somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুভিঃ State of Grace (1990)

২৮ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
State of Grace (1990)



||
এটা একটা ব্ল্যাক ক্রাইম মুভি। পটভূমিতে হেল'স কিচেন এরিয়ার লো লাইফ, ক্রাইম, ছোট মাপের গ্যাংস্টার লাইফ, ক্ল্যাশ দেখানো হইছে। এটা কোন টুইস্ট মুভি না তবে গল্পের কিছু শুরু করলে সেটাও স্পয়লার হবে বলে আমার ধারণা। শুধু এটুকু বলি, টেরি [শ্যন পেন] ড্রাগ ডিলিংস ঘটিত একটা ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতে নিজের পুরনো এলাকায় ফিরে আসে। সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু জ্যাকি [গ্যারি ওল্ডম্যান] এর সাথে মিট-আপ করে। বাকিটা মুভি দেখে জানতে হবে।

ব্ল্যাক ক্রাইমের বেশ ভাল মিশ্রণ ইউজ করা হয়েছে এখানে। প্লট রুপায়নের ক্ষেত্রে এই লাইট অ্যারেঞ্জমেন্ট ভাল করেছে। লিডের আনএক্সপেক্টেড চরিত্র পরিবর্তন আছে। ক্রাইম কম বেশী ড্রামাটিক ওয়েতে এগিয়েছে মুভিটা। গ্যাং টু গ্যাং ক্ল্যাশ নেই অভ্যন্তরীন ক্যাচাল আছে। তবে সেটাকে তেমন স্ট্যাইলিশ বলব না আমি। কাইন্ড অফ স্লো প্যাক সাসপেন্স ক্রাইম মনে হয়েছে। সুপার স্লো মনে হলেও দোষ দিতে পারব না কাউকে। এইসবের পাশাপাশি একটা মানুষের চিন্তা-চেতনার মুহুর্মুহু পরিবর্তন ইন্টারেস্টিং লাগছে। কীভাবে সেটা ফাঁস করা যাবেনা। কয়েকটা পয়েন্টের ব্যাসিসে এটাকে neo-noir বলতে পারি। দ্বীমত থাকলে থাকতে পারে এটা নিয়ে।

ডার্ক নাইটের গর্ডন-কে মনে আছে? এই মানুষটার এইরকম ইয়াং, তেজী, একরোখা, খাপছাড়া, হালকা-পাতলা চিকনা অবয়ব দারুণ লাগছে। সবচেয়ে বেশী ভাল লাগছে ওকে। চরিত্রটাকে কত দারুণ করে ফুটিয়ে তুলেছে না দেখলে ঠিকমতন বোঝানো মুশকিল। একেবারে গেথে গেছে মনের মধ্যে ওর পারফর্ম। কাইন্ড অফ ক্রেজি চরিত্রটাকে একেবারে ফাটিয়ে দিয়েছে। আমি মুগ্ধ অনেকদিন পরে এরকম একটা চরিত্র-বিন্যাস দেখে।

শ্যন এর পারফর্ম ও ভাল লাগছে তবে ওর চেয়ে বেশী ভাল লাগছে এড হ্যারিস কে। অনেকদন পরে ওকে এমন চরিত্রে দেখলাম। অসাম লাগছে। রবিন রাইট কে নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই। যেরকম কোল্ড চরিত্রে ওকে প্লে করতে হয়েছিল তাতে আসলে তেমন কিছু বলার মতন নেইও।

সবমিলিয়ে মুভিটা কেমন লেগেছে আমার কাছে? একটুখানি ফ্রেম থেকে বের হয়ে আসা, একটু আলাদা প্লট চিত্রায়ন, একটু আলাদা রকম করে ভাল-লাগা।


৭২০পি ব্লুরে ৭০০মেগা
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:১৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মঞ্জুর চৌধুরর ছোট গল্প "একাউন্ট্যান্ট"

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৪০

একাউন্ট্যান্ট

মঞ্জুর চৌধুরী


রফিকুল ইসলামের জীবনে সবচেয়ে বিলাসী জিনিসটি ছিল একটি কাঠের আলমারি।

আলমারিটা নতুন নয়। মিরপুর এগারোর যে দুই কামরার বাসায় সে আর শায়লা থাকত, তাদের বিয়েরও আগে থেকে বাড়িওয়ালার স্টোররুমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিনশ্বর হাসির সুরভি: কৈলাশ খেরের 'তেরি দিউয়ানি' এবং স্রষ্টার প্রেমে এক আধ্যাত্মিক আত্মসমর্পণ

লিখেছেন চারাগাছ, ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২৮



অবিনশ্বর হাসির সুরভি: কৈলাশ খেরের 'তেরি দিউয়ানি' এবং স্রষ্টার প্রেমে এক আধ্যাত্মিক আত্মসমর্পণ

ছোটবেলায় বা কৈশোরে যখন প্রথম কৈলাশ খেরের ''Teri deewani' গানটি শুনেছিলাম, তখন আমাদের অনেকের কাছেই এটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট বিদ্যুৎও কি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১৪


শিরোনামটা একটু অদ্ভুত মনে হতে পারে। তবে কিছুদিন ধরে বিদ্যুতের দাম, ভর্তুকি আর লোডশেডিং নিয়ে যেভাবে আলোচনা হচ্ছে, তাতে প্রশ্নটা একেবারে অযৌক্তিক নয়। কারণ সরকার বদলেছে, কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

লংমার্চ নাকি ‘ফোর-হুইল ড্রাইভ’—ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭

জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলের আজকের লংমার্চ—ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ার কথা। শুনে মনে হলো, ইতিহাস বুঝি আবার হাঁটতে শুরু করেছে!

কর্মসূচির ছয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

Attention Residue: কাজ বদলালেই মনোযোগ বদলায় না

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৪



হয়তো ২ ঘণ্টা সময় নিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে বসেছেন।

ল্যাপটপে রিপোর্ট লিখছেন।
হঠাৎ Messenger-এ একটা মেসেজ এলো।

ভাবলেন,
“একটু দেখে আসি। মাত্র এক মিনিট।”

মেসেজের উত্তর দিলেন। তারপর Facebook খুলে দুই মিনিট স্ক্রল করলেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×