এসে থামল গোপাল আর রানীর সামনে। গাড়িতে এক গাড়ি পাক বাহিনী। মাথায় টাক পড়ে যাওয়া একজন পাকিস্তানি গোপালের কাছে এসে বলল, তোরা এখানে কি করছিস?
-গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছি?
-কেন কোথায় যাবি?
-যশোর।
-কেন যশোর কি?
-মামা বাড়ি যাব।
-তোর সাথে কে?
-আমার স্ত্রী।
-ও,,, আচ্ছা, হঠাৎ মামার বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন পড়ল কেন?
মাথায় টাক পড়া পাকিস্থানী মুখ ভেংচিয়ে প্রশ্ন করল।
গোপাল কি উত্তর দিবে ভেবে পাচ্ছিল না। বলল, মামা অসুস্থ তাই তাকে দেখতে যাচ্ছি।
মাথায় টাক পড়া পাকিস্থানী আবার মুখ ভেংচিয়ে বলল, ও মামার জন্য খুব দরদ রে বাংগালী। তোর নাম কি আর তোর বাড়ি কোথায়?

-আমার নাম সোলায়মান আর বাড়ি এই নদীটার ওপার।
-ঠিক আছে, যশোর গিয়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিবিনাতো।
-না।
-মনে থাকে যেন, তা না হলে গুলি করে মেরে ফেলব।
গোপাল ভয়ে ভয়ে উত্তর দিল, আচ্ছা।
পাক বাহিনী চলে যাবে এমন সময় ময়না পাখিটা ডেকে উঠল-


"ও রানি বৌদি, গোপাল দাকে ভাত দাও
গোপাল দা ভাত খাবে ভাত দাও
ও রানি বৌদি গোপালদাকে ভাত দাও"

মাথায় টাক পড়া পাকিস্থানী আবার ফিরে এল গোপালের কাছে।
বলল, সত্যি করে বল গোপাল আর রানী কে?

গোপাল পথে অনেক বিপদের কথা চিন্তা করেছিল। কিন্তু ময়না পাখিটাও যে বড় একটা বিপদের কারন হতে পারে তা কখনও ভাবেনি। ময়না পাখিত নিষ্পাপ। অপরাধ তাদের যারা মানুষের জীবন নিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় মেতে ওঠে আর নিরীহ মানুষের প্রতি অবিচার করে।
গোপাল ভয়ে ভয়ে বলল, আমি চিনিনা।
-তাহলে তোর পাখিতে শিখল কিভাবে?
-হয়ত পথে কোথাও শিখেছে।

গাড়ি থেকে একজন পাকিস্থানী সৈনিক চেঁচিয়ে বলে উঠল, স্যার, আমার মনে হয় ওরা হিন্দু।

টাক পড়া পাকিস্থানী বলল, তোরা কি হিন্দু?
-না স্যার আমরা মুসলমান।

আচ্ছা একটা সুরা বলত।
গোপাল মাঝে মধ্যে মুসলমানদের সুরা পড়তে শুনেছে। দুই এক লাইন মনেও আছে তার।
গোপাল ভাংগা ভাংগা গলায় ফাতেহা সুরার দুই লাইন পাঠ করে থেমে গেল।
টাক পড়া পাকিস্থানী বলল, কি হল থেমে গেলি কেন? গোপাল কোন কথা বলছে না।
টাক পড়া পাকিস্তানি ধমক দিয়ে বলল, কি হল, থেমে গেলি কেন?
গোপাল মাথা নিচু করে বলল, আর মনে নেই।

টাক পড়া পাকিস্থানী বলল, মাথায় টুপি আর লম্বা পাঞ্জাবী পরেছিস অথচ ফাতেয়া সুরা ভুলে গেছিস সালা হিন্দু। এবার সত্যি করে বল তোর নাম কি? সত্যি কথা না বললে এখানেই গুলি করে মারব।

গোপাল মনে করল, ওদের সত্যি কথাই বলে দেয়াই ভাল। তা না হলে গুলি করে মারবে। সত্যি কথা বললে ছেড়েও দিতে পারে।

গোপাল সব সত্যি কথা বলে দিল। শোনার পর পাকিস্থানী দাঁত বের করে হেসে বলল, সালাদের গাড়িতে তোল তারাতারি।
কয়েকজন সৈনিক গোপাল আর রানীকে গাড়িতে তুলে নিল।
গোপাল তাদের ছেড়ে দেয়ার জন্য অনেক অনুরোধ করেছে, বলেছে আমরা ভারত চলে যাব, আর এদেশে আসব না, আমাদের ছেড়ে দিন।
কিন্তু পাকিস্তানীরা সেদিকে বিন্দু মাত্র কান দিল না। গোপাল কাদছিল। আর পাকিস্থানীরা হাসছিল। মাথায় টাক পড়া পাকিস্থানী বলল, কিরে হিন্দুর বাচ্চা, তোর নাম সোলায়মান! বলেই হো হো করে হেসে উঠল সবাই।

গোপাল জানে তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তারা যেখানে যাচ্ছে সেখান থেকে খুব কম মানুষ ফিরে আসতে পেরেছে। গোপাল দেখল, রানীর চোঁখ থেকে পানি ঝরছে। এই মুহুর্তে গোপালের কষ্টে কলিজা ফেটে যাচ্ছিল। তার সুন্দরী স্ত্রীকে নিয়ে পাকিস্তানীরা কি করতে পারে ভাবতে শিউরে উঠছিল গোপাল।

গাড়ি এসে ক্যাম্পের সামনে থামল। পাকিস্থানীরা রানী আর গোপালকে আটকে রাখল। হয়ত কিছুক্ষন পরেই ওদের উপর নির্জাতন শুরু হবে। নির্জাতন করে মেরেও ফেলতে পারে ওদের।

মাথায় টাক পরে যাওয়া পাকিস্থানী ময়না পাখিটার খাঁচাটা একটা টেবিলের উপর রাখল।
পাখিটা তখনও ডেকে চলছিল-


"ও রানি বৌদি, গোপালদাকে ভাত দাও
গোপাল দা ভাত খাবে ভাত দাও
ও রানি বৌদি গোপালদাকে ভাত দাও"
...(সমাপ্ত)
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১৫ ভোর ৬:৪১
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×