নাট্যাভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক, পরিচালক ও কলাম লেখক আবুল হায়াত তার হাজারো ব্যস্ততার মাঝে অবসর মিলেনা বললেই চলে। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে আবুল হায়াত প্রতিদিন সকালে ঘন্টাখানেক সময় বাথরুমে কাটান। এ সময়টাতে তিনি বিভিন্ন বই পত্র পড়ে থাকেন। শোনা যায় বাথরুমে বসেই নাকি তিনি রবীন্দ্র রচনাবলী সহ আরো অনেক কালজয়ী বই পড়েছেন!
2.
কবি হিসেবে নির্মলেন্দু গুণের জনপ্রিয়তা হিংসার তুল্য। কিন্তু নির্বাচনী জনপ্রিয়তায় তিনি একেবারে গোবেচারা! 1991 সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-2 (নেত্রকোনা-বারহাট্টা) আসনে এমপি স্বতন্ত্র প্রাথর্ী হয়েছিলেন। তাঁর মাকর্া ছিল কুমির। অল্প কিছুই ভোট পেয়েছিলেন তিনি। কারো কারো মতে তিনি নির্বাচনের জামানতের টাকাটাও খুইয়েছিলেন।
3.
গোয়েন্দা কাহিনী মাসুদরানা'র লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন ছাত্রজীবনে সেন্ট গ্রেগরী স্কুলে পড়তেন। ক্লাস ওয়ানে পড়াকালীন একদিন বাংলা বিষয়ের স্যার 'নিবের্াধ' শব্দটি দিয়ে একটি বাক্য রচনা করতে বললেন। কাজী আনোয়ার হোসেন লেখলেন-'আমার বাবা একজন নিবের্াধ।'
খাতায় এ লেখা দেখে স্যার হাসতে হাসতে ভেঙ্গে পড়লেন। তারপর-
স্যার: তুমি নিবের্াধের মানে জান?
কা.আ.হোসেন: জানি। নিবের্াধ মানে হচ্ছে বোকা।
স্যার: তুমি বলতে চাচ্ছ, তোমার বাবা কাজী মোতাহার হোসেন বোকা?
কা.আ.হোসেন:হ্যাঁ, আম্মুতো রোজ সে কথাই বলে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
