সন্ধ্যা নামলেই তামাটে আলো দ্রুত হারায় অন্ধকারে, সন্ধ্যা নামলেই ক্লান্তির মেদ জমে; কোথাও হঠাৎ ফিরে যাওয়ার হিল্লোলে শিউরে ওঠে বাতিঘর, মোড়ের দোকান, গৃহপালিত পশুরা, মানুষেরা; অবাক উর্ধ্বশ্বাসে।
তড়িঘড়ি চোখের পাতায় ফিরফিরে হাওয়ারা আঁকে সরিষাক্ষেতের মতো হলুদ উঠোন, মাধবীলতার ঘ্রাণে নাচে অসংখ্য জোনাকীর দল, আকাশের নীলিমায় ভাসে অযুত নক্ষত্রেরা। চারিপাশের নৈঃশব্দতার তার ছিঁড়ে হয়ত কোথাও, হয়ত কবেকার স্মৃতির সূতো ছিঁড়ে উড়ে গেছে উড়ন্ত ঘুড়ি নিরুদ্দেশে, বেসামাল দ্বি-চক্রযানের চাকায় জড়িয়ে গেছে কার গায়ের শীতের দীর্ঘচাদর অথবা হাত ফসকে প্রিয় কিছু; মুহূর্তেই কুঁচিকুঁচি। বুকের ভিতর একটা কান্না সেই থেকে বসে থাকে একা নির্জনে; হারাবার ভয়ে আত্মার্থ করে রাখে কতসব লাল, নীল বেদনা।
তারপর একদিন সবকিছুই বদলে যায়; কালের চাকায় ক্রমশঃ বদলে যায় স্বপ্ন-দুঃখ-আনন্দ-বেদনা, পাওয়া ও না-পাওয়া। সন্ধ্যা নামলেই গড়ে ওঠে নতুন পৃথিবী, ভাবন্তরের সিঁড়ি বেঁয়ে ওঠে যাওয়া আরেকটা অলীকপথ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০১৫ ভোর ৫:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




