somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানব শরীরের ১০ টি রহস্য

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের শরীর মানে মানবদেহ অনেক জটিল একটা যন্ত্র। জানেন কি আমাদের এই মানব দেহ শত শত রহস্যে ভরপুর আর রয়েছে অসাধারন কিছু ফ্যাক্ট্স। সেরকমই ১০ টি ফ্যাক্ট্স নিয়ে এই পোস্ট।

১. মানবদেহের প্রতিটি অনু কয়েক বিলিয়ন বছরের পুরোন এবং আমাদের দেহের ৭০ ভাগ পানীয় উপাদান দিয়ে গঠিত।

২. ১৮ বছরের পর আমাদের মগজ আর বাড়ে না আর এই বয়সের পরে এমনকি আমরা ১০০০টি পর্যন্ত ব্রেইন সেল হারাতে পারি। আমাদের মগজ পুরো শরীরের শতকরা ২ ভাগ ওজন নেই আর আমাদের শতকরা ২০ ভাগ শক্তি যায় ব্রেইনের পেছনে। আমাদের ব্রেইন কখনও রেস্ট নেয় না, অবিরত চলতে থাকে এমনকি আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখনও। এই সময় আমাদের ব্রেইন ঘুন থেকে উঠার পরে ঠিক ভাবে ব্যবহারের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে।

৩. আমাদের এই আজব দেহ যন্ত্র সারা জীবন ১০,০০০ গ্যালন পর্যন্ত লালা তৈরী করে।

৪. চোখের পলক না ফেলে আপনি কখনও হাচি দিতে পারবেন না – এটি একেবারে অসম্ভব ব্যাপার এবং হাচির সবর্োচ্চ গতি ১৭৫ কিমি/ঘন্টা হতে পারে।

৫. সারা জীবন আমরা সবর্োচ্চ ৪০ পাউন্ড পর্যন্ত চামড়া ফেলে দেই অথর্াত চামড়া বদ্লায়।

৬. আপনি কখনও একসাথে গিলতে এবং নিশ্বাস নিতে পারবেন না। যদিও একটি বাচ্চা ৯ মাস বয়স পর্যন্ত এই কাজটা করতে পারে।

৭. হাই তোলার আসল কারন হলো এটি আপনার ব্রেইনকে ঠান্ডা করে। মগজে বাতাসের প্রবাহ সঞ্চালন করে। হাই তোলা এমন একটটি ব্যাপার যা আপনি ইচ্ছা করলেই পারবেন না। এটি ব্রেইনের ভেতরের সিগন্যালের উপর নির্ভর করে।

৮. জীবনকালে আপনার আপনি ৩ বিলিয়ন বার হার্টবিট প্রডিউস করতে পারেন।

৯. আমরা Lungs শ্বাস প্রশ্বাসের সময় অনেক জায়গা নেই। Lungs এর সারফেস এরিয়ে একটি ছোট টেনিস কোর্টের সমান।

১০. প্রতিটি মানুষের জিহবা ভিন্ন। অনেকটা হাতের ছাপের মত জিহ্ববা এর ছাপও সম্পুনর্ ভিন্ন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৫৬
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

লিখেছেন মৃত্যুঞ্জয়, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×