
এখন কার দিনে এ প্লাস পাওয়া অনেক সহজ । তিন মাসের কোর্স শুধু সাজেশন মুখস্ত করলেই এ প্লাস । কিন্তু যে ছেলে,মেয়ে শর্ট কাট ওয়ে তে না গিয়ে বই খুটিয়ে খুটিয়ে পড়ে এ প্লাস পায় তারাই এক সাথে চুয়েট,বুয়েট, মেডিকেল, ঢাবি, চবিতে টিকে যায় এবং তারা বেছে নেয় কোনটা তে পড়বে তারা । আর তারা এক স্থানে ভর্তি হওয়ার পরে অন্যান্য ওয়েটিং এ থাকা শর্ট কাট ওয়েতে এ প্লাস পাওয়ারা ভর্তি হওয়ার হালকা চান্স পায় ।
আমাদের সময়ে জিপিএ ৩ পেলে প্রথম আলোতে খবর আসতো । ক্লাস সেভেন এইটের কথা বলছি । "গরীব মেধাবি ছাত্রী সৎ মায়ের ঘরে অত্যাচার সত্যেও জিপিয় ৩.২৫ ।
আর এখন জিপিএ ৫ ছাড়া গোনার টাইম নাই । কিন্তু এখানে একটা কিন্তু আছে । যে ছেলে টা অথবা মেয়েটা কোচিং সাজেশন না পড়ে ওই জিপিএ ৩ পায় তার কাছে শর্ট কাট ওয়েতে জিপিএ পাওয়াদের দাম নেই । চাকরী ক্ষেত্রে নিজেদের সৃজনশীলতা দেখানোর সামরথ রাখে কোচিং সাজেশন না পড়ুয়ারা । আর শর্ট কাট জিপিএ পাওয়ারা সারা জীবন অন্যকে অনুসরন করার চেষ্টা করে । নিজের কোনো উদ্ভাবনী শক্তি থাকেনা ।
আজ দেখলাম ২০০৯ সালে জিপিএ ৩.২৫ পাওয়া লোক টা এখন নেতৃত্ব দেয় শর্ট কাট ওয়েতে জিপিএ ৫ পাওয়া লোকদের ।
মূলত ছাত্র জীবন শুধু জিপিএ ৫ পাওয়ার জন্য নয় , বর্তমান ছাত্র জীবনের মূল উদ্দেশ্য সৃজন শীলতা অর্জন করা । কেননা এই যুগে কপি পেস্টের যুগ নয় । নিজের ভেতরের স্বত্বা কে বের করে কাজে লাগানোই টাই চ্যালেঞ্জ । যা সবাই পারেনা । যা পারে ওই ছেলে আর মেয়েটাই যে সাজেশনের ওপর নির্ভর করেনি । অন্ধকারে ঢিল মেরে যতটুকু পারুন পড়ুন , সাজেশন দিয়ে এ প্লাস পাবেন আর কোথাও চান্স পাবেন না । চাকরী ক্ষেত্রেও উন্নতি পাবেন না এই জিপিএ ফাইভ দিয়ে লজ্জ্বা ছাড়া কিছু পাবেন না ।
বিঃদ্রঃ এটা শুধুই আমার মতামত । ভুল বলে থাকলে আপনার মতামত ও জানাবেন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

