১৫শ সংশোধনী
ধারা ১। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভোট দেয়ার অধিকারকে জাতি, বর্ণ বা আগে দাস ছিল এই কারণে যুক্তরাষ্ট্র বা কোন রাজ্য অস্বীকার বা খর্ব করতে পারবে না।
ধারা ২। এই অনুচ্ছেদকে বলবত করার জন্য কংগ্রেসের উপযুক্ত আইন প্রণয়ন করার ক্ষমতা থাকবে।
ভাষ্য
সংবিধানের ১৫শ সংশোধনী ১৮৬৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৮৭০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা অনুমোদিত হয়।
দাসপ্রথা বিলুপ্তর পর সংবিধানের এই সংশোধনীর মাধ্যমে স্পষ্টভাবে আগে যারা দাস ছিল তাদেরকে ভোট প্রদানের অধিকার প্রদান করা হয়। প্রকৃত পক্ষে সংবিধানের এই সমস্ত সংশোধনীর মাধ্যমেই কালোরা ভোটের অধিকার ফিরে পায় নাই। নানান ভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এই সমস্ত সংশোধনী সত্ত্বেও কালোরা ভোটার অধিকার পায় নাগরিক আন্দোলনের পর মাত্র ১৯৬০ এর দশকে।
১৬শ সংশোধনী
রাজ্যগুলির মধ্যে ভাগাভাগি এবং আদমশুমারি বা সংখ্যা গণনা ছাড়াই আয়ের উপর, যে সূত্র থেকে আসুক না কেন, কর আরোপ এবং আদায় করার ক্ষমতা কংগ্রেসের থাকবে।
ভাষ্য
সংবিধানের ১৬শ সংশোধনী ১৯০৯ সালের ২ জুলাই কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৯১৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা অনুমোদিত হয়।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে আয়কর আদায়ের আধুনিক পদ্ধতি প্রচলন করা হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে মূল সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১ এর ৯ ধারা পরিবর্তন করা হয়। এই সংশোধনীর আগে রাজ্যগুলির জনসংখ্যার অনুপাতে মাথাপিছু কর ধার্য করা হতো।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




