somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাস্তিক রাজিব ওরফে থাব বাবার আরও কিছু ব্লগ পোষ্ট শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন ব্লগ সাইটে

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে রাজিবের মত লোক কিভাবে সাহস পায় আমাদের প্রিয় নবীজির বিরুদ্ধে এত অশ্লিল মন্তব্য করতে। কার ইন্দন আছে তার পাশে। আজ একটা নাস্তিক কে নিয়ে আমরা সবাই নাচানাচি করছি। তার পরও অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। আর কি প্রমাণ দেব আমি আপনাদের । আমি তো ক্লান্ত হয়ে গেছি। গত কয়েক দিন আগে রাজিবের বাবার বক্তব্য শুনলাম তিনি অবিযোগ করেছেন তার ছেলের বিরুদ্ধে নাকি মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে। আমি ওনার কোন দুষ দেব না। এমন অনেক কুলাঙ্গার আছে নিজের অপকর্ম তার বাবা মাও জানে না। হয়ত তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না যে তার ছেলে এতটা খারাপ। এটাই স্বাভাবিক। কোন বাবা মা-ই চান না যে তার ছেলে খারাপ পথে যাক। আমার ব্যক্তিগত ধারনা থেকে বলব এই নাস্কিকটার সাথে হয়ত তার বাবা মার ভাল সম্পর্ক ছিল না। তারাও জানত না সে এত কিছু করছে। আজ সবাই এই নাস্তিকটার জন্য ওঠে পরে লেগেছেন। একবার কি ভেবেছেন আপনার বাবাকে যদি কেউ অশ্লিল ভাষায় গালি দেয় তাহলে আপনার কেমন লাগবে। আর মোমিন মুসলমানদের কাছে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার বাবা মার চেয়েও উত্তম। তাঁকে নিয়ে যখন এই ধরনের মন্তব্য তাহলে মুসলমানদের আর বসে থাকার কোন সুযোগ নেই।আর মুসলমানদের অনেক ইতিহাস আছে সারা পৃথিবী শাসন করার। একবার যদি মুসলমানরা ক্ষেপে যায় তাদের আর দমানো যাবে না। তাই সবধান। আজ বাংলাদেশ সরকারের কথা বলছি, আপনার রাজিবের কোন প্রমাণ বিশ্বাস করতে পারছেন না। বাদ দিলাম রাজিবের কথা। এমর আরও অনেক রাজিব আছে যারা প্রতি নিয়তই ইসলামের বিরুদ্ধে , আমার নবীজির , আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বিরুদ্ধে অশ্লিল পোষ্ট করে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কেন কোন বিচারের ব্যবস্থা করা হয় না। তাহলে কি ধরে নিব আপনারও একই পথের পথিক। যদি তাই হয় তাহলে কে কি লিখছে, কে কি আন্দোলন করছে তা দেখার দরকার নেই আপনাদের । আপনারা হাতে মেহেদী মাখিয়ে বসে থাকুন। আর দেখুন শেষ পর্যন্ত কারা জয়ী হয়। নিচে নাস্থিক রাজিব সহ আরও কতগুলো কুলাঙ্গার এর কিছু পোষ্ট এর লিংক সহ দেয়া হল। এদের বিরুদ্ধে যদি সরকার কোন ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমরা মনে করব সরকারও একই পথের পথিক।

নাস্তিক রাজিবের কিছু পোষ্ট
লাড়ায়া দে
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লিখেছেনঃ থাবা (তারিখঃ বুধবার, ১৮/০৭/২০১২ – ২২:২৬) হিমালয়ের চিপায় একটা দেবতাক্লাস অডিটোরিয়াম বানাইছে হিমালয়ের দেবতারা। আর্কিটেক্ট স্বয়ং বিশ্বকর্মা স্থপতি। মহা সমারোহে নারিকেল, ঘটি ইত্যাদি ভেঙ্গে সেটার গৃহ থুক্কু মিলনায়তন প্রবেশ হলো শুভ লগ্ন দেখে। ব্রহ্মার সাথে প্রধান অতিথী ছিল জিউস আর আমন। সব দেশের সব দেবতা আর ইশ্বরেরা হিমালয়ের চিপায় স্থাপিত স্বর্গের মিলনায়তনে আমন্ত্রিত অতিথী। খালি আসে নাই আরবের আল্লা। আল্লার তিন কণ্যা উজ্জা, মানাত আর লাত আসছে ঠিকই, কিন্তু তাদের বাপ লুইচ্চা মোহাম্মকের পাল্লায় পড়ে ডিগবাজী খেয়ে নাকি নিরাকার হয়ে গেছে। মোহাম্মক তারে বুঝাইছে যে সে হইলো এক ও অদ্বিতীয় আর সেও সেই এক ও অদ্বিতীয় ভাব ধইরা বইসা আছে কাবাঘরের ছাদের এন্টেনার ওপর। অবশ্য আল্লার না আসাতে যে খুব একটা ক্ষতিবৃদ্ধি হইছে তাও না। ওরে আজকাল কেউ আর পোছে না। বিস্তারিত
অপচয়
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লিখেছেনঃ থাবা (তারিখঃ রবিবার, ১১/০৭/২০১০ – ০৯:৩২) ছোটবেলার একটা কথা দিয়ে শুরু করি! আমি তখন বেশ ছোট। মা’র চাকরির সুবাদে সারাদিন বাসায় দাদীর কাছে থাকতাম। দাদীই জোর করে ধরে-বেঁধে খাওয়াতেন। এক একটা লোকমা বানিয়ে এটা হাঁসের ডিম ওটা বকের ডিম ইত্যাদি বলে বলে খাওয়ানোর কথা এখনো মনে আছে। আমার পিচ্চি ভাগ্নিকে যখন তার দাদী এখন সেভবেই খাওয়ায় আমার নিজের দাদীর কথা মনে পড়ে যায়। সে কথা থাক! বিস্তারিত

আরও অনেক ব্লগ পাবেন এই লিংক এ যেখানে এই নাস্তিক শয়তানটা বিভিন্ন ইসলাম বিরোধি পোষ্ট লিখেছেন।

আরও কিছু নাস্তিকের পোস্ট আছে http://www.dhormockery.comএই সাইটে । যে সাইটাটা আমাদের সরকার বন্ধ করে দিয়েছেন। এই সাইটটা দেখতে http://www.google.com এ cache:www.dhormockery.com Enter দিন

এবার প্রিয় পাঠক আপনারা বিচার করেন। মুসলামনদের আন্দোলন কি যুক্তি সংগত, না যুক্তি সংগত না? যদি বাংলাদেশ সরকার এর বিরুদ্ধে কোন একশন নিতেন তাহলে আজ মুসলাম কোন আন্দোলন করার প্রয়োজন মনে করতো না। তাই আমরা সমগ্র মুসলিম জাতি আজ এক কাতারে দাড়িয়ে আমরা দৃড় প্রত্যয় যে আমরা এই নাস্তিক গুলোর বিচার চাই , বিচার করতে হবে। আর যদি বিচার করা না হয় তাহলে সারা মুসলিম জাতি এক হয়ে আপনাদের সহ বিচার করবে। কথাগুলো বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

এই পোষ্টটি এই ব্লগে পূর্বে প্রকাশ করা হয়েছে
পোষ্টটি লিখেছেন - Usman Jassi
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×