somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আলমগীর জনি
সূর্য থেকে অসম্ভব শক্তিশালী আলোকরশ্মি চাঁদের উপর পড়ে। সে চাঁদ কিছুদিন জোছনা বিলায় আমাদের মাঝে।অমাবস্যায় কেউ চাঁদকে ভুলে যায় না।অপেক্ষা করে জোছনা ফিরে আসার ।সূর্য না হই ,মাঝে মধ্যে জোছনা হতে চাই।অমাবস্যায় হাহাকার হতে চাই মানব মনে।

গল্পঃ নুপুর

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার প্রেমিকা তিথির জন্য নুপুর কেনার পর থেকেই আর ছাদের উপর নুপুরের শব্দ পাই নি । এমন না যে আমি এক কবিরাজের কাছে গিয়েছি তারপর কবিরাজ আমাকে বললেন, এই নে, এই নুপুর তোর কাছে রাখলে আর ছাদের উপর কোন নুপুরের শব্দ পাবি না।বিষে বিষক্ষয়, বুঝলি তো।আমি বলতাম কি বলেন বাবা, রুমে নুপুর রাখলেই আর ছাদে নুপুরের শব্দ পাব না? আমার তো মনে হয় এতে নুপুরওয়ালীর সুবিধাই হবে সে এবার দুই জোড়া পেয়ে বিপুল উৎসাহে নাচানাচি করবে। এরপর কবিরাজ ধমক দিয়া বলতেন, তোদের আধুনিক সমাজের কাছে এসব হাসি ঠাট্টাই মনে হবে।যা এখান থেকে।আমি সরি বলে কবিরাজের চেম্বার ছাড়তাম।

কিন্তু ব্যপারটা মোটেও এমন না।তিথির জন্মদিন ছিল সেদিন থেকে নয়দিন পর।আমি ঠিক নয়দিন আগেই নিজের একমাত্র প্রেমিকার জন্য এক জোড়া নুপুর কিনে ফেলি।আমি একটু আগে থেকেই সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখি।তবে এবার কেন আমি নুপুর কিনলাম সেটার কোন ব্যাখ্যা ছিল না আমার কাছে।এমন না যে তিথি আমাকে বলেছে, আলিফ , এই জন্মদিনে আমাকে এক জোড়া নুপুর কিনে দিবে।একদম রুপার নুপুর।নুপুর না দিতে পারলে তোমার সাথে আমার ব্রেকাপ।

আমি পরে বুঝতে পেরেছিলাম এই নুপুর কেনার পেছনে ছাদের উপর নুপুরের শব্দ অনেক প্রভাব ফেলেছিল।ছাদের উপর নুপুরের শব্দ কোথায় থেকে আসে এটা গত এক মাসের আমার জন্য সবচেয়ে জটিল রহস্য । এখনো রহস্য।যদিও এই নিয়ে আমি কারো সাথে কোন কথা বলি নি।নতুন মেসে আসার পর দেখলাম এখানে ছাদে যাওয়া যায়। সাধারণত ব্যাচেলরদের জন্য ছাদে যাওয়া নিষিদ্ধ। ঢাকা শহরে যেসব বাড়িওয়ালা ব্যাচেলর ভাড়া দেন ,তাদের ধারণা তাদের রূপবতী কন্যাকে নিয়ে মেসের ছেলেরা ছাদের উপর ইটিশ পিটিশ করবে।দেখা গেছে বাড়িওয়ালা একদিন ছাদের উপর আসলেন।এসে দেখলেন তার আদরের কন্যা ছাদের উপর এক ছেলের হাত ধরে বসে আছে আর রোমান্টিক সব কথা বলে যাচ্ছে।কি বিশ্রী অবস্থায় পড়তে হবে থাকে।তিনি ছড়ি ঘুরিয়ে বলবেন, ফকিন্নির পোলা, তুই বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত দিয়েছিস।আজ তোকে আমি আস্ত রাখব না।অথচ তিনি ভুলে যান, যে ছেলে তার বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে পারেন সে ছেলে তার মেয়েকে নিয়েও হয়তো থাকতে পারবে ।কিন্তু ভাড়াটিয়া ব্যাচেলর বাড়িওয়ালাদের কাছে সব সময় বামনই ।

যাই হোক।আমি ছাদে খুব কম যেতাম।তবে নুপুরের শব্দ পাওয়ার পর আমি কয়দিন পর একবার ছাদে যেতাম।যদিও সেটা দিনের বেলায়।রাতের বেলায় যাওয়ার মত সাহস আমার নাই। ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ মধ্যরাতে ছাদে যাবে এটা স্বাভাবিক কিছু না।আমি ছাদে গিয়ে দেখলাম অদ্ভুত সুন্দর সাজানো গোছানো একটা ছাদ।ছাদের পূর্ব আর পশ্চিম পাশে দুইটা দোলনা।আমার ধারণা সূর্যাস্ত আর সূর্যোদয় দেখার জন্য এই ব্যবস্থা। কারণ সচরাচর দেখা যায় দোলনাগুলো ছাদের দিকে মুখ করে রাখা থাকে আর এই দোলনা জোড়া ঠিক উল্টো ভাবে রাখা। এমনভাবে রাখা যে ছাদ থেকে শুধু আকাশই দেখতে পাওয়া যাবে। এই শহরে আকাশ দেখার জায়গা কই?

ছাদের উপর বেশ কয়েকটা বকুল ফুল গাছ দেখলাম।এই ছোট ছোট গাছে ফুটে আছে আমার প্রিয় বকুল। দেখেই মনটা ভালো হয়ে গেল। আমি ভাবতে লাগলাম, কে এই মধ্যরাতে ছাদের উপর নুপুর পরে আসে? তবে যে পরিবেশ দেখলাম এতে যে কারোই আসার শখ জাগবে। ছেলেরা নুপুর পরে না। পরলে আমিও হয়তো চলে আসতাম। আমি ভাবছিলাম একটা কাজ করব। তিথিকে নিয়ে বিয়ের পর এই বাসায়ই উঠব। এরপর রাত দুইটায় আমি তিথিকে বলব , চলো ছাদে যাই । তিথি অবাক হবে বলবে , এত রাতে ছাদে? তোমার কি মাথায় সমস্যা? আমি বলব , তোমার জন্য সারপ্রাইজ আছে। আগে চলো। তিথি আমার সাথে ছাদে যাবে ।এরপর আমরা বসে থাকব ছাদে গিয়ে। তিথিকে হঠাত বলব, তোমার পা জোড়া এগিয়ে দাও। তিথি পা এগিয়ে দিতেই আমি ওর পায়ে নুপুর জোড়া পরিয়ে দিব। এরপর তিথি বলবে, আলিফ, আমার এখন নাচতে ইচ্ছে করছে। তুমি কি একটা গান গাইবে? আমি বলব, এই নীরবতায় গান মানাবে না ।তুমি বরং গান ছাড়াই নাচো। নুপুরের শব্দের চেয়ে মধুর কিছু হতে পারে না এই মুহূর্তে। তিথি নাচ শুরু করবে আর আমি আমার এক চোখ দিয়ে তিথিকে দেখব আরেক চোখ দিয়ে নুপুরের শব্দ দেখব।অসম্ভব সুন্দর শব্দ মাঝে মধ্যে চোখ দিয়েও দেখতে হয়।

তিথির কথা ভাবতে ভাবতে আমি ছাদের একটু আড়ালে চলে গিয়েছিলাম।একটু আড়াল হতেই মনে হলো কি জানি দেখলাম।একটা নারী অবয়বের মত কিছু।আমি চিৎকার দিতে চাইলাম।কিন্তু কেন জানি আমার গলা দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছিল না।এদিকে সেই নারী অবয়ব টা আমার দিকেই আসছিল ধীরে ধীরে।এতটুকু মনে আছে।এরপর যখন আমার হুশ হলো তখন দেখলাম আমি আমার বেডে শুয়ে আছি।মেসের নীরব ভাই এসে বললেন, ওই সময় এভাবে দৌড়ে আসলে কোথা থেকে।আমি বললাম, আমি কি দৌড়ে রুমে ডুকেছিলাম? নীরব ভাই বললেন, হ্যাঁ , তুমি রুমে এসেই খাটে শুয়ে গেলে আর আমাকে বললে রুমের দরজা বন্ধ করে দিতে ভালো করে।আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, কোন সমস্যা? তুমি কিছু না বলে শুয়ে গেলে।তারপর উনি হাসি দিয়ে বললেন আরে এটা তো ৪-৫ ঘন্টা আগের ঘটনা।তুমি তো এতক্ষণ নাক ডেকে ঘুমাচ্ছিলে।আমি কি বলব বুঝতে পারছি না।কি থেকে কি হয়ে গেল বুঝতে পারছিলাম না আসলে।

কাকতালীয় ভাবে সেদিন সন্ধায়ই আমার মনে হলো এখন অক্টোবর মাস।আজ ১ তারিখ।৯ তারিখেই তো তিথির জন্মদিন।আমার ওর জন্য কিছু কেনা দরকার। পরে আবার মনে থাকবে না। সন্ধ্যায় একা একা শপিং মলে চলে গিয়েছিলাম। গিয়ে এক জোড়া রুপার নুপুর নিয়ে ফিরলাম রুমে। এবং সেদিন রাত থেকে আজ পর্যন্ত আমি আর ছাদের উপর নুপুরের শব্দ শুনিনি।

তিথির জন্মদিনের পরদিন আজ আমরা দেখা করি। জন্মদিনে ওর বাসার বাহিরে যাওয়া নিষেধ। আমরা তাই আজকে একসাথে কাটালাম। ফেরার সময় ওকে নুপুর জোড়া দিয়ে বাসায় ফিরে আসলাম। বাসায় ডুকতেই দেখি নিচতলায় গ্যারেজে বাড়িওয়ালার গাড়ি বের হচ্ছিল। বাড়িওয়ালা তার মেয়েকে বলছেন, তিথি মা, দশটা দিন ফুফুর বাড়িতে ছিলি। আজকেই ফিরলি। এখনই আবার তোকে মামার বাড়িতে যেতে হবে? না গেলে হয় না? তুই না থাকলে বাড়িটা ফাঁকা ফাঁকা লাগে। বাড়িওয়ালার মেয়ের নামও যে তিথি সেটা আমার জানা ছিল না।
আমার প্রেমিকা তিথির জন্য নুপুর কেনার পর থেকেই আর ছাদের উপর নুপুরের শব্দ পাই নি । এমন না যে আমি এক কবিরাজের কাছে গিয়েছি তারপর কবিরাজ আমাকে বললেন, এই নে, এই নুপুর তোর কাছে রাখলে আর ছাদের উপর কোন নুপুরের শব্দ পাবি না।বিষে বিষক্ষয়, বুঝলি তো।আমি বলতাম কি বলেন বাবা, রুমে নুপুর রাখলেই আর ছাদে নুপুরের শব্দ পাব না? আমার তো মনে হয় এতে নুপুরওয়ালীর সুবিধাই হবে সে এবার দুই জোড়া পেয়ে বিপুল উৎসাহে নাচানাচি করবে। এরপর কবিরাজ ধমক দিয়া বলতেন, তোদের আধুনিক সমাজের কাছে এসব হাসি ঠাট্টাই মনে হবে।যা এখান থেকে।আমি সরি বলে কবিরাজের চেম্বার ছাড়তাম।

কিন্তু ব্যপারটা মোটেও এমন না।তিথির জন্মদিন ছিল সেদিন থেকে নয়দিন পর।আমি ঠিক নয়দিন আগেই নিজের একমাত্র প্রেমিকার জন্য এক জোড়া নুপুর কিনে ফেলি।আমি একটু আগে থেকেই সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখি।তবে এবার কেন আমি নুপুর কিনলাম সেটার কোন ব্যাখ্যা ছিল না আমার কাছে।এমন না যে তিথি আমাকে বলেছে, আলিফ , এই জন্মদিনে আমাকে এক জোড়া নুপুর কিনে দিবে।একদম রুপার নুপুর।নুপুর না দিতে পারলে তোমার সাথে আমার ব্রেকাপ।

আমি পরে বুঝতে পেরেছিলাম এই নুপুর কেনার পেছনে ছাদের উপর নুপুরের শব্দ অনেক প্রভাব ফেলেছিল।ছাদের উপর নুপুরের শব্দ কোথায় থেকে আসে এটা গত এক মাসের আমার জন্য সবচেয়ে জটিল রহস্য । এখনো রহস্য।যদিও এই নিয়ে আমি কারো সাথে কোন কথা বলি নি।নতুন মেসে আসার পর দেখলাম এখানে ছাদে যাওয়া যায়। সাধারণত ব্যাচেলরদের জন্য ছাদে যাওয়া নিষিদ্ধ। ঢাকা শহরে যেসব বাড়িওয়ালা ব্যাচেলর ভাড়া দেন ,তাদের ধারণা তাদের রূপবতী কন্যাকে নিয়ে মেসের ছেলেরা ছাদের উপর ইটিশ পিটিশ করবে।দেখা গেছে বাড়িওয়ালা একদিন ছাদের উপর আসলেন।এসে দেখলেন তার আদরের কন্যা ছাদের উপর এক ছেলের হাত ধরে বসে আছে আর রোমান্টিক সব কথা বলে যাচ্ছে।কি বিশ্রী অবস্থায় পড়তে হবে থাকে।তিনি ছড়ি ঘুরিয়ে বলবেন, ফকিন্নির পোলা, তুই বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত দিয়েছিস।আজ তোকে আমি আস্ত রাখব না।অথচ তিনি ভুলে যান, যে ছেলে তার বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে পারেন সে ছেলে তার মেয়েকে নিয়েও হয়তো থাকতে পারবে ।কিন্তু ভাড়াটিয়া ব্যাচেলর বাড়িওয়ালাদের কাছে সব সময় বামনই ।

যাই হোক।আমি ছাদে খুব কম যেতাম।তবে নুপুরের শব্দ পাওয়ার পর আমি কয়দিন পর একবার ছাদে যেতাম।যদিও সেটা দিনের বেলায়।রাতের বেলায় যাওয়ার মত সাহস আমার নাই। ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ মধ্যরাতে ছাদে যাবে এটা স্বাভাবিক কিছু না।আমি ছাদে গিয়ে দেখলাম অদ্ভুত সুন্দর সাজানো গোছানো একটা ছাদ।ছাদের পূর্ব আর পশ্চিম পাশে দুইটা দোলনা।আমার ধারণা সূর্যাস্ত আর সূর্যোদয় দেখার জন্য এই ব্যবস্থা। কারণ সচরাচর দেখা যায় দোলনাগুলো ছাদের দিকে মুখ করে রাখা থাকে আর এই দোলনা জোড়া ঠিক উল্টো ভাবে রাখা। এমনভাবে রাখা যে ছাদ থেকে শুধু আকাশই দেখতে পাওয়া যাবে। এই শহরে আকাশ দেখার জায়গা কই?

ছাদের উপর বেশ কয়েকটা বকুল ফুল গাছ দেখলাম।এই ছোট ছোট গাছে ফুটে আছে আমার প্রিয় বকুল। দেখেই মনটা ভালো হয়ে গেল। আমি ভাবতে লাগলাম, কে এই মধ্যরাতে ছাদের উপর নুপুর পরে আসে? তবে যে পরিবেশ দেখলাম এতে যে কারোই আসার শখ জাগবে। ছেলেরা নুপুর পরে না। পরলে আমিও হয়তো চলে আসতাম। আমি ভাবছিলাম একটা কাজ করব। তিথিকে নিয়ে বিয়ের পর এই বাসায়ই উঠব। এরপর রাত দুইটায় আমি তিথিকে বলব , চলো ছাদে যাই । তিথি অবাক হবে বলবে , এত রাতে ছাদে? তোমার কি মাথায় সমস্যা? আমি বলব , তোমার জন্য সারপ্রাইজ আছে। আগে চলো। তিথি আমার সাথে ছাদে যাবে ।এরপর আমরা বসে থাকব ছাদে গিয়ে। তিথিকে হঠাত বলব, তোমার পা জোড়া এগিয়ে দাও। তিথি পা এগিয়ে দিতেই আমি ওর পায়ে নুপুর জোড়া পরিয়ে দিব। এরপর তিথি বলবে, আলিফ, আমার এখন নাচতে ইচ্ছে করছে। তুমি কি একটা গান গাইবে? আমি বলব, এই নীরবতায় গান মানাবে না ।তুমি বরং গান ছাড়াই নাচো। নুপুরের শব্দের চেয়ে মধুর কিছু হতে পারে না এই মুহূর্তে। তিথি নাচ শুরু করবে আর আমি আমার এক চোখ দিয়ে তিথিকে দেখব আরেক চোখ দিয়ে নুপুরের শব্দ দেখব।অসম্ভব সুন্দর শব্দ মাঝে মধ্যে চোখ দিয়েও দেখতে হয়।

তিথির কথা ভাবতে ভাবতে আমি ছাদের একটু আড়ালে চলে গিয়েছিলাম।একটু আড়াল হতেই মনে হলো কি জানি দেখলাম।একটা নারী অবয়বের মত কিছু।আমি চিৎকার দিতে চাইলাম।কিন্তু কেন জানি আমার গলা দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছিল না।এদিকে সেই নারী অবয়ব টা আমার দিকেই আসছিল ধীরে ধীরে।এতটুকু মনে আছে।এরপর যখন আমার হুশ হলো তখন দেখলাম আমি আমার বেডে শুয়ে আছি।মেসের নীরব ভাই এসে বললেন, ওই সময় এভাবে দৌড়ে আসলে কোথা থেকে।আমি বললাম, আমি কি দৌড়ে রুমে ডুকেছিলাম? নীরব ভাই বললেন, হ্যাঁ , তুমি রুমে এসেই খাটে শুয়ে গেলে আর আমাকে বললে রুমের দরজা বন্ধ করে দিতে ভালো করে।আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, কোন সমস্যা? তুমি কিছু না বলে শুয়ে গেলে।তারপর উনি হাসি দিয়ে বললেন আরে এটা তো ৪-৫ ঘন্টা আগের ঘটনা।তুমি তো এতক্ষণ নাক ডেকে ঘুমাচ্ছিলে।আমি কি বলব বুঝতে পারছি না।কি থেকে কি হয়ে গেল বুঝতে পারছিলাম না আসলে।

কাকতালীয় ভাবে সেদিন সন্ধায়ই আমার মনে হলো এখন অক্টোবর মাস।আজ ১ তারিখ।৯ তারিখেই তো তিথির জন্মদিন।আমার ওর জন্য কিছু কেনা দরকার। পরে আবার মনে থাকবে না। সন্ধ্যায় একা একা শপিং মলে চলে গিয়েছিলাম। গিয়ে এক জোড়া রুপার নুপুর নিয়ে ফিরলাম রুমে। এবং সেদিন রাত থেকে আজ পর্যন্ত আমি আর ছাদের উপর নুপুরের শব্দ শুনিনি।

তিথির জন্মদিনের পরদিন আজ আমরা দেখা করি। জন্মদিনে ওর বাসার বাহিরে যাওয়া নিষেধ। আমরা তাই আজকে একসাথে কাটালাম। ফেরার সময় ওকে নুপুর জোড়া দিয়ে বাসায় ফিরে আসলাম। বাসায় ডুকতেই দেখি নিচতলায় গ্যারেজে বাড়িওয়ালার গাড়ি বের হচ্ছিল। বাড়িওয়ালা তার মেয়েকে বলছেন, তিথি মা, দশটা দিন ফুফুর বাড়িতে ছিলি। আজকেই ফিরলি। এখনই আবার তোকে মামার বাড়িতে যেতে হবে? না গেলে হয় না? তুই না থাকলে বাড়িটা ফাঁকা ফাঁকা লাগে। বাড়িওয়ালার মেয়ের নামও যে তিথি সেটা আমার জানা ছিল না।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২৪
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ফোনে কয়টি গান সেভ করা আছে? #:-S

লিখেছেন অপু তানভীর, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



কদিন আগে একটা ফোন নিতে হয়েছে। আগের ফোনটা তিন বছরের মত সার্ভিস দিয়েছে। তবে টাচস্ক্রিনে সমস্যা দেখার কারণে সেটা ঠিক মত ব্যবহার করা যাচ্ছিল না। নতুন ফোন বলে সেটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

Ripe Age দুই প্রান্তের দুই মানুষঃ সামু শব্দের সেতু প্রজন্মের বন্ধন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৪


একজন দাঁড়িয়ে জীবনের শুরুতে
চোখে তার অগণিত স্বপ্ন
আগামীর পথে কত প্রশ্ন
কত না-জানা, কত বিস্ময়
কত দূরের নীল আকাশ
ডাকে তাকে প্রতিদিন।

অন্যজন বসে জীবনের শেষে নয়
বরং দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আসা এক প্রান্তে
প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেন টু কক্সবাজার: টিকিট পেলাম না, পেলাম বিকল্প পথের সন্ধান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

কক্সবাজার যাওয়ার ইচ্ছে ছিল অনেক দিনের। তবে এবার লক্ষ্য ছিল একটু আলাদা—বাসে নয়, বিমানে নয়; ট্রেনের জানালায় চোখ রেখে সমুদ্রের শহরের পথে যাত্রা। কিন্তু সেই সহজ পরিকল্পনার প্রথম বাধাই হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×