somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের "শিরোনামহীন" খুজে পাওয়া আত্বার নতুনত্য বিশ্লষণ।

০৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৮:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সাধারনত একটি গানে কথা,সুর,বাদ্যযন্ত্র এই তিনটি উপাদান থাকবেই, কিন্তু কথার মাঝে লুকিয়ে থাকা তত্বটা আমরা গান শুনে অনুধাবন করতে পারবো না।
তার জন্য যেতে হবে আমাদের আরও গভীরে, সুরোরস অবগাহনের চাইতেও তত্বমধুর অনুসন্ধান অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ।
লালনের যারা বক্তবৃন্দ আছি তারা অন্তত এই বিষয়টিতে বিশেষ অবগত আছি।
যাইহোক আজকের আলোচনার বিষয় ব্যান্ড "শিরোনামহীন"
শিরোনামহীন বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য ব্যান্ড, ১৯৯৬ সালে এ ব্যান্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁরা ক্লাসিকাল এবং ফোঁক ধাঁচের গান রক স্টাইলে করে থাকেন।
এই পর্যন্ত তাদের করা পাঁচটি এ্যালবামের পাঁচটিতেই তারা সফল।
প্রায় প্রত্যেকটি গানেই প্রাধান্য পেয়েছে অসাধারন সুর এবং মনোমুগ্ধকর তত্ত্ব।
উইকিপিডিয়া লিংক
এরই মধ্যে আমন্ত্রিত হলেন আমাদের সবার প্রিয় ভোকাল তানযির তুহিন
যিনি শুধু একজন শিল্পি নন গুনি একজন মানুষও বটে। তাঁর কন্ঠের দীপ্ততা চির তারুণ্যের উদাহরন। মুলত তারই গাওয়া প্রথম এ্যালবাম জাহাজী
এই এ্যালবামের মাধ্যমেই তিনি তথা শিরোনামহীন খুজে পেয়েছে অসংখ্য শ্রোতার ভালবাসা আর সুর সাগরের প্রান্তর। অবশ্য এ্যালবাম বের করার আগে তারা লাইভ শো করতেন।
সৃজনশীলতায় এগিয়ে থাকা এসব মানুষদের জন্যই আমাদের সংগীত এতটা রীচ এতটা সফল।



এজন্য "শিরোনামহীন" এর করা রবিন্দ্রনাথ এ্যালবামই যথেষ্ঠ।
রবিন্দ্রসংগীতের নতুনত্বে ভক্তরা সবাই অভিভূত হয়েছে।

এবার আসি আমাদের আমাদের প্রিয় জিয়া ভাইয়ের কথায়....
শিরোনামহীন মূলত ১৯৯৬ সালে জিয়া ভাই, জুয়েল ভাই এবং বুলবুল ভাই মিলে প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৩ সালে যুক্ত হন তুহিন ভাই। ৯০এর দশকের শুরুর দিকে তারা মিউজিক নিয়ে গবেশনা শুরু করেন, ১৯৯২ সালে তাদের থ্রাশ হোল্ড নামে থ্রাশ মেটাল ঘরণার একটি ব্যান্ড দল ছিল, আর তাই ছিল মূলত শিরোনামহীন এর সুতিকাঘার। শিরোনামহীন এর প্রধান সুর সম্পাদক আমাদের প্রিয় জিয়া ভাই


এর পরেই আসি আমাদের পরিশ্রমী এবং হাতের কাঠিতে ঝংকার তোলা ড্রামার আহমেদ সাফিন ভাইয়ের কথায়, সে যদি না থাকতো এক কথায় বলবো শিরোনামহীন এর অপূর্রনতা থেকে যেত।
বাকি দুজন আমাদের গিটারবোদ্ধা দিয়াত ভাই এবং কি-বোর্ড যোদ্ধা রাসেল ভাই এদের সাবার সম্মিলিত প্রচেস্টাই আমাদের শিরোনামহীন।



শিরোনামহীন এর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে তারা বানিজ্যক ধাঁচের গান খুব কমই করেছেন, আর এজন্যই তাদের বিশ বছরের ক্যারিয়ারে মাএ পাঁচটি এ্যালবাম রিলিজ হয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তারা আন্ডারগ্রাউন্ড প্র্যাকটিসটাই বেশি করেছেন। দীর্ঘ আট বছর সাধনার পরে তারা এ্যালবাম প্রকাশ করেন, যা আজকের বাজারে বিরল।
আজ কালকের কিছু কিছু শিল্পিরা গান শেখার আগে মিউজিক ভিডিও বের করেন, আর এই কারনেই কিছুদিন পর সার্চ লাইট দিয়েও তাদের খুজে পাওয়া যায়না। গান যে একটা সাধনার বিষয় তারা তা মানতে নারাজ।
তুহিন ভাইয়ের লাইভ দুটি গানের লিংক দিলাম গান দুটি শুনে আমি এতটাই অবিভুত হয়েছি যে মনে হল তিনি সব ক্ষেএেই উজ্জল।
Tumi ki dekhecho kobhu

Nill Doria
শিরোনামহীন এর কথা নতুন কোন উপমায় উপস্হাপন করতে চাচ্ছিনা।
শুধু এতটুকুই বলবো পাশে আছি বন্ধু..........
তুমি চেয়ে আছো তাই আমি পথে হেটে যাই............
শিরোনামহীন এর ওয়েব লিংক

ইউটিবের কিছু অসাধারন ভিডিও লিংক
ফেসবুক ফ্যানপেজ
আমার কথাগুলো হয়তো সাধারন, আপনারা হয়তো আমার চাইতে অনেক বেশী যেনে থাকতে পারেন, আমি শুধু উপস্থাপন করেছি মাএ।





সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪৯
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গণজাগরণের ১৩ পেরিয়ে আজও অনিশ্চিত বাংলাদেশ ‼️ প্রজন্মের ভুল পথে চলা .....!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪৫


গণজাগরণ মঞ্চের শুরুটা খুবই অকল্পনীয় ছিল/ ব্লগারদের অতি ক্ষুদ্র একটি অংশ হঠাৎ করেই ডাক দিয়েছিলো। মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের বিচার সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা সংকটের কারণেই ছিলো এই জাগরণ।আমারও সৌভাগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

জামাত কি আদতেই বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে?

লিখেছেন এমএলজি, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

স্পষ্টতঃই, আসন্ন নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি এবং জামাত। দুই পক্ষের কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে যেমন সক্রিয়, একইভাবে ফেইসবুকেও সরব।

বিএনপি'র কিছু কর্মী বলছে, জামাত যেহেতু ১৯৭১-এ স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ্‌কে কীভাবে দেখা যায়?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

যে কোন কিছু দেখতে হলে, তিনটি জিনিসের সমন্বয় লাগে। সেই জিনিসগুলো হচ্ছে - মন, চোখ এবং পরিবেশ। এই তিন জিনিসের কোন একটি অকেজো হয়ে গেলে, আমরা দেখতে পারি না। চিন্তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শতরুপা

লিখেছেন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২

তুমি কি কোন স্বপ্ন রাজ্যের পরী?
কিভাবে উড়ো নির্মল বাতাসে?
ঢেড়স ফুলের মতো আখি মেলো-
কন্ঠে মিষ্টি ঝড়াও অহরহ,
কি অপরুপ মেঘকালো চুল!
কেন ছুঁয়ে যাও শ্রীহীন আমাকে?
ভেবে যাই, ভেবে যাই, ভেবে যাই।
তুমি কি কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূমি-দেবতা

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৩


জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বে ভাইয়ে ভাইয়ে
মারামারি-কাটাকাটি-খুনোখুনি হয়;
শুধু কি তাই? নিজের বোনকে ঠকিয়ে
পৈতৃক সম্পত্তি নিজ নামে করে লয়।
অন্যদের জমির আইল কেটে নিয়ে
নিজেরটুকু প্রশস্ত সময় সময়;
অন্যদের বাড়ি কব্জা- তাদের হটিয়ে
সেখানে বানায় নিজেদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×