
বাংলাদেশে কিছু লোক আছে তারা অত্যন্ত মানবেতর দিন যাপন করত। এই দূর্মূল্যের বাজারে তাদের তিন বেলা পেট পুরে খাওয়াই কষ্ট হয়ে যেত। গোশততো দূরে থাক,সাধারন শাক-ভাতই জুটত না। আবার তারাঁ এমন সৎ যে, দুর্নীতির করাতো দুরের কথা, এর চিন্তাও করতে পারে না। শুধু বেতন দিয়ে অতি কষ্টে সংসার চালায়। তবে নিন্দুকরা যদিও বলে,তাদের ব্যাঙ্কে হাজার কোটি টাকা থাকাও অসম্ভব নয়।আমি কিন্তু এসব প্রচারনায় বিশ্বাস করি না। যদি তাই হতো তাহলে তাদের বেতন বাড়ানোর কোনো প্রয়োজন ছিলো না। বেতন বাড়ার কারনেই আজ সেই ঘরে ঘরে ঈদ। আর তাই সেই সব বাড়িতে আজ গোশত-পোলাও রান্না হবে। বহুদিন পর আজ তারাঁ পেট পুরে খাবেন।
আমরা যদিও দাওয়াত তো দূরে কথা ,গোশত-পোলাও এর মন মাতানো সুঘ্রানও পাবো না।তবুও তাদের পরিচয় জেনে ।অভিনন্দিত করতে পারি।
অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতির মূল বেতন ৬১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বেতন ৫৮ হাজার ৬০০ থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা, স্পিকারের বেতন ৫৭ হাজার ২০০ থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ১২ হাজার টাকা, প্রধান বিচারপতির বেতন ৫৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। মন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, চিফ হুইপ, আপিল বিভাগের বিচারপতিদের বেতন ৫৩ হাজার ১০০ থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৫ হাজার টাকা, হাইকোর্টের বিচারপতির বেতন ৪৯ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৯৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় উপনেতা, হুইপদের বেতন ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ হাজার টাকা, উপমন্ত্রীদের বেতন ৪৫ হাজার ১৫০ থেকে বাড়িয়ে ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা ও সংসদ সদস্যদের মূল বেতন ২৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাদেশে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতাও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে
তবে নিচের ছবিগুলো দেখে এদের মুখে কি গোশত-পোলাও উঠবে?


সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




