somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

গৃহযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র পুনর্গঠন -- শেষ পর্ব

১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৮৬৬ কংগ্রেস ফ্রীডম্যান'স ব্যুরো এবং সিভিল রাইটস বিল পাস করে প্রেসিডেন্ট জনসনের কাছে স্বাক্ষরের জন্য পাঠায়। ফ্রীডম্যান'স ব্যুরোর কাজ ছিল অভিবাসী ও মুক্ত দাসদের পুনর্বাসনে সাহায্য করা, আর সিভিল রাইটস আইনটার উদ্দেশ্য ছিল জন্মসূত্রে আমেরিকান নাগরিকদের আইনগত সমান অধিকার প্রদান। প্রেসিডেন্ট জনসন দুইটা আইনেই ভেটো প্রদান করলে কংগ্রেসের সাথে প্রেসিডেন্টের সম্পর্ক চূড়ান্ত অবনতি ঘটে। ১৮৬৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জনসনকে তার পদ থেকে অপসারণ করে।

১৮৬৮ সালে ইউলিসিস এস. গ্রান্ট যুক্তরাষ্ট্রের ১৮শ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর কংগ্রেসের পুনর্গঠন নীতিমালাকে সমর্থন করেন। আফ্রিকান আমেরিকানদের স্বার্থরক্ষার জন্য কংগ্রেস এনফোর্সমেন্ট এক্টস পাস করে। এই আইন বলে প্রেসিডেন্ট গ্রান্ট কু ক্লাক্স ক্লান (Ku Klux Klan) কে দমন করতে সক্ষম হন। কিন্তু পুনর্গঠন প্রশ্নে রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব নিরসন করা সম্ভব হয়নি। রিপাবলিকান পার্টির রক্ষণশীলরা ডেমোক্রেটিক পার্টির সহায়তা নিয়ে পুনর্গঠনে প্রবল বিরোধিতা করতে থাকে। কার্পেটবেগারদের (carpetbagger) ব্যাপক দুর্নীতি, রাজ্যগুলিতে অতিরিক্ত রাজস্ব ব্যয় এবং অতিরিক্ত করের চাপ এই সমস্ত ইস্যুতে তারা সোচ্চার ছিল। ডেমোক্রেটিক পার্টি, যারা পুনর্গঠনের বিরোধিতা করছিলো, ১৮৭৪ সালের নির্বাচনে হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভে সংখ্যাগরিষ্টতা অর্জন করে। আমিরিকার ইতিহাসে এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া একটা গুরুত্বপর্ণ ঘটনা। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়েছে। এই লেখকের ব্যক্তিগত অভিমত, পুনর্গঠন প্রক্রিয়া পুরাপুরি সফল হয় নাই। যার ছায়া সমাজে দেখা যায়।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৫৫
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগ কি জরুরি ছিল?

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২২



'...শুন্যে দিলাম উড়ারে ভাই যাইতে চান্দের চর,
ডানা ভাইঙ্গা পড়লাম আমি কইলকাত্তার উপর ।
তোমরা আমায় চিনোনি... '

পাকিস্তানের জাতীয় কবি আল্লামা ইকবাল-
তার বাবাকে কথা দিয়েছিলেন তিনি কবিতা লেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

শরিয়াতন্ত্রের নিষ্ঠুরতা, ধর্মীয় উগ্রবাদ ও নৈতিক দেউলিয়াপনা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৭


পৃথিবীজুড়ে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা বাড়ছে। এই বিদ্বেষ শুধু ইসরায়েল বা তার পৃষ্ঠপোষক ডানপন্থী দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কানাডার মতো তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী এবং ফিলিস্তিনের প্রতি জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন থাকা আয়ারল্যান্ডের মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×