সেদিন ছিল চাঁদ ঘুমানোর রাত।
হাসি ফিরে এল ঢাকায়। ইকারুসের কাছে।
ইকারুস কবি, গীতিকার, অভিনেতা ও নিরামিষভোজী। খুবই নীতিবান। প্রেমিকা ছাড়া কারও সাথে শোয় না। কিন্তু এক প্রেমিকা তাঁর বেশি দিন ভাল লাগে না।
একা মানুষ। হারিয়ে যায়। সিম বদলায়। বাসা বদলায়। তারপরও পিছু না ছাড়লে নিষেধ করে দেয়।
ইকারুস মানবিক । সে কুকুর ভালবাসে, বিড়াল ভালবাসে, এমনকি রাস্তার কাকও…। সবার দুঃখ তাকে কাঁদায়। কিন্তু তার প্রেমিকার দুঃখ, একটা মেয়ের অনিশ্চিত ভবিষ্যত তাঁকে কাঁদায় না।
হাসি জানত, এমন কিছুই হবে। তাপরও আত্মবিশ্বাস ছিল। একটা ফুটফুটে শিশুর আগমন হয়ত বদলে দেবে সবকিছু। বাচ্চা হ'ল। খুব ফুটফুটে। তারপর হাসপাতাল থেকে বাচ্চা গায়েব। ইকারুস ও লাপাত্তা।…….
প্রায় একবছর ঘুরে ইকারুসকে দেখা করতে রাজী করাতে সক্ষম হলো হাসি। আবার সেই অমোঘ ভালবাসার স্বাদ। শেষ ও চিরন্তন বাহুডোরের ঘুম।
পরদিন ইকারুসের নিথর দেহ ভর্তি লাল গল্প সূর্য হয়ে উঠল ভোরের আকাশে।
------------------------------------------------------------------------------------------------মুহাম্মদ নিয়াজ মোর্শেদ
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




