১. প্রাচীন মিশরীয়রা বাড়িতে শুধু মাত্র বিড়াল পালন করতো না, তারা আদর করে বিড়ালকে সোনার অলঙ্কার পড়াত এবং মাঝে মাঝে তাদের নিজেদের খাবারের প্লেট থেকে বিড়ালকে খেতে দিতো।
২. প্রায় ৮ হাজার বছর আগে মিশরে বিড়াল পোষা শুরু হয়।
৩. প্রথম দিকে ইঁদুর, সাপ এবং বিচ্ছুদের উপদ্রব থেকে বাড়িকে রক্ষা করার জন্য বিড়াল পোষা শুরু হয়।
৪. বাসগৃহগুলিকে ইঁদুর, সাপ এবং বিচ্ছুদের উপদ্রব থেকে রক্ষা করা এবং মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকার বৈশিষ্ট্য থেকে প্রাচীন মিসরীয়রা বিড়ালকে দেবী হিসাবে ভাবতে থাকে।
৫. প্রাচীন মিসরীয়রা বিড়াল আকৃতির এক দেবী যার নাম বাস্কেট এর পূজা করতো।
৬. সামগ্রিকভাবে মিশরীয়রা বিড়ালকে তাদের বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষী হিসাবে এত দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করেছিল যে তারা মৃত্যুর পরে বিড়ালের জন্য শোক শোক প্রকাশ করতো।
৭. বিড়ালের মালিক এবং পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে তাদের ভ্রু কামিয়ে বিড়ালের মৃত্যুতে তাদের দুঃখ প্রকাশ করতো।
৮. নতুন জোড়া ভ্রু দেখা না যাওয়া পর্যন্ত শোকের সময়কাল স্থায়ী হতো। এতে তিন বা চার মাস পর্যন্ত শোক প্রকাশ করা হতো, অর্থাৎ নতুন ভ্রু উঠতে তিন চার মাস সময় লাগত তাই শোক প্রকাশ ঐ সময় পর্যন্ত চলতো।
৯. বন্যা পশুদের পোষ মানিয়ে গৃহপালিত পশু হিসাবে পালন করার সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব প্রাচীন মিশরীয়দের।
১০. ২০০৪ সালে সাইপ্রাসে সাড়ে নয় হাজার বছর আগের একটি বিড়ালের দেহ পাওয়া যায়, যা ইঙ্গিত করে যে বিড়ালরা পূর্বে ধারণার চেয়ে অনেক আগে থেকেই মানুষের পাশাপাশি বসবাস করতে পারে।
১১. তবে মিশরীয়রা বিড়ালদের বন্য প্রাণী থেকে গৃহপালিত প্রাণীতে রূপান্তরিত করতে সহায়তা করেছিল বলে মনে করা হয়।
১২. মিশরীয়রা বেছে বেছে ঘরে পালার উপযোগী বিড়াল প্রজনন করে সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
১৩. পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিড়ালের স্বভাব, মেজাজ-মর্জি ঠিক করে, যা আমরা এখন উপভোগ করি বা অন্তত সহ্য করি।
তথ্য: ইন্টারনেট
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৪ ভোর ৪:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


