somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রতিকুলতাকে জয় করে যেভাবে যেভাবে ম্যাজিস্ট্রেট হল বাদাম বিক্রেতা এক বাবার মেয়ে

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবন যুদ্ধের সত্যিকারের সৈনিক আজকের গল্পের নায়িকা । জীবনে চলার পথে শত বাধা বিপত্তিকে অতিক্রম করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানো সবার পক্ষে সম্ভব হয়না । জীবনের মাঝপথে হোচট খেয়ে পড়ে শক্তি হারায় অনেক পরান। তেমন স্বপ্নবাজদের জন্য আজকের গল্পের নায়িকা আসমা খাতুন হতে পারেন অনন্য প্রেরনার । একটি বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেলে প্রকাশিত হওয়া সেই প্রতিবেদন নিয়ে সময়ের কণ্ঠস্বরের পাঠকদের জন্য অদম্যপ্রান এক অনুপ্রেরনার গল্প থাকছে আজ।
প্রতিকুলতাকে জয় করে যেভাবে যেভাবে ম্যাজিস্ট্রেট হল বাদাম বিক্রেতা এক বাবার মেয়ে ! জীবন যুদ্ধের সত্যিকারের সৈনিক আজকের গল্পের নায়িকা । জীবনে চলার পথে শত বাধা বিপত্তিকে অতিক্রম করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানো সবার পক্ষে সম্ভব হয়না । জীবনের মাঝপথে হোচট খেয়ে পড়ে শক্তি হারায় অনেক পরান। তেমন স্বপ্নবাজদের জন্য আজকের গল্পের নায়িকা আসমা খাতুন হতে পারেন অনন্য প্রেরনার । একটি বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেলে প্রকাশিত হওয়া সেই প্রতিবেদন নিয়ে সময়ের কণ্ঠস্বরের পাঠকদের জন্য অদম্যপ্রান এক অনুপ্রেরনার গল্প থাকছে আজ।

রাজশাহীর প্রত্যন্ত আড়ানী গ্রাম। এই ছোট গ্রামের বাসিন্দা আসমা খাতুন। বাবা আগে বাদাম বিক্রি করতেন। এখন আড়ানি বাজারে তার ছোট একটি পানের দোকান রয়েছে। টানাটানির সংসার তার। শত অভাবের মাঝেও নিজেকে মেলে ধরেছেন আসমা খাতুন। ৩৪তম বিসিএসের মাধ্যমে তিনি হয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। অভাবের মাঝেও ছোট আড়ানী গ্রামকে আলোকিত করেছেন আসমা খাতুন।

চার ভাইবোনের মধ্যে আসমা খাতুন সবার বড়। তাই সংসারের হাল ধরতে হলে তাকেই এগিয়ে আসতে হবে। এমন ভাবনা থেকেই সামনের দিকে এগিয়ে চলা আসমার। ছোটবেলায় বাবার কাছেই বর্ণমালার হাতেখড়ি হয়েছে তার। প্রাথমিক আর অষ্টমে বৃত্তির পর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে গণ্ডি পেরিয়েছেন সাফল্যের সঙ্গে। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বশেমুরবিপ্রবি) অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এখন বিসিএস ক্যাডার।

কিন্তু শিক্ষজীবনের এ পথচলা তার সহজ ছিলনা। আসমা খাতুন বলেন, অভাবের তাড়নায় একসময় আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আমি যখন রাবিতে প্রথম বর্ষে পড়ি তখন প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পেয়েছিলাম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজাল্ট ভালো ছিল তাই চাকরিটা করিনি। এসময় বাবা কিছুটা রাগ করেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি তার ভুল বুঝতে পেরেছিলেন।

আসমা খাতুন বলেন, অনেকেই আমাকে ভয় দেখাত সাইন্স নিয়ে কি করবা। সাইন্সে তো অনেক খরচ। তোমার পরিবারের পক্ষে এ খরচ বহন করা সম্ভব না। এসময় বাবাই আমাকে সাহস জুগিয়েছেন। বলেছেন মা আল্লাহর উপর ভরসা করে শুরু করে দাও। বড় আশা নিয়ে শুরু করলে ছোট কিছু হলেও পাওয়া যায়। আমার ফ্যামিলিতে বুদ্ধি দেয়ার মত কেউ ছিল না। বাবাই সবসময় সাহস জুগিয়েছেন।

আমার দীর্ঘ সাফল্যের পেছনে বাবাই সবকিছু। আসমা বলেন আমার বাবা পৃথিবীর একজন শ্রেষ্ঠ বাবা। আমি চাই আমার পরিবারের সবাই যেন তাদের মেধার স্ফূরণ ঘটাতে পারে।

বাবা শুকুর আলী বলেন, ‘আট শতকের মত জমি আছে এটাই আমার সম্পদ। আর আমার ছেলে-মেয়েরাই আমার স্বপ্ন। শত অভাবের মাঝেও অনেক কষ্ট শিকার করে আসমা তার সাফল্য দেখিয়েছে। আমরা গর্বিতজীবন যুদ্ধের সত্যিকারের সৈনিক আজকের গল্পের নায়িকা । জীবনে চলার পথে শত বাধা বিপত্তিকে অতিক্রম করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানো সবার পক্ষে সম্ভব হয়না । জীবনের মাঝপথে হোচট খেয়ে পড়ে শক্তি হারায় অনেক পরান। তেমন স্বপ্নবাজদের জন্য আজকের গল্পের নায়িকা আসমা খাতুন হতে পারেন অনন্য প্রেরনার । একটি বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেলে প্রকাশিত হওয়া সেই প্রতিবেদন নিয়ে সময়ের কণ্ঠস্বরের পাঠকদের জন্য অদম্যপ্রান এক অনুপ্রেরনার গল্প থাকছে আজ।
প্রতিকুলতাকে জয় করে যেভাবে যেভাবে ম্যাজিস্ট্রেট হল বাদাম বিক্রেতা এক বাবার মেয়ে ! জীবন যুদ্ধের সত্যিকারের সৈনিক আজকের গল্পের নায়িকা । জীবনে চলার পথে শত বাধা বিপত্তিকে অতিক্রম করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানো সবার পক্ষে সম্ভব হয়না । জীবনের মাঝপথে হোচট খেয়ে পড়ে শক্তি হারায় অনেক পরান। তেমন স্বপ্নবাজদের জন্য আজকের গল্পের নায়িকা আসমা খাতুন হতে পারেন অনন্য প্রেরনার । একটি বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেলে প্রকাশিত হওয়া সেই প্রতিবেদন নিয়ে সময়ের কণ্ঠস্বরের পাঠকদের জন্য অদম্যপ্রান এক অনুপ্রেরনার গল্প থাকছে আজ।

রাজশাহীর প্রত্যন্ত আড়ানী গ্রাম। এই ছোট গ্রামের বাসিন্দা আসমা খাতুন। বাবা আগে বাদাম বিক্রি করতেন। এখন আড়ানি বাজারে তার ছোট একটি পানের দোকান রয়েছে। টানাটানির সংসার তার। শত অভাবের মাঝেও নিজেকে মেলে ধরেছেন আসমা খাতুন। ৩৪তম বিসিএসের মাধ্যমে তিনি হয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। অভাবের মাঝেও ছোট আড়ানী গ্রামকে আলোকিত করেছেন আসমা খাতুন।

চার ভাইবোনের মধ্যে আসমা খাতুন সবার বড়। তাই সংসারের হাল ধরতে হলে তাকেই এগিয়ে আসতে হবে। এমন ভাবনা থেকেই সামনের দিকে এগিয়ে চলা আসমার। ছোটবেলায় বাবার কাছেই বর্ণমালার হাতেখড়ি হয়েছে তার। প্রাথমিক আর অষ্টমে বৃত্তির পর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে গণ্ডি পেরিয়েছেন সাফল্যের সঙ্গে। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বশেমুরবিপ্রবি) অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এখন বিসিএস ক্যাডার।

কিন্তু শিক্ষজীবনের এ পথচলা তার সহজ ছিলনা। আসমা খাতুন বলেন, অভাবের তাড়নায় একসময় আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আমি যখন রাবিতে প্রথম বর্ষে পড়ি তখন প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পেয়েছিলাম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজাল্ট ভালো ছিল তাই চাকরিটা করিনি। এসময় বাবা কিছুটা রাগ করেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি তার ভুল বুঝতে পেরেছিলেন।

আসমা খাতুন বলেন, অনেকেই আমাকে ভয় দেখাত সাইন্স নিয়ে কি করবা। সাইন্সে তো অনেক খরচ। তোমার পরিবারের পক্ষে এ খরচ বহন করা সম্ভব না। এসময় বাবাই আমাকে সাহস জুগিয়েছেন। বলেছেন মা আল্লাহর উপর ভরসা করে শুরু করে দাও। বড় আশা নিয়ে শুরু করলে ছোট কিছু হলেও পাওয়া যায়। আমার ফ্যামিলিতে বুদ্ধি দেয়ার মত কেউ ছিল না। বাবাই সবসময় সাহস জুগিয়েছেন।

আমার দীর্ঘ সাফল্যের পেছনে বাবাই সবকিছু। আসমা বলেন আমার বাবা পৃথিবীর একজন শ্রেষ্ঠ বাবা। আমি চাই আমার পরিবারের সবাই যেন তাদের মেধার স্ফূরণ ঘটাতে পারে।

বাবা শুকুর আলী বলেন, ‘আট শতকের মত জমি আছে এটাই আমার সম্পদ। আর আমার ছেলে-মেয়েরাই আমার স্বপ্ন। শত অভাবের মাঝেও অনেক কষ্ট শিকার করে আসমা তার সাফল্য দেখিয়েছে। আমরা গর্বিত।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২৭
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বে ঋণ খেলাপিতে বাংলাদেশ ১ নম্বর এবং দেশে ঋণ খেলাপিতে শীর্ষ ২০ জনের ১৯ জনই ওনাদের!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



শাস্ত্রীয় কথায় না গিয়ে সোজা কথায় কেউ ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলে তাকে ঋণ খেলাপি বলা হয়। আপনি জানলে অবাক হবেন যে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির ১৯ জনই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কি ডার্ক জাস্টিসকে ফলো করছেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১০



ছোটবেলায় দেখা একটি টিভি সিরিয়াল তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিলো। একজন বিচারক যিনি দিনের বেলায় কোর্ট রুমে অপরাধের বিচার করতেন, আর, রাতেরবেলা আইনের ফাঁক -ফোকর গলে বেরিয়ে যাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

একদিন আমরা ক’জনা মিলে …….

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১২



ব্লগের একাধারে নম্র ও প্রাজ্ঞ এবং গবেষক সহ-ব্লগার শ্রদ্ধেয় ডঃ এম এ আলীর “ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনতে ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত আবেদন”... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে-----

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৪



জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় ..।

দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে
যেদিন মানুষ নিজের কাছে
মিথ্যে বলা বন্ধ করবে
অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে
সত্যের পথে দৃঢ় পায়ে চলবে।

যেদিন বিবেক জাগবে মনে
লোভ হারাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×