গতকাল আমার এক বন্ধুর অফিসে গিয়েছিলাম।বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রিয়েল এষ্টেটের অফিস।আমার বন্ধু ওই অফিসে ভালো পোষ্টেই চাকরী করে।কাজ সারার পর বন্ধুটি মিষ্টি-সন্দেশ অফার করলো।আমি জিজ্ঞাসা করলাম কিসের মিষ্টি।বন্ধুটি কাষ্ঠ হাসি দিয়েজানালো, এগুলো খেয়েই বেচে আছে।এগুলো পুজার প্রাসাদ।আমি অত্যন্ত অবাক হলাম।তারপর যা বললো তাতে পিলে চমকে গেলো।
তাদের বেতন গতকাল পর্যন্ত হয়নি।বউ-বাচ্চা নিয়ে ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার প্রোগ্রাম ক্যানসেল করলো আমার সামনেই।
তাদের মালিককে এ বছর কোটি কোটি টাকা চান্দা দিতে হয়েছে এবারের পুজায়।এমনকি তাদের প্রকল্প এলাকায় দুটো অনেক বড় পুজার মন্ডপ সম্পুর্ন নিজের টাকায় বানিয়ে দিতে হয়েছে।বিনিময়ে পেয়েছে পুজার প্রাসাদ।এগুলো খেয়েই তাদের খুশী থাকতে হয়েছে। শুধু তাদের প্রতিষ্ঠানে নয়।এরকম অনেক ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের কোটি কোটি টাকা দাদাদের খুশি করতে এবং ব্যাবসা ঠিক রাখতে চান্দা দিতে বাধ্য করা হয়েছে।একটু খোজ করলেই পেয়ে যাবেন।আমি যেই প্রতিষ্ঠানের কথা বলছি,অনেকেই হয়ত বুঝে ফেলেছেন।চাইলে এর সত্যতা জানতে পারবেন।বাংলাদেশে অনেক বড়লোক হিন্দু আছে,কিন্তু তারা এত বোকা এবং উদার নয় যে,নিজেদের টাকা দিয়ে পুজার মণ্ডপ বানাবে।
এই লেখা পড়ে অনেকেই আমাকে সাম্প্রদায়িক বলে চিহ্নিত করতে পারেন।কিন্তু আমার উদ্দেশ্য হলো,বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ন ও সবেচেয়ে বেশী পুজার মণ্ডপ হয়েছে।আগামীবার এর থেকে আরো বেশী জাঁকজমকপূর্ন ও আরো বেশী পুজার মন্ডপ হোক,তাতে কারো কোনো সমস্যা নাই,কিন্তু তা যেন হিন্দু ভাইদের টাকায় হোক।
হিন্দু ভাইদের জন্য পুজার শুভেচ্ছা রইলো

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


