somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভাগ্য, নিয়তি এইসব কখনোই আমার বিশ্বাসে ঢুকেনি।

০৩ রা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানুষ একেক জন একেক ক্যাপাসিটি নিয়ে জন্মায়। তাদের সবার জন্যেই দূনিয়ায় ক্যাপাসিটি অনুযায়ি সুযোগ সুবিধা দেয়া আছে। কেউ কেউ তারটা আদায় করে নিতে পারে। কেউ পারে না নিজের নড়াচড়ার অভ্যাস নাই বলে। আবার কখনো হারায় কারন তারটা আরেক জন ভোগ করে বসে থাকে। এক জনের নিজের সামর্থ, তার দলগত সামর্থ, চার পাশের প্রকৃতির উপর তার নিজের আর দলগত জ্ঞান, দখল সব কিছুর কো-ইন্সিডেন্সই ভবিষ্যৎ ঠিক করে। অন্যদের উপর যার প্রভাব বেশি, জ্ঞান বেশি, দখল বেশি সে তত বেশি কোইন্সিডেন্স গুলো নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মানে ক্ষমতাবান মানুষ দুর্বল মানুষ থেকে বেশি বেশি ভবিষ্যৎ দেখতে পারে। সামনের দিনে কি হবে সে বলতে পারে কারন সে দিনগুলো সে যথা সম্ভব নিজেই তৈরী করে। কোইন্সিডেন্স গুলোর বেশির ভাগই সে নিয়ন্ত্রণ করে বলে।
.
ব্যপারটা যেন এমন - ১০০ নাম্বারের (অসীম বা অজানা নাম্বার) কেস স্টাডি জাতীয় পরীক্ষায় বসলো দশ জন এক সাথে। নাম্বার পাবে ইন্ডিভিজুয়াল আবার দলগত ভাবে। এখানে যে যত নাম্বার পাবে তা তাদের টিচার দিচ্ছে। আবার যে যত নাম্বার হারাবে তাও তার জন্যে টিচার দিয়ে রেখেছিলো, তারা নস্ট করেছে। আবার এক জনের করা সমাধান আরেক জন নিজের বলে চুরি করে নিজের নামে নাম্বার নিয়ে নিচ্ছে। যেহেতু খেলাটা দলগত, টিচার তাই চুরির ব্যপারে শুধু সতর্ক করেই সারা। দায়টা আমাদের নিজেেদের।
.
এভাবে এক জনেরটা আরেক জন নিয়ে যাওয়ার সিস্টেমটা কিছু মানুষ নিজেরা বানায়। আর দুর্বলদের মাঝে এই বিশ্বাস ছড়ায় যে তোমাদের যত দুর্ভোগ সব তোমাদের কপালের দোষ, অদৃষ্টের লিখন, যা উপরওয়ালা লিখে রেখেছে। এতে কিছু না করতে পারা দুর্বল শ্রেণী মানষিক ভাবে একটা স্কেইপ পয়েন্ট পায়। এক ধরনের রিলিফ বোধ করে। তাই তারাও এই থিওরী লুফে নেয়। আর বলে বেড়ায় আমার কপালে লিখা ছিলোনা তাই পাই নাই। কিংবা উপরওয়ালা কপালে এমনই মরা লিখে রাখছিলো, কি আর করা।
.
আর এই ভাবে হালাল হয়ে যায় যত চুরি, চামারি, জোচ্ছুরি, ভন্ডামি, খুন, রাহাজানি, ব্যাভিচার, অত্যাচার ...
.
Afnan_Abdullah
07032020

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কার্ড

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ৯:১৫


তার সাথে আমার যখন দেখা হয়েছিল, তখনও এই শহরে মেট্রোরেল আসে নি। লোকাল বাসে করে যাতায়াত করি মিরপুর-মতিঝিল-মিরপুর। ক্লান্তিকর। সেদিন অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও সরাসরি মতিঝিলের বাস পাই নি ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলাম কখনোই ধন-সম্পদের লোভ দেখিয়ে যুদ্ধের কথা বলে না

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১১:০৪



আমি পুরো কুরআন পড়েছি, এবং এখন পর্যন্ত যত দূর প্রিয় নবীজীর পথ শিখেছি, তা থেকে জানি যে, ইসলাম কখনোই আক্রমণ করার কথা বলে না। ইসলামের শেষ নবী (সাঁ)-এঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সহজ ভাষায় লিখলে হয় সস্তা-দরের লেখক!

লিখেছেন শেরজা তপন, ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১১:২৭


ওপার বাংলার কথাশিল্পী সমরেশ মজুমজারের সাথে হুমায়ূন আহমেদের বেশ খাতির ছিল।তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, রবীন্দ্রনাথ ও শরতচন্দ্রের পরে বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক ‘হুমায়ূন আহমেদ’।
তবে আমার মত ভিন্ন; আমি মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনতার উচিৎ মেয়েটির কাছে ক্ষমা চাওয়া

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১২:৪৭



কিছু হলেই অনুভূতিতে আঘাত, পান থেকে চুন খসলেই ধর্ম গেলো গেলো; মেরে ফেলো, কেটে ফেলো, পুতে ফেলো এসবই হচ্ছে ধর্মান্ধ জনগোষ্ঠীর মনোভাব। সময় এসেছে এসব সেন্টিমেন্টাল জনগোষ্ঠীর অনুভূতি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম শেখানোর সুযোগ পেলে কি শিখাবেন?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সকাল ৯:৪০








কিছুদিন আগে নানু মারা যাওয়ায় জানাযারর সময় নিয়ে সমস্যা হলো,তা ছিলো ঐ দিনই বাড়ির খুব পরিচিত মুখও ক্যান্সারে অনেক মাস যুদ্ধ করে মারা যায়।মাঠ যেহেতু একটাই,পরে ঠিক হলো সকাল ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

×