somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অবশেষে সেঞ্চুরী করে ফেললাম।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এটা সেই পোষ্ট যা একমাত্র মাইক্রোওয়ার্কার্স নিয়ে এবং এ ব্যাপারে কোনই সন্দেহ নাই। এটা সেই পোষ্ট যা সকলকে বেশি বেশি করে ব্লগ লেখার উৎসাহ প্রদান করে এবং গুজবকে নিরুৎসাহিত করে। যারা কষ্ট করে ব্লগ লিখে ও মানুষকে সঠিক তথ্য প্রদান করে নিঃশ্চই তারা জ্ঞানী। আর যারা গুজব রটায় ও গুজবে বিশ্বাস করে তারাই তো বিভ্রান্তীতে রয়েছে কিন্তু তারা তা বুঝতে পারে না আর তাদের জন্য রয়েছে বিভ্রান্তী তারা কোন পথ ও খুঁজে পাবে না।

সকল সামুবাসীর প্রতি রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
আমি ঠিকমত ব্লগ লিখতে পারি না আর আমি টপিক ও নির্ধারণ করতে পারি না। চারিদিকে এত এত টপিকস কোনটা রেখে কোনটা নির্বাচন করব তা ভেবে ভেবে হয়ে যাই বিভ্রান্ত। আমার আর হয় না ব্লগ লিখা শুধু পড়েই যাই এবং পড়তে পড়তে হয়ে যাই ক্লান্ত।
মনে হয় আজকে লেখার কিছু একটা পেয়েছি তাই হয়ে গেল নগন্য একটি পোষ্ট, হাজার পোষ্টের ভিড়ে এই পোষ্টের কোনই মুল্য নাই।
-:-তো যা বলছিলম, সেঞ্চুরী হয়ে গেল আর কি!!
-সেঞ্চুরী হয়ে গেল মানে ? কি ভাবে? কিছুই তো জানি না ?
-:-হুম সে কথাই তো বলছি..............
আসলে ঘটনা হয়েছে কি? মাঝে মাঝে আমার মাইক্রোওয়ার্কার্সে কাজ করতে হয়। আর এই কাজ নিয়েই যত কথা। নতুন একাউন্ট, আমেরিকান ঠিকানা ও ফোন নম্বার দিয়ে একাউন্টটা একজন ভেরীফাই করে দিয়েছে। আমেরিকান আইপি দিয়ে কাজ করতে হয়। প্রথম প্রথম অনেক কিছু বুঝতাম না। বায়ার কি করতে বলছে আসলে সে কি চায় তা বুঝতেই আমার গলদঘর্ম। যাই হোক কাজ শুরু করলাম দেখা যাক কি হয়!! সাকসেস রেট ৭৫% এর নিচে চলে আসলে এক মাসের জন্য কাজ বন্ধ রাখতে হবে এবং তা বাধ্যতামুলক । তাই বুঝে শুনে ধীরস্থির ভাবে ছোট ছোট শর্ট খেলা (ছোট ছোট কাজ করা ) শুরু করলাম। আর এই ছোট ছোট শর্ট খেলতে খেলতেই যে একসময় সেঞ্চুরী হয়ে যাবে তা কল্পনা করিনি। মানে হচ্ছে, আমার সাবমিট কৃত কাজের মাধ্যে টানা ১১০ টি কাজ পজেটিভ হয়েছে নো নেগেটিভ রেজাল্ট একটাও না, একটা কাজও কাটা যায় নি।
নিচের স্ক্রীনশনটি দেখলেই সব বুঝা যাবে।


সর্বমোট ১৪৮ টি কাজের মধ্যে টানা ১১০ টি কাজ Satisfied, হয়েছে Not Satisfied 0 এবং Not Rated ৩৮ টি। তাহলে কি একে সেঞ্চুরী বলা যায় না ??
হুম অবশ্যই বলা যায়।
তাহলে সবাই আমাকে করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান LOL :-P আর আমি ব্যাট উঁচিয়ে আপনাদের অভিননন্দনের জবাব দিচ্ছি ... হা হা... =p~ !:P
নিচে স্কোর বোর্ডের কিছু অংশ দেখুন, সবগুলোই পজেটিভ।


যদিও ১০০ টি কাজের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ টি কাজ কাটা খাওয়া (নেগেটিভ রেজাল্ট পাওয়া) জায়েজ আছে। যাই করি ৭৫% এর উপরে সাকসেস রেট থাকতে হব, না হলে ১ মাসের জন্য কাজ করা বন্ধ রাখতে হবে। ৩৮ টি কাজের রেট এখনো পাই নি আশা করি ২/৩ দিনে মধ্যেই পেয়ে যাব। বাকিগুলোর অবস্থা যাই হোক আমার তো সেঞ্চুরী হয়ে গেছে আর এটাই সত্য এবং এ ব্যাপারে কোনই সন্দেহ নাই। !:P
নিচে দেখুন রেট না পাওয়া কাজগুলো।


যখন টানা ৮০ টি কাজ সফল হয়েছিল তখন থেকেই সেঞ্চুরীর ভূত মাথয় চেপেছিল সে জন্য অবলম্বন করা হয়েছিল সাবধানতা। আর যারা সবধানতা অবলম্বান করে তাদের জন্যই রয়েছে সফলতা। :`>
শেষ আজকের মত এখানেই শেষ।
-----------------------------------------------------------------------
------------------------------------------------------
---------------------------------------
-----------
-----
না শেষ হয়নি এবার হবে টি ২০ খেলা, মার মার কাট কাট অবস্থা। যেখানে বোলারদের কোনই খানা নেই বোলারদের দুঃস্বপ্নের এক নাম হচ্ছে টি ২০। হ্যাঁ এই টি ২০ এর কথাই বলব বন্ধুগণ।
---------------------------------------------------------
হে সামুবাসী জেনে রাখুন, যারা শুধুই তাদের সফলতার কথা বর্ণনা করে তারাই মিথ্যাবাদী তারাই তো প্রকৃত ভন্ড, আর এ ব্যাপারে আপনারা সাক্ষী থাকুন এবং তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করুন যদি না তারা সঠিক পথে ফিরে আসে।

মিথ্যাবাদীরা কি দেখে না ? মিথ্যা স্বল্প সময়ের জন্য অবির্ভাব হয় আর অচিরেই তা ধ্বংস হয়ে যায়। এর পরেও কি তারা সত্যাবাদি হবে না ? যারা মিথ্যা রচনা করে তারা তো সত্যকে ভয় পায়।

এই মহাবিশ্ব সত্য, এর মধ্যে যা কিছু আছে (দেখা এবং অদেখা) তার সবই সত্য, এর পরেও মিথ্যাবাদীরা সত্যের আর কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

মানুষের জীবন শুধুই সফলাতায় পুর্ণ হতে পারে না, ব্যর্থতা ছাড়া কখনও সফলতা পুর্ণতা পায় না, ব্যর্থতার মাঝেই লুকায়িত রয়েছে বিপুল শক্তি আর এ এক চিরন্তন সত্য আর যারা একে অস্বীকার করে তারা তো কিছুই বুঝে না। আর যারা কিছুই বুঝে না তারা তো সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে কারণ তারা কিছুই জানে না আর তারা কখনও সফলকামও হবে না।

ভীতুরা বলে, ব্যার্থতার মাঝে আবার শক্তি কোথায়? আমারা তো ব্যার্থতা ছাড়া কিছুই দেখতে পাই না, এ নিঃশ্চই তোমাদের বানানো শান্ত্বনা বানী ছাড়া আর কিছুই না। তোমরা যতই শান্ত্বনা দাও আমরা কিছুইতেই ব্যর্থতা মেনে নিব না।

হে সামুবাসী তাদের বলুন, ব্যর্থতার মাঝেই প্রকৃত শক্তি লুকায়িত রয়েছে আর এ দিবালোকের মত সত্য। তার কি দেখে না যুগ যুগ ধরে ভয়াবহ ধ্বংস যজ্ঞ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরেও এই পৃথিবী বাহাল তাবিয়াতে টিকে রয়েছে। যদি প্রকৃতিক দুর্যোগ না থাকতো তাহলে কিছুই সৃষ্টি হত না ধ্বংস হয়ে যেত এ পৃথিবী। প্রকৃতিক দুর্যোগ থেকেই মুলত পৃথিবী পরবর্তীতে টিকে থাকার যাবতীয় শক্তি অর্জন করে, কিন্তু বেশির ভাগ মানুষই তা বুঝতে পারে না তাই তারা ব্যর্থতাকে ভয় পায়। অবশ্যই চিন্তাশীলদের জন্য এর মধ্যে রয়েছে ব্যাপক চিন্তার বিষয়।
পড়ুন (আস্তিকগণ) এ হচ্ছে মহান স্রষ্টার এক অপরুপ লীলা।
পড়ুন (নাস্তিগণ ) এ হচ্ছে খেয়ালী প্রকৃতির এক অপরুপ খেলা।
পড়ুন (অজ্ঞেয়বাদী, স্বংসয়বাদী গণ) এ হচ্ছে সুনিপুণ ভারসম্যের খেলা এক "মহা সমন্বয়"
সকলেই পড়ুন- আমরা ইচ্ছা কিংবা অনিচ্ছায় ভারসম্য ব্যহত করব না। আমরা বিপক্ষ শক্তিকে সমুলে বিনাস করব না। আমরা সমন্বয় রক্ষা করব।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------
---------------------------------------------------------------------------------------------------
LOL এবং পুরাই এল ও এল --- :-< কি বলব বুঝতে পারছি না আর এ জন্যই আমি লিখতে বসি না। শুরু করি একটা কিন্তু শেষে গিয়ে দেখা যায় ঘুরতে ঘুরতে কোথায় যে চলে গিয়েছি তা নিজেই জানি না, ধারাবাহিকতার বড়ই অভব।
খুব দ্রুত শেষ করব, বড় পোষ্ট কেউই পছন্দ করে না আর এটাই হচ্ছে বস্তবতা। গুরুগম্ভীর কথা আর একদম না।

ব্যর্থতা, হ্যাঁ আমরা ছিলাম ব্যর্থতার মধ্যে - টি ২০ এর মধ্যে, যেখানে আমি ব্যার্থ তবে চেষ্ট করছি ভাল কিছু করার জন্য।
HG Job ( Hair Group ) নামে একটা অপশন আছে যেখানে কাজের রেট কিছুটা বেশি এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে কাজটি সাবমিট করতে হয় কাজ শুরু করার পর থেকেই সেকেন্ড কাউন্ট করা শুরু হয়। আর ওই সময় গনণার জন্য ঠিকমত কাজ করা যায় না। মনে হয় এই বুঝি টাইম শেষ। অনেক সহজ কাজও অনেক সময় করতে দেরী হয় শধু সেকেন্ড কাউন্টারের জন্য। ঠিক যেন টি ২০, মনে হয়, হায় হায় ওভার তো শেষ হয়ে যাচ্ছে এখন কি হপে ?
যা ই হোক HG Job এ আমি কিছু কাজ সাবমিট করেছিলাম তার মধ্যে অনেকগুলা কাটা গেছে, মানে হয় নাই, Not satisfied :(
এর শানে নূযুল হচ্ছে: বাস্তব টি ২০ ক্রিকেটও আমি কোন দিন ভাল পারি নাই এখানেও তাই, ওই সময় গনণার জন্য কাজ করতে সমস্যা হয়। আরে কাজ করব না সময় দেখব বার বার? তবে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি, জানি যোগ্যতমরাই টিকে থাকে।
ও হ্যাঁ HG Job এর একটা সুবিধা আছে আর তা হল ওখানে সাকসেস রেট বলতে কিছু নেই। তার মানে হল ১০০ টি কাজের মধ্যে ৯০ টি কাটা গেলেও সমস্যা নেই। যেগুলো হবে ওগুলোর টাকা পাবেন যেগুলো হবে না তার কিছুই পাবেন না। আসলে যেখানে অসুবিধা সেখানে আবার সুবিধাও আছে । ওই যে বলেছিলাম না? যেখানে ব্যর্থতা সেখানেই সফলতা। সবকিছুর মধ্যেই এক সমন্বয় লক্ষ করা যায় আর এ সবকিছু মিলিয়েই হয় এক "মহা সমন্বয়"। আর আমার নাম কি এমনি এমনিই "মহা সমন্বয়" হয়েছে? বুঝতে হবে হুম : চিন্তাশীলদের জন্য নিঃশ্চই এর মধ্যে নিদর্শন রয়েছে LOL :`>
ক্ষমা করবেন প্লীজ।
নিচে দেখুন আমার ব্যর্থতার নিদর্শন, অনেকগুলো কাজ হয়নি। :(


আরও দেখুন


একাউন্টে মাত্র ২১ ডলার জমা হয়েছে


১০ ডলার ক্যাশ আউট পেন্ডিংয়ে রয়েছে


আর Not rated যে কাজগুলো জমা রয়েছে সেখানে অানুমানিক ২০ ডলার এর মত হবে।
নগন্য আর্নিং, জানি একদম নগন্য আর্নিং, নতুন অবস্থায় এরকমই আর্ন হয়। আশা করি ২/৩ মাস পর আর নগন্য আর্নিং থাকবে না। দেখা যাক কতদিন দৈর্য ধরে রাখতে পারি। এটাও জানি বাংলাদেশী আইপি দিয়ে এই ৫০ ডলার আর্ন করাই এক ভয়াবহ পরিশ্রমের কাজ। আমেরিকান আইপি দিয়ে কাজ করলে সময় এবং পরিশ্রম দুটোই অনেক কম লাগে। যারা করেন নিঃশ্চই তারা ব্যাপারটি জানেন।মাইক্রোওয়ার্কারস সবার জন্য উন্মোক্ত এখানে বিড করার ঝামেলা নেই । শুধু যে যে কাজ করতে পারে সে সেই কাজগুলো করে যা পারবে না তা করবে না দ্যাটস ইট। এখানে তারাই সফল যারা দার্শনিক টাইপরে ফ্রীল্যান্সার।
ফেসবুক রাজনীতি, ফোরাম রাজনীতি, ব্লগ কমেন্ট, সিন্ডিকেট রাজনীতি, ইউটিউব, টুইটার, সহ সকল বুকমার্কিং সাইটে একাউন্ট থাকা SEO সমন্ধে ভাল জ্ঞান থাকা HTML, CSS জানা সহ যাবতীয় ফ্রীল্যান্স জগতের সকল সব বিষয়ে সমন্ধে স্বচ্ছ ধারণা থাকাকেই বলে দার্শনিক ফ্রীল্যান্সার। কি নেই এখানে? ফ্রীল্যান্স জগতের প্রায় সবকিছুই আছে তবে তা খুব ছোট পরিসরে।
সফল কয়েকজন ফ্রীল্যান্সারের আর্নিং হিস্টোরী দেখুন। নিচের দিকে ২ জন বাংলাদেশী দেখতে পেয়ে ভাল লাগল। :)


এখানে শুধুমাত্র আমাদের দেশীয় ভাইদের আর্নিং হিস্টোরী দেয়া হল।


---------------------------------------------
সর্বশেষ:- এই পোষ্টে রয়েছে অনেক অসংগতি এবং ভুল, তাদের জন্য, যারা তা খুঁজতে চায়, সেই সাথে অনিচ্ছাকৃত বানান ভুলের জন্য ক্ষমা পার্থী। জেনে রাখুন যারা আমার ভুল ধরিয়ে দেয় তারাই তো আমার প্রকৃত বন্ধু এবং তাদের জন্য রয়েছে "মহা সমন্বয়ের" পক্ষ থেকে অশেষ শুভেচ্ছা ও ভালবাসা আর তারা কখনো দুঃখিতও হবে না।
ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৫
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাটারিচালিত রিকশা , তিন-চাকার যানবাহন ব্যবস্থাপনা, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং সিসা-দূষণরোধ বিষয়ে একটি সমন্বিত নীতিগত প্রস্তাব।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮


বাংলাদেশের নগর ও শহরতলির পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজি-বাইক ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক তিন-চাকার যান ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের যাত্রীদের জন্য অপেক্ষাকৃত কম খরচের পরিবহন, বিপুলসংখ্যক চালক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৭



ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি কেনা ও নির্মাণের টাকা কোথা থেকে এসেছিল-এই প্রশ্নটা মাঝেমধ্যেই অনলাইনে ঘুরেফিরে আসে। উত্তরটা আসলে লুকিয়ে নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয় - দরকার বিকল্প সরকার

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪



জামাতকে সংগঠন হিসেবে নিখুঁত বলা যায়, আলেম হতে হলে দীর্ঘদিন পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হয় - মানে নেতা হবার আগে অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে, বিএনপি-লীগের এমন কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেলাশেষে

লিখেছেন নীল-দর্পণ, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

বাসায় আত্নীয় আসলে চলে যাবার সময় কিংবা তাদের বাড়ী থেকে ফেরার সময় ঘরের ছোট সদস্যের হাতে টাকা গুঁজে দেবার যে চল ছিল নিশ্চই আমরা কম বেশি সবাই সেটা সাথে পরিচিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসংখ্য মানুষের স্বপ্নের নায়িকা যিনি।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১২



একদিন যে বিয়েকে ঘিরে ছিল পাঁচতারকা হোটেলের ঝলমলে আলো, ক্যামেরার অসংখ্য ফ্ল্যাশ আর শত মানুষের করতালি, সেই সংসারের আকাশেই কয়েক বছরের মধ্যে জমেছিল বিচ্ছেদের মেঘ। ১৯৮৭ সালের মে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×