ঈদ মানে খুশি। মুসলিম জাহানে সাধারনত দুটি ঈদ পরিচিত- ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর। ইসলামী শরীয়ত, তথা কোরান, সুন্নাহ, রাসুল সাঃ ও সাহাবাগণের অনুসৃত নীতি অনুযায়ী উক্ত দুটি ঈদ হল পালনীয়।
অন্যদিকে, নবী সাঃ এর জন্মদিন উপলক্ষ্যে ঘটা করা হয় ও যে আনন্দোতসব করা হয়, তা বর্তমানে ঈদে মীলাদুন্নবী নামে পরিচিত। এখন প্রশ্ন হল, এই আনুষ্ঠানিকতা কি হাদিস ও সুন্নাহ কর্তৃক স্বীকৃত, নাকি নতুন প্রচারিত অর্থাৎ বেদাত।
উল্লেখ্য,
১) কোরান-সুন্নাহ অনুযায়ী ঈদে মীলাদুন্নবী পালনের কোন দুর্বলতম দলিল-ও পাওয়া যায় না। এমন কি, সাহাবিগণের জামাতের পরে আগত তাবেয়ীনদের জমানাতেও এর আলামত নেই।
২) নবী সাঃ নিজেও কোন জন্মদিন পালনে উৎসাহ মূলক কিছু নির্দেশনা দেন নাই।
৩) ১২-ই রবিউল আউয়াল নবীজী সাঃ এর জন্মদিন কিনা, এ ব্যাপারে মশহুর ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ আছে। অনেক ঐতিহাসিক এর ভিন্নমত পোষন করেছেন।
৪) তবে, ১২-ই-রবিউল আউয়াল নবীর মৃত্যু দিবস, এ ব্যাপারে সকল ঐতিহাসিক একমত।
এক্ষনে, কিভাবে ঈদে মীলাদুন্নবী পালন করা যায়, বলুন। এটা যে একটা পরিত্যায্য বেদাত, এতে কোন সন্দেহ নাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



