সৌদি যুবরাজ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে অ-স্থিতিশীলতা ও অনাচারের জন্য শিয়া গোষ্ঠী দায়ী। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে "হিটলারের" সাথে তুলনা করেছেন। তিনি বলেছেন, শিয়া গোষ্ঠির আগ্রাসী ও সাম্রাজ্যবাদী মনোভাবই মধ্যপ্রাচ্যকে আগুন করে তুলেছে। এজন্য শিয়া গোষ্ঠিকে সরাসরি সহায়তা দেবার জন্য তিনি ইরান সরকারকে দুষেছেন। ইরানের সরকারি বাহিনী শিয়াদের সাহায্য করার নিমিত্তে সরাসরি ইয়েমেন, ইরাক ও সিরিয়ায় লড়ছে।
সম্প্রতি ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহ রাজধানী সানায় শিয়াপন্থি-হুতি মিলিশিয়াদের হামলায় নিহত হয়েছেন। এর আগে সোমবার রাজধানী সানায় হুতি বিদ্রোহীদের সালেহর বাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার খবর দিয়েছিল অধিবাসীরা। কিন্তু সালেহের অপরাধ কী ছিল? তা নিম্নরূপঃ
এক ভাষণে সালেহ ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের ওপর আরোপ করা অবরোধ তুলে নেওয়া ও হামলা বন্ধের শর্তে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটকে আলোচনার প্রস্তাব দেন। সৌদি জোট এবং প্রেসিডেন্ট হাদি উভয়ই সালেহর আলোচনার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
এর জবাবে সালেহকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেছে হুতি বিদ্রোহীরা। শেষ তক তাকে হত্যা করে ছাড়ল।
এই শিয়া গোষ্ঠি কি আসলেই সমঝোতাপ্রিয় ও শান্তিপ্রিয়? মোটেও তা নয়। বরং আগ্রাসী ও সন্ত্রাসী মনোভাবের চূড়ান্ত নিদর্শন দেখিয়ে যাচ্ছে তারা। এরাই সেই গোষ্ঠি, যারা ৮০ এর দশকে পবিত্র কাবা ও হারাম শরীফ ক্যু এর মাধ্যমে দখল নিতে চেয়েছিল। এরাই ২০১৫ সালের হজ্বে হাজার খানেক হাজ্বী মরার জন্য দ্বায়ী।
ধর্মীয় দিক থেকেও এরা ইসলামের সঠিক আক্বীদা ও রীতি বিবর্জিত এক বিভ্রান্ত জাতি। সাহাবাগনের যুগে "আব্দুল্লাহ ইবনে সাবাই" নামক এক ইয়াহুদী গুপ্তচর এই শিয়া জাতি প্রতিষ্ঠা করেছিল। আসলে, তলে তলে শিয়া আর ইয়াহুদির গোড়া একই।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



