somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা-২২

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৩শ সংশোধনী
ধারা ১। অপরাধের জন্য যথাযথ ভাবে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে সাজা ব্যতীত যুক্তরাষ্ট্রে বা তাদের আওতাধীন কোন স্থানে দাসপ্রথা বা অনৈচ্ছিক চুক্তিভিত্তিক চাকরির প্রথা থাকতে পারবে না।
ধারা ২। এই সংশোধনীকে বলবত করার জন্য কংগ্রেসের আইন প্রণয়ন করার ক্ষমতা থাকবে।

ভাষ্য
সংবিধানের ১৩শ সংশোধনী ১৮৬৫ সালের ৩১ জানুয়ারি কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৮৬৫ সালের ৬ ডিসেম্বর তা অনুমোদিত হয়।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রে এবং এর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলিতে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করা হয়।

১৪শ সংশোধনী
ধারা ১। যুক্তরাষ্ট্রে এবং এর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাতে যারা জন্মগ্রহণ করেছে বা ন্যাচারাইজড হয়েছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের এবং যে রাজ্যে তারা বাস করে সেই রাজ্যের নাগরিক। কোন রাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অধিকার বা দায়মুক্তিকে রোহিত করে কোন আইন প্রণয়ন বা বলবত করতে পারবে না; অথবা আইনের যথাযথ প্রয়োগ ছাড়া কোন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, বা সম্পত্তির অধিকার বঞ্চিত করতে পারবে না; অথবা কোন ব্যক্তির আইনের আশ্রয় লাভ করার সমান অধিকারকে অস্বীকার করতে পারবে না।

ভাষ্য
সংবিধানের ১৪শ সংশোধনী ১৮৬৬ সালের ১৩ জুন কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৮৬৮ সালের ৯ জুলাই তা অনুমোদিত হয়।
এই ধারায় চারটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বর্ণনা করা হয়েছে --
(১) যারা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করবে তারা নিশ্চিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অর্থাৎ জন্মসূত্রে আমেরিকান নাগরিক।
(২) কোন রাজ্য তার এলাকায় বসবাসকারী কোন ব্যক্তির যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার অধিকারকে কেড়ে নিতে পারবে না। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত কোন রাজ্যের বসবাসরত নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে গণ্য হবে।
(৩) প্রতিটা নাগরিককে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
(৪) প্রতিটা নাগরিককে একই ধরণের আইনের সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে।

ধারা ২। প্রতিনিধিগণ রাজ্যগুলির মধ্যে নিজ নিজ সংখ্যার হিসাবে বিভাজিত হবেন, যেসব ইন্ডিয়ান কর দেয় না, তাদের বাদ দিয়ে প্রত্যেক রাজ্যের মোট জনসংখ্যা গণতে হবে। কিন্তু যখন ওই রাজ্যের কোন পুরুষ অধিবাসীর যার বয়স একুশ বছর, এবং যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিক বা কোন কারণে অধিকার খর্ব করা হয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহে অংশ নেয়ার জন্য বা অন্য কোন অপরাধে অংশ নেয়ার কারণ ব্যতীত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ইলেক্টর্স, কংগ্রেসের প্রতিনিধি, রাজ্যের নির্বাহী এবং বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, বা তাদের বিধানসভার সদস্য নির্বচনের ভোট দেয়ার অধিকার অস্বীকার করা হবে, তখন আনুপাতিক হরে প্রতিনিধিত্বের ভিত্তি কমান হবে, সেই ক্ষেত্রে ওই রাজ্যের একুশ বছর বয়সের পুরুষ নাগরিকদের সংখ্যা মোট সংখ্যা হিসাবে গণ্য হবে।

ভাষ্য
এই ধারার দ্বারা মূল সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১ ধারা ২ দফা ৩ কে সম্পূর্ণভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। দাসপ্রথা বাতিলের পর ১৩শ এবং ১৪শ সংশোধনীর মাধ্যমে ২১ বছর বয়সী সকল পুরুষকে ভোটাধিকার প্রদান করা হয়। পরে আবারো সংবিধান সংশোধন করে মহিলাদের ভোটাধিকার প্রদান করা হয় এবং ভোটারের বয়স ১৮ বছরে কমানো হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৩৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বাষ্ট্রপতি নির্বাচন নাকি রাষ্ট্রীয় খরচে তামাশা!!!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)


নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গজব পরিস্থিতি দেশের: বিদ্যুৎ নেই বিল ডাবল

লিখেছেন অর্ক, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭



হাহাকার পড়ে গেছে দেশে। গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট চরম আকার নিয়েছে, নিচ্ছে। একদিকে বিদ্যুৎ নেই, অপরদিকে ভূতুড়ে বিল। অদ্ভুত ব্যাপার। বিদ্যুৎ নেই, নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে, স্বাভাবিকভাবেই বিল কম হওয়ার কথা। সেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভাড়াটে কান্নাকারী

লিখেছেন রাজসোহান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



লোকে ভাবে আমরা কান্না বিক্রি করি। আমরা কান্না বিক্রি করি না। আমরা শব্দ বিক্রি করি।

শোকসভায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নীরবতা। বক্তা বক্তৃতা শেষ করে বসে পড়লেন, পরের বক্তা এখনো মাইকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×