রোযার জন্য সাহরী খাওয়া উত্তম তবে কেউ যদি সাহরী খাওয়ার সুযোগ না পান তবুও তার রোযা হয়ে য়াবে।
কোন ব্যক্তি রমযানে সফরে থাকলে ও রোজা রাখা কষ্টকর হলে রোযা না রাখা জায়েজ।পরবর্তী সময়ে সেই রোযার কাজা আদায় করতে হবে।
মহিলাদের হায়েজ ও নিফাস কালে রোযা রাখা জায়েজ নেই পরে সেই রোযার কাজা আদায় করতে হবে।
অসুস্থ ব্যক্তি রোযা রাখলে অসুখ বেড়ে গিয়ে মারাত্মক আকার ধারন করার আশংকা থাকলে রোযা না রাখা জায়েজ।পরে সেই রোজার কাযা আদায় করতে হবে।
এমন বৃদ্ধ ব্যক্তি যার পক্ষে রোযা রাখা সম্ভব নয় তিনি রোযা না রেখে ফিদইয়া দেবেন।
ফিদইয়া হচ্ছে কোন মিসকীনকে প্রতিটি রোযার জন্য দুই বেলা খাওয়ানো কিংবা খাদ্যদ্রব্য প্রদান।
অযু গোসলের সময় গলায় পানি ঢুকলে রোযা নষ্ট হয়ে যাবে।রোযার কাযা আদায় করতে হবে।
স্বপ্নদোষ হলে রোযা নষ্ট হয় না।
রোযাদার ভুলে কিছু খেয়ে ফেললে বা পান করলে রোযা নষ্ট হয় না।
আরো বহু মাসআলা রয়েছে।সঠিকভাবে রোযা পালনের জন্য নিয়মগুলো জানা ও মানা জরুরী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



