somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শোধ (একটি মৌলিক ধারাবাহিক থ্রিলার গল্প) খন্ড-০১

২৭ শে আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজমের সাবেক প্রধান আশফাক মাহমুদের সামনে বসে আছে ২২ বছর বয়সী দুর্ধর্ষ আসামী ফয়সাল । আজ ২১শে ডিসেম্বর বিকেল ৪ টা । আশফাক মাহমুদ অল্প অল্প ঘামছেন । যদিও ২৫ বছরের চাকরী জীবনে গোটা বিশেক ইনকাউন্টার , এবং নাম মনে না পড়া কত শত অভিযানের অভিজ্ঞতা । সে সবের সাহসীকতার মাপ কাঠি এই ২২ বছরের যুবকের সামনে ম্লান হয়ে পড়ছে । অযথা ব্লাড প্রেশারের অযুহাতে ঘাম মুছতে মুছতে যুবকের চোখের তাচ্ছিল্যের জবাব দিচ্ছেন তিনি । কিন্তু ফয়সাল ম্লান মুখে হাত দুটো ভাজ করে মাটির দিকে মাথা নিচু করে চুপ চাপ বসে আছে । যতখন না ২০০ ওয়াটের বাল্ব টা ঝট করে জ্বলছে ততখন কারও মুখে কথা নেই ।
বাল্ব জ্বলার পরে আশফাক সাহেব মৃদ কেশে গলা পরিষ্কার করে যেই কিছু বলতে যাবেন সেই তার গলা বসে পড়ছে । যে যুবক এখন পর্যন্ত গোটা বিশেক পুলিশ মার্ডার করেছে ৪ জন স্থানীয় তেজী নেতাকে হত্যা করেছে সেই যুবক কিনা ভাবলেশ হীন ভাবে একমনে ফ্লোরের দিকে তাকিয়ে আছে যা অবিশ্বাস্য । যুবকের চেহারায় পৃথিবীর কোনো ধরণের কোনো অনুভূতি ফুটে উঠছেনা । আসামীর চেহারার ভাষা পড়ার যে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা সব বৃথা যাচ্ছে ।

তারপরেও গুমোট ২০০ ওয়াটের আলোর ভ্যাপসা গরম ঘরে মৃদ কেশে আশফাক সাহেব প্রশ্ন করা শুরু করলেন ।
আশফাক সাহেবঃ তোমার নাম কী ?
যুবকঃ ফয়সাল ।
আশফাক সাহেবঃ প্রথমেই তোমার মুখ থেকেই শুনি কিছু । তোমার জীবনের এমন কিছু গল্প বলো যা এখন তোমার মনে ভাসছে ।
যুবকঃ আমার নাম ফয়াসাল , ফয়সাল আহমেদ । আমি তখন ক্লাস ফোরে পড়ি যখন আমার বাবা মারা যায় । আমাকে লাশ টাও দেখতে দেয়া হয়নি । বাবার প্রতি দেখা মাত্রই গুলি করার অর্ডার দেয়া হয়েছিল , যদিও সে সময় তিনি নিরস্ত্র ছিলেন ।বাবা মাত্র তার প্রিয় চায়ে চুমুক দিচ্ছিলেন মাত্র ।তখন রাশ মেলা চলছিল । ভারত থেকে এবং এ দেশ থেকে লাখো মানুষ জড় হচ্ছিল বাবাও তাদের সাথে লঞ্চে , ট্রাকে-বাসে করে সেদিকেই যাচ্ছিলেন । বাবার প্ল্যান ছিল কোনো রকমে ভারত পালিয়ে যাওয়া শত ভিড়ের মাঝে । বাবা আমাকে আর মাকে আলাদা আলাদা করে চিঠি লিখেছিলেন , বাবা আমাকে বলেছেন উনি আর মন্দ কাজ করবেন না । ভাল হয়ে যাবেন । যখন পুলিশ ওনাকে খোঁজা বন্ধ করে দেবে তখন তিনি ফিরে আসবেন । কিন্তু তা আর হয়নি । প্রত্যন্ত এক গ্রামে বাবাকে হত্যা করা হয় ।
আশফাক সাহেবঃ আমি যতটুকু জানি তোমার বাবাকে সুন্দরবনের ডাকাত রা হত্যা করে । তাও ইচ্ছে করে নয় , গোলাগুলির মাঝে তোমার বাবার গায়ে গুলি লেগে যায় ।
যুবকঃ কিন্তু যারা বাবাকে গুলি করেছিলো তারা পুলিশের তালিকা ভুক্ত দুর্ধর্ষ আসামী ছিল । তারা কি করে একটা গ্রামে প্রতাপের সাথে ঘুরে বেড়ায় ! বাবা তো ভাল হয়ে যেতে চেয়েছিলেন । আচ্ছা আপনি ঘামছেন কেন !
আশফাক সাহেবঃ ঘাম মুছতে মুছতে ! ২০০ ওয়াটের বাল্ব জ্বললে ঘাম তো পাবেই ।
যুবকঃ তবে বাল্ব বন্ধ করুন ।
আশফাক সাহেবঃ না এটা নিয়ম , জিজ্ঞাসাবাদে এটা অপরিহার্য ।
যুবকঃ হ্যাঁ । আপনাদের সিস্টেম (তাচ্ছিল্যের সুরে)
আশফাক সাহেবঃ ওসব বাদ দাও । আরও কিছু বলবে ? নাকি শেষ হয়েছে , আমার অনেক প্রশ্ন করার আছে ।
যুবকঃ না আপাতত থাক । আপনি প্রশ্ন শুরু করুন ।
আশফাক সাহেবঃ এতোগুলো হত্যা কান্ড ঘটানোর পর তুমি পালিয়ে না গিয়ে ধরা কেন দিয়েছো ?
যুবকঃ এ প্রশ্ন সব শেষে করা হউক ।
আশফাক সাহেবঃ আচ্ছা ঠিক আছে । প্রথম খুন কাকে করেছিলে ?
যুবকঃ সবুজ গঞ্জের সাবেক ওসি । দিদারুল মিয়া কে ।
আশফাক সাহেবঃ কারণ ?
যুবকঃ ওই থানা এলাকায় ২০০৩ সালে ঐশী নামে একটি মেয়ে পানিতে পড়ে মারা যায় । বাধ্য হয় সে পানিতে ঝাপ দিতে । ৪ বখাটে ধর্ষণে উদ্যত হয়েছিল। মেয়েটির কিছু করার ছিলনা ।ক্লাস সেভেনে পড়ুয়া মেয়ে ।ওসি সাহেব চেয়ারম্যানের ছেলে সহ বাকি ৩ যুবক কে আটক করেন নি । বিশাল অংকের ঘুষ খেয়েছেন । সাথে ওনার অধিনস্থ সবাই । আমি ভেবেছিলাম ওসি সাহেব কে আপনাদের সিস্টেম ই সাজা দেবে কিন্তু তা আপনারা নিশ্চিত করেন নি , অতএব আইন টা আমার নিজের হাতেই তুলে নেয়া দরকার ছিল ।
আশফাক সাহেবঃ এসবের জন্য তোমাকে কেন ভাবতে হবে ? তোমার এতো দায় কেন ?
যুবকঃ যে সিস্টেমের জন্য আমার বাবাকে খুন হতে হয়েছে সে সিস্টেমকে কেন সব স্থানে প্রয়োগ করা হবেনা ! আর যদি প্রয়োগ না হয় তবে আমিই প্রয়োগ করেছি । এখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছি তাই ধরা দিয়েছি আপনার কাছে ।
আশফাক সাহেবঃ কিন্তু তুমি এতোগুলো মার্ডার কিভাবে করলে ? ধরা কেন পড়োনি ? কিভাবে ওসি সাহেব কে খুন করেছিলে ?
যুবকঃ সে অনেক বড় লম্বা কাহিনী । প্রায় দু বছরের প্ল্যান । এবং সাথে আছে একাগ্রতা আর টাকা ।
আশফাক সাহেবঃ টাকা কোথায় পেলে ।
যুবকঃ ব্যাংক ডাকাতি । ঢাকা আরাফাত ব্যাংক ।
আশফাক সাহেবঃ বিস্ফোরিত চোখে ! কি ! ওটা তুমি ছিলে ? আড়াই বছর ধরে শুধু সে ব্যাংক চোর কে ধরার জন্য পুলিশের ২২ জন স্পেশাল সদস্য কাজ করে চলছে আর এখানে .........
যুবকঃ অতটা বিস্ময় প্রকাশ করার প্রয়োজন মনে করছিনা । ব্যাপার টা অনেক সিম্পল ছিল । সস্তা বিল্ডিং এ ব্যাংকের শাখা ভবন ভাড়া নেয়া হয় । ভল্ট রুমের দেয়াল মাত্র এক পরদ ইটের চাদরে ঢাকা ছিল । রাত তিনটায় ভল্ট রুমের পেছনের দেয়ালে ৫ টা ডেটনেটর স্থাপন করেছি । দেয়ালের হাজারো টুকরো যখন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তখন পাশের মসজিদে আজান শুরু হয় । আরও ৫ টা মাইক বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করেছি । আজানের উচ্চ শব্দে এলাকা বাসি কিছু টের পায়নি । কাছের যারা টের পেয়েছিল তারা পাত্তা দেয়নি । বর্ষা কাল ভেবেছিল বাজ পড়েছে । উত্তরা থেকে সিটি কর্পোরেশনের ক্রেণ ট্রাক আগেই চুরি করেছিলাম সন্ধ্যায় , পরের তিন দিনেও কর্পোরেশনের লোক টের পায়নি ওটা খোয়া গিয়েছে । ঝালাই মেশিন দিয়ে ভল্ট ওখানেই ঝালাই করে আটকে নেই ক্রেণের সাথে । তারপর উত্তরার আপনাদের ময়লার বড় ভ্রাম্যমাণ ডাস্টবীনের ভেতর ভল্ট টা ফেলে আপনাদের সামনেই নিয়ে ঢাকা থেকে বেরিয়ে যাই । তারপর এক ঘন্টা রিসার্চ করি কোন থানার ওসি সব চেয়ে বেশি দুর্নীতি বাজ । খবর পাই সবুজ বাগ থানার সেই সাবেক ওসি । তখন উনি চিটাগং পাচলাইশের ওসি । প্রথমেই ওনাকে কিনে নেই । বেচারা একটু তদন্ত অ করে দেখেনি আমি এতো টাকা কোথায় পেলাম । চিটাগং এ দেহ ব্যবসার নাম করে ২০ লাখ টাকা ওনার ঠিকানায় লোক মারফত টাকা পাঠাই আর আন্তর্জাতিক দেহ ব্যবসার নাম ভাঙিয়ে ক্রমাগত টাকা পাঠাতে থাকি আর সম্পর্ক উন্নয়ন করি । তখন পর্যন্ত আমি আড়ালেই থাকি । কিন্তু মাঝ পথে যখন জানতে পারি ওনার মুখ থেকেই ঐশীর ব্যাপার টা তখন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারিনা । পকেটে থা ১৯-এম এম দিয়ে গুলি করে দেই রাঙামাটির নির্জন পাহাড়ে । যেহেতু উনি আমার ওপর অনেক আস্থা নিয়ে ফেলেছিলেন । আনি ওনাকে বলেছিলাম আমাদের দেখা হওয়ার ব্যাপারটা উনি ছাড়া যেন আর কেউ না জানে । তাই পুলিশ আমাকে খুঁজে বের করতেও পারেনি । ব্যাপারটা অত কঠিন কিছু নয় ।
আশফাক সাহেবঃ তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে তুমি আগে থেকেই ওনাকে খুন করতে প্রস্তুত ছিলেনা , তাহলে কেন শুধু শুধু টাকা পাঠাচ্ছিলে অবৈধ দেহ ব্যাবসার নাম করে?
কেন সম্পর্ক উন্নয়ন করছিলে ?
যুবকঃ প্রথমত আমার ইচ্ছে ছিল শহরের রাঘব বোয়ালদের হাতে নেয়ার । আমি নিয়ে ফেলেছিও । কেউ আমাকে চিনেনা এখনো কিন্তু আমার কন্ঠটার কাছেই এখনো সবাই জিম্মি । আমি প্রথমে প্ল্যান করেছিলাম যেসব মেয়েরা ইচ্ছে না থাকা সত্বেও দেহ ব্যবসায় জড়িত তাদের পুনর্বাসন করতে । এবং প্রায় হাজার খানেক নারী কে পুনর্বাসন করে ফেলি অলরেডি । সেই সাথে দেহ ব্যাবসা চালু থাকে সেখান থেকে যে প্রফিট আসতো তাই দিয়ে ওদের পুনর্বাসন হতো । নতুন মেয়ে আনা হতোনা । শহরে নতুন মেয়ে এসবে নামলে অথবা পাচার হয়ে বাধ্য হয়ে আসলে আমি তাদের কিনে ফেলতাম আর পুনর্বাসন করতাম । কিন্তু যখন সবুজ গঞ্জের ওসির ব্যাপারে ডিটেইলস জানি তখন রাগে গা রি রি করছিলো । নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনি । ওসির মৃত্যর পর আমার দেহ ব্যাবসার চেইন টা ভেঙ্গে পড়ে , নতুন ব্যবসায়ী রা আমার ক্লাব গুলো একেরত পর এক পুলিশের মাধ্যমে বন্ধ করে দেয় । ওদিকে ভল্টের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন ওসিকে ও কিনতে পারিনি । মেয়েদের উদ্ধার করার মিশন আর পসিবল ছিলনা তাই একের পর এক দুর্নীতি বাজ পুলিশ অফিসার দের হত্যা করা শুরু করি । আমি জানি আমি যা করেছি তা সব ভুল । কিন্তু এই সিস্টেমই আমাকে বাধ্য করে এসব করতে । এ সিস্টেমের কারণে বাবা মারা যায় , মা আত্মহত্যা করে । এখন আমার জীবনে কিছু নেই করার তাই এসবই আমার সম্বল । যার কিছু নেই যার কোনো আশা নেই যে কিনা সু বিচার পায়না তাকে আমার সব টুকু উজাড় করে দিতে হয় । আমি আমার জীবনে এসব করেই শান্তি পাই । খুন আমার রক্তে মিশে আছে । খুন করেই আমার স্বস্তি ।



আশফাক সাহেবের মাথা ধরছে , ২০০ ওয়াটের বাল্ব নিভিয়ে চুরুটের প্যাকেট থেকে এক শলাকা নিয়ে ঠোঁটে পুড়লেন , গুমোট অন্ধকার ঘরটাকে তামাকের ধোয়ায় আচ্ছন্ন করে ফেললেন । যুবক শুধু ভাবলেশ হীন ভাবে হাত দুটো ভাজ করে মেঝেতে তাকিয়ে আছেন । আশফাক সাহেব এখনো যুবকের চোখে কোনো অনুভূতির লেশ মাত্র দেখতে পাচ্ছেন না ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:০৮
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

খোঁজা সম্প্রদায়

লিখেছেন কিরকুট, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭

হিন্দু লোহানা জাতি থেকে ধর্মান্তরিত হয়েছিল খোঁজা সম্প্রদায়।মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এই খোঁজা সম্প্রদায়ের মুসলিম ছিলেন এবং শিয়া গোষ্ঠীর আশারি সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। খোঁজাদের বিশ্বাস এবং ধ্রমীয় আচার-আচরণ সহজে কোন পরিচিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×