প্রতিদিন খবরের কাগজে চোখ রাখলেই কিংবা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াতে তাকালেই দেখি রক্তাক্ত ছবি অথবা মৃত্যুর খবর। আর মৃত্যুটা হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায়। কিন্তু এ থেকে বাঁচার উপায় কি?
আমাদের মাঝ থেকে চলে যাচ্ছেন অনেক মেধাবী মুখ। অনেক প্রিয় মুখ। যাদের চলে যাওয়া আমাদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি।
রাস্তার বেহাল অবস্থাকে দায়ী করে অনেক আন্দোলন হল। মন্ত্রনালয়ের দপ্তর পাল্টে গেল তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রির। রাস্তার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কিন্তু দুর্ঘটনা রয়েই গেল । আমি বলছিনা রাস্তার খারাপ অবস্থার জন্য দুর্ঘটনা হয়নি। সে কারনেও অনেক দুর্ঘটনা হয়েছে বা হচ্ছে।
আরেকটি কারনের কথা আজ বলব। সেটির সমাধান হওয়া চাই।
তা হল নিয়ন্ত্রনহীন ভুটভুটি-নসিমন। আমি ভুটভুটি-নসিমন উঠানোর পক্ষে নই। এতে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু তাতে সরকারের কোন নিয়ন্ত্রন নেই। তাতে নিয়ন্ত্রন চাই।
আমি কিছু প্রস্তাবনা পেশ করতে করছি।
০১. প্রতিটি গাড়ীর নিজস্ব নম্বর দিতে হবে। তা দিবে স্থানীয় প্রশাসন। তাতে দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যেতে সক্ষম হবেনা। তাছাড়া এ থেকে সরকারের রাজস্ব বাড়বে।
০২. প্রতিটি চালককে একটা স্বপ্লকালীন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করলে তারা ট্রাফিক আইন মেনে চলবে। দুর্ঘটনা কমে আসবে।
০৩.বিকল ইঞ্জিল দিয়ে গাড়ী চালালে বা ফিটনেস বিহীন গাড়ী চালালে জমিমানার ব্যবস্থা করা, তাতে নিয়ন্ত্রন থাকবে।
এছাড়া আরও প্রস্থাবনা আছে। সেগুলো সময়মতা বলব । মোদ্দাকথা হল এ গাড়ীগুলি না উঠিয়ে বরং এগুলো নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে চালানো। তাতে বাসচালক বা মালিকদের একচ্ছত্র দাপট থাকবেনা আবার সাধারণ মানুষ সহজেই কম খরচে কম সময়ে চলাফেরা করতে পারবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


