মুজিব রহমান এর দুটি কবিতা
সুখের সকাল
তোমার হাসিটুকু যেন অদ্ভূত সকাল
আর সেই সকালের সুখের স্পর্শটিকে
আপন করে ছুঁতেও পারি নি কোনো মতে।
শুধু বিজন বনের মাঝে
শুন্য এই বুক
আশা করে আছে
প্রাণের প্রার্থনায়
সেই সকালটি সন্ধ্যের কাছে যাবার আগে
নিয়ে যেয়ো সাথে করে যন্ত্রণার জলের পরিচয়।
এই জলের কাছে থেকেও বহুদূরে তুমি
আর জীবন তোমার
ব্যস্ত সুদূর পথে,
তুমি ভীতু নও
আগত সন্ধ্যার আঁধারে।
সুখের সাথে পরিচয় তোমার সুখও শক্তি নিয়ে
যন্ত্রণা আমার শাদা বরফে ঢাকা প্রাচীন নগরে।
এই নগরের কাছ থেকেও বহুদূরে তুমি
আর প্রেরণা তোমার
উল্লাসে উৎসবে
মাতাল করে রেখেছো
বিজন বনের মাঝে।
স্বপ্নের অধীক স্বপ্ন গভীরে
আর সুদূর আশার জাগরণে
সুখের সৃষ্টি তোমার তরঙ্গে তরঙ্গে।
আমার ভাবনার আশেপাশে অনন্ত আশা
তোমার হাসিটুকু যেন অধীক সুখস্পর্শে
হারিয়ে না যায় কোনো কঠিন পাথর তলে।
চিত্রপট
স্বপ্নটি তো সর্বহারা হয়ে যাবে
যখন তুমি স্মৃতিটুকু কেড়ে নিবে।
হৃদয় জুড়ে এমন ভাবনা ওঠছে কেনো
খাঁচা শুন্য হয়ে গেলে
শুন্য খাঁচা উড়ে যাবে উড়ালপুরে,
সত্য করে বলতে পারো
জবরদখল করছে কি কেউ
ভালোবাসায় গুছিয়ে রাখা ঘরখানি।
সাজিয়ে ছিলে ভাবনাধারা ইচ্ছে মতো
চিত্রকর তো সেই রিদমের চিত্রগুলি
ধারণ করে প্রতিক্ষাতেই,
দেখতে পাবে পিছন দিকটি
সুক্ষ্মভাবে একটু একটু ঘষো মাজো
স্মৃতিগুলি কেড়ে নিতে পারবে না তো।
সৃষ্টি কিছু হয়ে গেলে
সুখে-দুঃখে জেগে থাকে
স্মৃতিগুলি-চিত্রপটে।
দেখতে পারো চোখের পাতা বন্ধ করে
পটভূমি দাঁড়িয়ে আছে সম্মুখেতে
পারবে না তো স্মৃতিগুলি কেড়ে নিতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


