somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা-২৪

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৭শ সংশোধনী
প্রতি রাজ্য থেকে ঐ রাজ্যের জনগণের সরাসরি ভোটে ছয় বছরের জন্য নির্বাচিত দুইজন করে সিনেটর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট গঠিত হবে; এবং প্রত্যেক সিনেটরের একটি করে ভোট থাকবে। রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিরাই এই নির্বাচনে ভোটার হিসাবে গণ্য হবে।

যখন সিনেটে কোন রাজ্যের প্রতিনিধির পদ শূন্য হবে, সেই রাজ্যের নির্বাহী কর্তৃপক্ষ ওই শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচনী প্রজ্ঞাপন জারি করবেন: তবে শর্ত থেকে যে, কোন রাজ্যের আইনসভা এই মর্মে নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সাময়িক ভাবে কাউকে নিয়োগ দিতে পারবেন।

এই সংশোধনী এই সংবিধানের বৈধ অংশে পরিণীত হওয়ার আগে যারা সিনেটর হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নির্বাচন বা পদের মেয়াদ এই সংশোধনী দ্বারা প্রভাবিত হবে না।


ভাষ্য
সংবিধানের ১৭শ সংশোধনী ১৯১২ সালের ১৩ মে কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৯১৩ সালের ৮ এপ্রিল তা অনুমোদিত হয়।

এই সংশোধনীর দ্বারা সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদের ৩ ধারার ১ম দফা সম্পূর্ণ ভাবে এবং ২য় দফা আংশিক ভাবে পরিবর্তন হয়।

প্রত্যেক রাজ্য থেকে দুইজন করে সিনেটর থাকবে। ৫০টা রাজ্য থেকে মোট ১০০ জন সিনেটর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট গঠিত। সিনেটররা জনগণের সরাসরি ভোট নির্বাচিত হবেন। মূল সংবিধানে সরাসরি ভোটের বিধান ছিল না। তখন প্রত্যেক রাজ্যের আইনসভার মাধ্যমে ঐ রাজ্যের সিনেটর নির্বাচিত হতো। সংবিধানের ১৭ তম সংশোধনীর মাধ্যমে সরাসরি ভোটার মাধ্যমে সিনেটর নির্বাচনের বিধান করা হয়।

সিনেটরদের পদের মেয়াদ হবে ছয় বছর। সিনেটে প্রত্যেক সিনেটর একটা করে ভোট দিতে পারবেন। রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনে যারা ভোটার তারাই সিনেট নির্বাচনের ভোটার হিসাবে গণ্য হবেন।

কোন সিনেটরের পদ খালি হলে, তিনি যে রাজ্য থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন সেই রাজ্যের নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, মানে ওই রাজ্যের গভর্নর নতুন নির্বাচনের ঘোষণা দিবেন। কোন রাজ্যের আইনসভা ইচ্ছা করলে গভর্নরকে এমন ক্ষমতা দিতে পারে যে, জনগণের সরাসরি ভোট নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত গভর্নর অস্থায়ী ভাবে একজনকে সিনেটর হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন। এর উদ্দেশ্য হল নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সিনেটে ঐ রাজ্যের সিনেটরের পদ খালি থাকবে না। অর্থাৎ সবসময় সিনেটে রাজ্যের প্রতিনিধি থাকবে।

১৮শ সংশোধনী

ধারা ১। এই অনুচ্ছেদ অনুমোদিত হওয়ার এক বছর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিতর পানীয় হিসাবে মাদকদ্রব্য উৎপাদন, বিক্রয় বা পরিবহন, আমদানি বা যুক্তরাষ্ট্র থেকে রফতানি নিষিদ্ধ থাকবে।
ধারা ২। কংগ্রেস এবং রাজ্যগুলির একই রকম ক্ষমতা থাকবে উপযুক্ত আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই অনুচ্ছেদ বলবত করার।
ধারা ৩। কংগ্রেস থেকে পাস হওয়ার সাত বছরের মধ্যে রাজ্যগুলির বিধানসভায় এই অনুচ্ছেদ অনুমোদিত না হলে তা অকার্যকর হয়ে যাবে।

ভাষ্য
সংবিধানের ১৮শ সংশোধনী ১৯১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৯১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি তা অনুমোদিত হয়।

যে উদ্দেশ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তা ব্যর্থ হয়। ফলে ১৯৩৩ সালের ৫ ডিসেম্বর সংবিধানের ২১শ সংশোধনীর দ্বারা এই বিধান বাতিল হয়ে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইশ্বর ও ধর্ম নিয়ে পাদ্রির লেখা ৪ হাজার পাতার স্বীকারোক্তি!

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬

১৭২৯ সালের এক শীতের সকালে ফ্রান্সের এক ছোট্ট গ্রামের ক্যাথলিক পাদ্রি জাঁ মেসলিয়ার (Jean Meslier) মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর ঘর থেকে উদ্ধার হয় হাজার হাজার পাতার এক গোপন পাণ্ডুলিপি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বাষ্ট্রপতি নির্বাচন নাকি রাষ্ট্রীয় খরচে তামাশা!!!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)


নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভাড়াটে কান্নাকারী

লিখেছেন রাজসোহান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



লোকে ভাবে আমরা কান্না বিক্রি করি। আমরা কান্না বিক্রি করি না। আমরা শব্দ বিক্রি করি।

শোকসভায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নীরবতা। বক্তা বক্তৃতা শেষ করে বসে পড়লেন, পরের বক্তা এখনো মাইকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×