রবীন্দ্রনাথ রাত্রে রাস্তা ধরে হাঁটছিলেন। মস্ত বড় একটা চাঁদ উঠেছে আকাশে। চারদিকে ফুটফুট করছে জোছনা। মনের আনন্দে তিনি গুনগুনিয়ে গান ধরলেন— এমন চাঁদের আলো /মরি যদি সেও ভালো /সে আলো স্বরগ সমান
হঠাৎ করে যেন আকাশ ফুঁড়েই তার সামনে এসে হাজির হলো তিন -মানুষ-সমান -উঁচু কিম্ভুতকিমাকার এক লোক। তার চেহারা দেখেই তো রবীন্দ্রনাথের আত্মারাম খাঁচাছাড়া হয়ে যাবার জোগাড়।মস্ত বড় নাকের ফুটো দিয়ে ঘড়ঘড় করে নিশ্বাস ফেলে সে বলল— আমি আজরাঈল!
রবীন্দ্রনাথ কাঁপতে কাঁপতে বললেন— কী হেতু এসেছ তুমি, কহ বিস্তারিয়া।
যম দাঁত খিঁচিয়ে বলল— ওই যে তুমি গাচ্ছিলে— মরি যদি সেও ভালো...। তাই এলাম।
রবীন্দ্রনাথের হাঁটুতে-হাঁটুতে ঠকঠক করে বাড়ি খেতে লাগল। তিনি কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন— মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভূবনে /মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




