ড. মুহাম্মদ ইউনূস আপিলের অনুমতি পাননি। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে তাঁর করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বে সাতজন বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই খারিজাদেশ (ডিসমিস) দেন।
আদালত থেকে বেরিয়ে ইউনূসের আইনজীবী ড. কামাল হোসেন বলেন, একটি লিভ টু আপিল খারিজ করা হয়েছে। অপর একটি আবেদন কাল শুনানির জন্য রয়েছে।
মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুনানির জন্য থাকা লিভ টু আপিলের ফলাফল না দেখে কিছু বলা ঠিক হবে না।
তবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের পর তাঁর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদে থাকা ঠিক হবে না। পদে থাকাটা অবৈধ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী তৌফিক নেওয়াজ বলেন, লিভ টু আপিল খারিজ হওয়ায় তাঁকে অব্যাহতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া চিঠি বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল থাকল। এর আগে সকাল সোয়া নয়টায় শুনানি শুরু হয়ে মাঝে বিরতি দিয়ে সোয়া একটার দিকে আদালত এ আদেশ দেন।
আদালতে ইউনূসের পক্ষে কামাল হোসেন, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে আজমালুল হোসেন কিউসি ও তৌফিক নেওয়াজ শুনানি করেন।
সকালে শুনানিতে অংশ নিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘হাইকোর্ট কোনো ধরনের রুল ইস্যু না করে রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। নিয়ম অনুসারে রুল জারি করা হয় এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়। এ ক্ষেত্রে আমাদের অপর পক্ষের বক্তব্য শোনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। ১১ বছর পর একজন জেনারেল ম্যানেজার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয় “আপনি (ইউনূস) নন”। চিঠিতে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কোনো কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি। এটা হচ্ছে প্রিন্সিপাল অব ন্যাচারাল জাস্টিজের ভায়োলেশন।’ (প্রথম আলো) বিচারের রায় কি হবে তা এদেশের ১০০% লোকর জানা ছিল।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


