somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিষণ্নতা অথবা শেষ প্রহরের গল্প

১১ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শততমবারের মত বিশাল একটা ম্যাসেজ লিখে ব্যাকস্পেস চেপে ধরে তনয় । নেশা লাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে সাফার নামের পাশের সবুজ বৃত্তটার দিকে । বৃত্তটা উধাও হয়ে যায় কিছুক্ষনের মাঝেই , তখনও নেশাটা কাটেনা ওর । নেশাটা বড্ড যন্ত্রনা দিচ্ছে আজকাল । সামান্য একটা চোখের দেখা থেকে বাচ্চা টাইপের একটা মেয়ের উপরে এত বড় একটা নেশা কল্পনাও করেনি সে ! কিছুক্ষন ওভাবেই বসে থাকা , তারপর ল্যাপটপের ডালা লাগিয়ে উঠে চলে আসা হুট করেই ।
গায়ে একটা চাদর জড়িয়ে বাইরে এসে দাঁড়ায় তনয় । ভীষণ শীত পড়েছে ইট,কাঠ,পাথরের এই শহরে । শীতের স্বভাবজাত বিষণ্নতাটুকুও আজকাল স্পর্শ করেনা ওকে । অথচ কবিতা লেখার জন্য শীতের বিষণ্নতা একসময় খুব পছন্দের সাবজেক্ট ছিলো ওর ! লিখতে ভীষন পছন্দ করা ছেলেটার মাথা এখন ফাঁকা হয়ে থাকে একদম ! ল্যাপটপের ডালা জোরের সাথে বন্ধ করে উঠে বারান্দায় দাঁড়ানো , দৈনন্দিন এই রুটিনটার পরিবর্তন হয়না অনেকদিন । অথচ এই দৈনন্দিন রুটিনটাই ওর স্বাভাবিক, উড়ন্ত, ভীষণ তীব্রতার এক জীবনে কতবড় ওলটপালট এনেছে, মেয়েটা কি তা জানে ? জানেনা নিশ্চয় ...

অথচ শুরুটা অস্বাভাবিক ছিলনা খুব একটা । ভার্সিটি শুরুর দিনগুলোতে ডিপার্টমেন্টের তিন ল্যান্ডিং এর সিঁড়ির দ্বিতীয় ল্যান্ডিং এ যেদিন মেয়েটার সাথে হুট করে দেখা হলো , সামান্য কিছু কথা আর রুমে এসে স্টুডেন্ট লিস্ট থেকে নাম বের করে ফেসবুকে একটা রিকুয়েস্ট পাঠানো ছাড়া খুব বেশি কিছুই হয়নি সেদিন ! শুধু সেদিন না , সেদিনের পর অনেকগুলো দিন কেটে গেছে খুব নিস্পৃহ ভাবে । ভীষণ ব্যস্ত , নিস্পৃহ সেইসব দিনে নিজের অজান্তেই সাফার নামটা বুকের বাম পাশটায় কখন বসতে শুরু করেছে , বুঝতেও পারেনি তনয় । ক্লাসরুম আলাদা ছিল , দেখাও হতোনা খুব একটা , দেখেছিল মাঝখানে একবার । ফার্স্ট ইয়ারদের জন্য যাওয়া বাধ্যতামূলক এরকম একটা মিছিলের পাশ দিয়ে যেদিন চলে গেছিলো সাফা , সেইদিন । মুখ চোখ কাল করে কি ভয়টায় না পেয়েছিলো মেয়েটা , মনে পড়তেই ঠোঁটের পাশের সূক্ষ হাসিটা আটকাতে পারেনা তনয় ! সেই ভীত চোখের মেয়েটা তনয়ের কাছে নেশার মত হয়ে গেছে ধীরে ধীরে । তীব্র শীতের এক বিকেলে নাম না জানা কোনো নদীর ধার দিয়ে তার হাত ধরে হাঁটছে এরকম একটা স্বপ্ন তনয় প্রায় দেখতো । প্রায় বাস্তব সেসব স্বপ্নে সুখ সুখ ভাবটা এত প্রবল ভাবে থাকতো , তনয় অনিয়মের চূড়ান্তে যেয়েও , নিয়ম করে অপেক্ষা করত স্বপ্ন গুলোর জন্য কিংবা কে জানে সেই সুখ সুখ ভাবটার জন্য...

সেই দ্বিতীয় দেখার পর অনেকগুলো দিন পার হয়ে গেছে । এর মাঝে শুধু একদিন খুব কাছের এক বান্ধবীকে সাফার ছবি দেখিয়ে সে বলেছিল , "মেয়েটা কিন্তু খুব কিউট!"
বান্ধবীটা ধরে ফেলছিল চট করে , "ক্রাশ খাইস নিশ্চয় !"
"না , না প্রশ্নই আসেনা", এত দৃঢ়তার সাথে বান্ধবীকে নাকি নিজেকেই ফাঁকি দিয়েছিল তনয় কে জানে !
বুকের বাম পাশে বসতে থাকা নামটা ভাবিয়েছিল ধীরে ধীরে , পাত্তা দেয়ার সময় তনয় কখনোই পেতনা ! হলে থাকার উড়ন্ত দিনগুলোতে সময় আটকে থাকেনা কোনোভাবেই ! তখন ব্যস্ততাটুকুর পুরোটা জুড়ে কেবল নিজের পৃথিবীটাই ছিল , সেই পৃথিবীটা জুড়ে একসময় কেবল মেয়েটা থাকবে সেটাও কি তনয় ভেবেছিল !

সেমিস্টারের শেষ দিকে এসে ক্লাস,ল্যাব টেস্ট,কুইজ সবকিছুর শেষে প্রায় ২ মাস পর যখন পরীক্ষার আগের বন্ধটা শুরু হয়েছিল , আর দশজনের মতই ক্লান্ত ছিল তনয়ও । বাসায় এসে খালি ঘুমিয়েই ছিল প্রায় দুই দিন । কে জানতো সেই ভীষণ ক্লান্তির শেষে পুরোনো লেখালেখির ভূতটা মাথায় চাপবে । আরো অনেকগুলো বারেরমত এইবারও মনে হয়েছিল , দ্বিতীয়বারে মত লেখালেখির শুরুটা সে আসলে কখনই করতে পারবেনা ! প্রায় দুই বছর আগে ছেড়ে দেয়া লেখালেখিটা যে শত চেষ্টাতেও এর আগে শুরু করতে পারেনি ! কে জানে কেন , স্রষ্টার ইচ্ছা ছিল নিশ্চয় , এইবার সে পেরেছিল । প্রায় সাত দিনের চেষ্টাতে একটা ছোটো গল্প লিখেছিল । নাম,নায়িকা ,মেইন ক্যারেক্টার সবই সাফা ! কেন সাফা মেয়েটাই গল্পের সবকিছুতে ছিল,কেন তাকেই গল্পের নায়িকা বানিয়েছিল সেটা পরে অনেক ভেবেও বের করতে পারেনি তনয় ! হুট করে মাথায় এসেছিলো নাকি অনেকদিনের অনভ্যাসে কোনো ক্যারেক্টার মাথায় আসছিল না তাই অবচেতন মনের প্রথম নামটাই সে বেছে নিয়েছে সেইটাও একটা রহস্য ।
একটা ব্যপার অবশ্য ছিল , সাফা নামটা তনয়ের নিজের খুব পছন্দের ছিল , অসম্ভব পছন্দের ! নামটার মাঝে কিছু একটা ছিল , কিছু একটা যেটা তনয় কে আকর্ষণ করত চুম্বকের মত । গল্পটার নাম কিংবা মেইন ক্যারেক্টার সাফার নামে হলেও আসলে সমস্যা ছিলনা খুব একটা , সমস্যা ছিল পুরো গল্পের মেইন ক্যারেক্টারের বর্ণনাতেও তনয় আসলে সাফাকেই কল্পনা করেছে । তাকেই চোখের সামনে রেখে সে পুরো গল্পটা লিখেছে ! সেই কল্পনাতেও একটা খুঁত অবশ্য ছিল , মেয়েটার গালে আসলে টোল পড়তনা কখনই । সেটা অনেক পরে আবিষ্কার করেছিল তনয় ! তবু তনয়ের কল্পনাতে সেই খুঁত এখনও আছে । তনয় সেটা কোনোদিন পরিবর্তনের চেষ্টা করেনি ,করবেও না । খুঁত সহ কিছু কল্পনা থকতে হয় , কল্পনাটুকুতে খূঁত থাকতে পারে , কিন্তু তনয়ের সুখটুকু ছিল নিঁখুত , এক্কেবারে নিঁখুত !

গল্পটা লিখতে লিখতেই তনয় আবিষ্কার করেছিল ওর বুকের বাম পাশটায় গেঁথে যাওয়া সাফা নামটার কথা , নামটার পেছনে লুকিয়ে থাকা একটা মানুষের কথা ! তার মনের অনেক অংশ জুড়েই তখন কেবল সাফা নামের বাচ্চা একটা মানুষের আনাগোনা । ছুটে বেড়াতে থাকা সেই বাচ্চা মানুষটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতেই তনয় প্রথমবারের মত অনুভব করেছিল,সুখ সুখ অনুভূতিটা । সেই পরবাস্তব সুখ সুখ অনুভূতিটার টানেই কিনা কে জানে,প্রতিদিন সাফার ওয়ালে ঢুকে ওর ছবির দিকে সম্মোহিতের তাকিয়ে থাকাটা তনয়ের কাছে নেশার মত হয়ে গেছিল ! সাফা নামটা কিংবা সাফা মেয়েটার অথবা দুটোরই কি তীব্র নেশাতেই না ডুবেছিল তনয় ! সেই নেশার ঘোরে প্রতিদিন রাতে নীল সাদা দুনিয়ায় সম্মোহিতের মত অপেক্ষা করত সে ! মাঝে মাঝে কথা বলার চেষ্টা করে দেখেছে ,পাত্তা পাইনি খুব একটা ! বেশিরভাগ দিন ম্যাসেজ সিন হইত বাট রিপ্লাই আর পাওয়া হতোনা ! যে দুই একবার ম্যাসেজ সিন করে রিপ্লাই দিয়েছিল , তখনই কথায় কথায় শুনেছিল , মেয়েটা গান করে ! রাজ্যের জড়তা আর ভয় নিয়ে তনয় বলেছিল , "শুনাইও একসিন তোমার গান"
"কেন,আমার গানই শুনতে হবে,কেন ! ?"
"নেশা যখন হয়েইছে,সবদিন দিয়েই হোক !", বলেছিল তনয় ।

কিভাবে এতটা নেশা তনয়ের হয়েছিল , কিভাবে মেয়েটা তার অস্তিত্বের মাঝে ঢুকে গেছিল , সেটার আগে পরে অনেক গল্প ছিল ! সেসব না হয় আজকে থাক ,উপন্যাস হয়ে যাবে প্রায় !

সেই নেশাগ্রস্ত চোখে , সম্মোহিত কল্পনায় দিনের পর দিন পার হয়েছে , তনয় শুধু সাফার নেশাতেই ডুবেই গেছে , আরো গভীরে , আরো গভীরে । সেমিস্টার পরীক্ষা হয়েছে , নতুন সেমিস্টারের ক্লাস ও শুরু হয়েছে , শুধু নেশাটার হেরফের হয়নি এতটুকুও !
তারপর হুট করেই যেদিন ক্যাম্পাসের সবচেয়ে উচ্ছন্নে যাওয়া , ভীষণ প্রতিভাবান ছেলেটা ক্যাফের বারান্দায় হাঁটতে হাঁটতে আনমনে বলেছিল ,"অ! ওই মেয়ের তো বয় ফ্রেন্ড আছে !"
আশেপাশের অনেকগুলো পরিচিত মুখের ভীড়ে কথাটা তনয় শুনেছিল,ভীষণ নিস্পৃহ ভঙ্গিতে ! অনেকগুলো কাজ হাতে নিয়ে বের হওয়া দিনটাতে জ্বরের উছিলায় কিছু না করেই হলে ফেরত গেছিল তনয় ! আকাশে তখন মেঘ ছিল , জমাট বাঁধা কাল রঙের মেঘ । স্রষ্টা প্রকৃতির রঙ কে কিভাবে কিছু কিছু মানুষের খুব কাছাকাছি নিয়ে আসেন সেইটা তনয় কোনোদিনও বুঝতে পারেনি !

উড়ন্তভাবে শুরু হওয়া ভার্সিটি জীবনটা আসলে তনয়ের থেমে গেছে ওখানেই ! বিষণ্নতাটুকু সঙ্গী হয়েছে নিয়ম করে ! গিটারের তারে মাইনর কর্ড গুলোই বেজে যায় প্রতিনিয়ত ! সবচেয়ে প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গও হাসাতে পারেনা অনেকদিন ! মা যেন বুঝতে না পারে সেজন্য নিজের সাথেই অভিনয় করে যেতে হয় প্রতিনিয়ত ! সেই আমি আগের আমিই আছি সেটা বুঝানোর জন্য বাসায় থাকার প্রতিটা মুহূর্তে ঠোঁটের পাশে এক চিলতে হাসি ধরে রাখে তনয় ! মা তো , হাসির পেছনের বিষণ্নতাটুকু টের পেতে সময় লাগেনা খুব একটা ! তবুও স্বীকার করা হয়ে ওঠেনা তনয়ের ! শুধু ধীরে ধীরে নিজের ভেতরের যন্ত্রনাটুকু বাড়তে থাকে তার ! সেই যন্ত্রনাটুকু বুকে নিয়ে এখনও প্রতি রাতে সাফার ছবিগুলোর দিকে অপলক তাকিয়ে থাকে তনয় ! সে দৃষ্টিতে আজও নেশা থাকে,সম্মোহনের নেশা! শুধু অনুভূতির জায়গাতে বিষন্নতাটাও মিশে যায় , শেষ প্রহরের বিষণ্নতা...
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৯
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাঞ্জাবিস্তান

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪০

পাকিস্তা/নের পাঞ্জাবিরা হলো পাকি/স্তানের বাকি সব জাতিসত্তার মানুষদের জন্য অভিশাপ। এদের জাত্যভিমানের কারনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগন স্বাধীনতার ডাক দিতে বাধ্য হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের প্রদেশগুলো যেরকম অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×